মোর্চার বনধে অভুক্ত রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার থেকে স্নো লেপার্ড

Jun 20, 2017 12:22 PM IST | Updated on: Jun 20, 2017 12:22 PM IST

#দার্জিলিং: পাহাড়ে মোর্চার লাগাতার বনধ। টান রসদে । সাধারণ মানুষ থেকে বন্য প্রাণী। বাদ যাচ্ছে না কেউই। সবচেয়ে করুণ অবস্থা দার্জিলিং চিড়িয়াখানার বাসিন্দাদের। মজুত ফুরিয়ে আসছে। আর মাত্র দু-একদিন। প্রায় অভুক্ত অবস্থায় দিন কাটাতে হচ্ছে স্নো লেপার্ড, ব্ল্যাক প্যান্থর, রেড পাণ্ডা, রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারদের। বাড়ছে উদ্বেগ। সমস্যা সমাধানে সেন্ট্রাল জু অথরিটিকে চিঠি দিল চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

প্রায় ষাট বছরের ইতিহাস। ১৯৫৮ সালে তৈরি হয় পদ্মজা নাইডু হিমালয়ান জুওলজিক্যাল পার্ক। পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ এখানকার ব্ল্যাক প্যান্থর, স্নো লেপার্ড, রেড পাণ্ডা সহ বেশ কিছু পাহাড়ি বন্যপ্রাণী। এছাড়াও রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার তো আছেই। অধিকাংশই মাংসাশী। প্রতিদিন লাগে প্রায় সত্তর কেজি মাংস। রুটিনে চিকেন, মটন , বিফ মাস্ট । কিন্তু গত কয়েকদিনে বদলে গেছে ডায়েট।

মোর্চার বনধে অভুক্ত রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার থেকে স্নো লেপার্ড

এখনও খাবার মিলছে। তবে তা সামান্যই। কোনওভাবেই পেট ভরে না । কমে আসছে রসদ । আর মাত্র দু-একদিন। মোর্চার ডাকা অনির্দিষ্টকালের বনধে পাহাড়ের বিভিন্ন গ্রাম কিংবা সমতল থেকে খাবার এসে পৌঁচচ্ছে না চিড়িয়াখনায়। ফলে প্রায় অভুক্ত পাঁচটি লেপার্ড, তিনটি রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, ১৭টি রেড পাণ্ডা-সহ বিভিন্ন বন্য প্রাণী।

রীতিমত উদ্বিগ্ন চিয়িড়াখানার কর্তৃপক্ষ। এভাবে চলতে থাকলে অসহায় প্রাণীদের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে বলে জানান অধিকর্তা।

বন দফতরের প্রিন্সিপ্যাল সেক্রেটারি চন্দন সিনহা কে বিষয়টি জানিয়েছেন অধিকর্তা। জানানো হয়েছে সেন্ট্রাল জু অথরিটিকেও। বন্য আবাসিকদের মুখে খাবার তুলে দিতে এখন দিন গুনছে চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES