পর্যটকদের পাহাড় ছাড়তে নির্দেশ দিচ্ছেন মোর্চা প্রধান, আন্দোলনে পুরনো পথেই ফিরছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা

Jun 14, 2017 08:43 PM IST | Updated on: Jun 14, 2017 08:45 PM IST

#দার্জিলিং: পাহাড়ে আন্দোলনে পুরনো পথেই ফিরছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। সরকারি অফিস বনধের ডাক দেওয়া হলেও অন্য সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার জন্যও চাপ দিচ্ছে মোর্চা। পর্যটকদের পাহাড় ছাড়তে নির্দেশ দিচ্ছেন মোর্চা প্রধান। জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের মত উন্নয়ন প্রকল্পেও তালা ঝোলানোর হুমকি বিমল গুরুংয়ের। জঙ্গি আন্দোলন আরও ছড়িয়ে দিতে কাজে লাগানো হচ্ছে যুব মোর্চাকে। অন্যদিকে গুরুংকে যে খোলা মাঠ দেওয়া হবে না, বুঝিয়ে দিচ্ছে পুলিশও। বুধবারও চলল দুপক্ষের স্নায়ুর লড়াই।

নব্বইয়ের দশকে সুবাস ঘিসিংয়ের দেখানো ছবিই কি আবার ফিরছে পাহাড়ে? মুখে স্বীকার না করলেও পাহাড় নিয়ে গুরুংয়ের কৌশলে কিন্তু সেটাই স্পষ্ট। পাহাড়ে আন্দোলনের তীব্রতা আরও বাড়াতে চাইছেন মোর্চা প্রধান। সেজন্য ধঃস্বাত্মক পথ নিতেও আপত্তি নেই। দীর্ঘদিন ধরে পাহাড় অচল রাখার লক্ষ্যেই একের পর এক সিদ্ধান্ত গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার।

পর্যটকদের পাহাড় ছাড়তে নির্দেশ দিচ্ছেন মোর্চা প্রধান, আন্দোলনে পুরনো  পথেই ফিরছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা

পাহাড়ে আন্দোলনে যুব মোর্চার কর্মীকে তাদের আরও বেশি করে রাস্তায় নামার নির্দেশ মোর্চা প্রধানের। বেশ কয়েকটি বিষয় মাথায় রেখেই গুরুংয়ের এই কৌশল বদল। যুব মোর্চার কর্মীরা অনেক বেশি আগ্রাসী ৷ গত ৮ জুনের তাণ্ডবের পিছনে মুখ্য ভূমিকা ছিল তাদেরই এদের বড় অংশই জিএলপি হিসাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতেই যুব মোর্চাকে ব্যবহারের কৌশল

বুধবার নিজের খাসতালুক কাঞ্চনজঙ্ঘা পাবলিক স্কুলে যুব মোর্চা কর্মীদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছিলেন মোর্চা প্রধান। সেখানেই আরও আগ্রাসী আন্দোলনের নির্দেশ দেন বিমল গুরুং। এই বৈঠক চলার সময় স্কুল ঘিরে ফেলে বিশাল পুলিশবাহিনী। বন্ধ করা হয় সবকটি এন্ট্রি পয়েন্ট।

তার আধ ঘণ্টা পর স্কুলের মূল দরজা দিয়ে বাইরে আসেন যুব মোর্চা নেতারা। তবে স্কুলবাড়ি ঘিরে ফেললেও তার বেশি আর এগোয়নি পুলিশ। বিমল গুরুং কিংবা যুব মোর্চার নেতাদেরও বাধা দেওয়া হয়নি। প্রয়োজনে কোনওভাবেই রেয়াত করা হবে না মোর্চাকে। সেই বার্তাই গুরুং শিবিবের কাছে স্পষ্ট করতে চাইছে পুলিশ।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES