‘আমি চমকাই না, চমকালে কী করতে হয় সেটা জানি’, মোর্চাকে কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীর

Jun 12, 2017 07:28 PM IST | Updated on: Jun 12, 2017 07:32 PM IST

#ভাঙড়: নাম না করে মোর্চাকে কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীর। চমকালে কী করতে হয় সেটা জানি। পাহাড়ে চমকেছিল, কোনও লাভ হয়নি। পাহাড়ে থেকে শান্তি ফিরিয়েছি। কয়েকজন নেতার কথায় অশান্তি করবেন না। ভাঙড়ে বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

স্কুলে বাংলা পড়ানোর সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে পাহাড়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য বনধ ডেকেছে মোর্চা ৷ আজ অর্থাৎ সোমবারই ছিল তার প্রথম দিন ৷ মোর্চার পদক্ষেপ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমি চমকাই না ৷ চমকালে কী করতে হয় সেটা জানি ৷ পাহাড়ে আমাকে চমকেছিল ৷ কোনও লাভ হয়নি ৷ পাহাড়ে থেকে শান্তি ফিরিয়েছি ৷ কয়েকজন নেতার কথায় অশান্তি করবেন না ৷ পাহাড়ে শান্তি বজায় রাখুন ৷’

‘আমি চমকাই না, চমকালে কী করতে হয় সেটা জানি’, মোর্চাকে কটাক্ষ মুখ্যমন্ত্রীর

শুধুমাত্র সরকারি অফিস ও ব্যাঙ্কেই বনধ ডাকা হয়। কিন্তু মোর্চার সেই ডাকে সাড়া দিল না পাহাড়। মোর্চার আন্দোলনকে ভোঁতা করতে প্রস্তুত ছিল প্রশাসন। পথে নেমে নজরদারি চালালেন পুলিশ, প্রশাসনের শীর্ষকর্তারা। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে চলল দফায় দফায় বৈঠক। প্রশাসনে আস্থা রেখে সরকারি অফিস ও ব্যাংকে কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মত। বিভিন্ন সরকারি অফিসে হাজিরা ছিল প্রায় পঁচানব্বই শতাংশ।

সোমবার থেকে আবারও বনধের রাজনীতিতে ফিরেছে পাহাড়। গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার ডাকে সরকারি অফিসে চলছে ধর্মঘট। ২০১৭ সালে যেন হঠাৎই ফিরে এসেছে নব্বইয়ের দশকের রাজনীতি। নেতার মুখ বদলেছে। সরকারি টাকা দখলে রাখার চেনা কায়দাটা একইরকম। পাহাড়ে রাজ্য সরকারকে নাক গলাতে না দিতেই একের পর এক আন্দোলন সুবাস ঘিসিং থেকে বিমল গুরুংদের। উন্নতম ও ক্ষমতার দ্বন্দ্বে আর কতদিন ভুগবেন পাহাড়বাসী?

আন্দোলনের নামে বনধ, অচল করার রাজনীতিতে ফিরে যাওয়া। আর শেষ অস্ত্র হিসাবে উসকে দেওয়া গোর্খাল্যান্ডের দাবি। এর শেষ কোথায়? চাপের মুখে বারবার নতিস্বীকার করেছে বাম সরকার। বেছে নিয়েছে আপোসের রাস্তা। সমস্যা তাই থেকেই গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবশ্য সেপথে হাঁটছেন না। রুখে দাঁড়িয়েই পাহাড়ে শান্তি ফেরাতে সচেষ্ট রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান ৷

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES