গঙ্গার ভাঙন প্রতিরোধের কাজ শুরু হওয়ার পর নতুন করে ভাঙন ! অসন্তুষ্ট এলাকাবাসী

Siddhartha Sarkar | News18 Bangla
Updated:May 31, 2017 10:33 PM IST
গঙ্গার ভাঙন প্রতিরোধের কাজ শুরু হওয়ার পর নতুন করে ভাঙন ! অসন্তুষ্ট এলাকাবাসী
Photo : AFP
Siddhartha Sarkar | News18 Bangla
Updated:May 31, 2017 10:33 PM IST

#ফারাক্কা: গঙ্গা ভাঙ্গন প্রতিরোধের কাজ শুরু হতেই নতুন করে ভাঙ্গন দেখা দেওয়ায় চাঞ্চল্য ছড়াল মহেশপুরে। গ্রাম বাসীদের অভিযোগ, ভাঙ্গন প্রতিরোধের কাজ নিয়ম মাফিক না হওয়াতে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে।

অভিযোগ পাওয়ার পরেই ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে ভাঙ্গন কবলিত এলাকায় পরিদর্শনে গেলেন ফারাক্কার বিডিও কেশাঙ্গ ডেন্ডুপ ভুটিয়া। ফারাক্কার মহেশপুরে গঙ্গা ভাঙ্গন প্রতিরোধের কাজ করার দায়িত্ব ফারাক্কা বাঁধ প্রকল্পের। গ্রামবাসীরা ভাঙ্গন প্রতিরোধের কাজ দ্রুত চালু করার দাবি বারবার জানালেও ব্যারেজ কর্তৃপক্ষের হেলদোল না থাকায় অবশেষে এগিয়ে আসে রাজ্য সরকার।

মহেশপুরে ভাঙ্গন কবলিত ৩৩০ মিটার জরুরি ভিত্তিতে কাজ শুরু করে রাজ্যের সেচ দফতর। এর জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হয় চার কোটি ৭০ লক্ষ টাকা। কাজ শুরু হয় ২০ দিন আগে। সোমবার রাতে লম্বায় ১৫ মিটার এবং চওড়ায় ৬০ মিটার ভাঙ্গন সৃষ্টি হওয়ায় আতঙ্ক ছড়ায় গ্রামবাসীদের মধ্যে। মুর্শিদাবাদ-মালদা গঙ্গা ভাঙ্গন প্রতিরোধ কমিটির সম্পাদক মেহবুব আলম জানান, মহেশপুরে গঙ্গা ভাঙ্গন প্রতিরোধের কাজ রাজ্যসরকার দায়িত্ব নিলেও সঠিক ভাবে কাজ হচ্ছে না। জলস্তরে ১৫ মিটার ডাম্পিং করার কথা থাকলেও ঠিকাদার সংস্থা ৭ মিটার কাজ করে ছেড়ে দেয়। যার ফলে সঠিক ভাবে ভাঙ্গন প্রতিরোধের কাজ না হওয়ায় প্রতিরোধের কাজ যেখান করা হচ্ছিল সেখানে নতুন করে ধস নেমেছে।

এলাকার মানুষদের দাবি ভাঙ্গন প্রতিরোধের কাজ সরকারি সিডুল অনুযায়ী করা হোক। নচেত বর্ষা আসলে ভয়াবহ ভাঙ্গন দেখা দেবে। ভাঙ্গনে তলিয়ে যাবে পুর মহেশপুর গ্রাম। মুর্শিদাবাদে বিলুপ্ত হয়ে পড়বে মহেশপুর পঞ্চায়েত। যদিও গ্রামবাসীদের এই অভিযোগ মানতে নারাজ সেচ দপ্তরের ভারপাপ্ত জুনিয়ার ইঞ্জিনিয়ার আশিস কান্তি অধিকারী। তার অভিমত সরকারি শিডিউল মোতাবেক কাজ হচ্ছে। গ্রাম বাসীদের সহযোগিতা দরকার যে সব স্থানীয় শ্রমিক ভাঙ্গন প্রতিরোধের কাজ করছেন তারা বালির বস্তা সম্পুর্ন না ভরে অর্ধেক ভরছে কিন্তু বলতে গেলেই হুমকি দিচ্ছে। যার ফলে সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। তিন দফায় ভাঙ্গন প্রতিরোধের কাজ শুরু হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে ডাম্পিংয়ের কাজ চলছে। বর্ষার পর বাসের খাঁচা করে ডাম্পিংয়ের কাজ শুরু হবে। ডিসেম্বর মাসে স্থায়ী প্রতিরোধের কাজ শুরু হবে। এ প্রসঙ্গে ফরাক্কার বিডিও জানান শুরুতেই ধস নামাই ভাল হয়েছে। রাজ্যের সেচ দফতর জেলা অধিকারির সঙ্গে কথা বলবে যাতে গঙ্গা ভাঙ্গন প্রতিরোধের কাজ সঠিক ভাবে করা হয়।

First published: 10:23:50 PM May 31, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर