উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বিপর্যস্ত BSNL পরিষেবা

Mar 19, 2017 10:12 AM IST | Updated on: Mar 19, 2017 10:12 AM IST

#দিনাজপুর: তিনদিন ধরে উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বিপর্যস্ত বিএসএনএল পরিষেবা। চরম সমস্যার মুখে ব্যাঙ্ক ও পোষ্ট অফিসের কর্মীরা।  আর্থিক বছরের শেষ লগ্নে একটানা তিনদিন থেকে বিএসএনএলের পরিষেবা বন্ধ থাকায় মুখ থুবড়ে পড়েছে ব্যাঙ্ক ও পোষ্ট অফিসের সমস্ত রকমের কাজকর্ম।  এদিকে মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট পরিষেবা বিকল হয়ে থাকায় সমস্যার মুখে BSNL গ্রাহক ও ব্যবসায়ীরা।

উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বিপর্যস্ত BSNL পরিষেবা

বকেয়া বেতন প্রদান ও নিয়মিত বেতনের দাবিতে বিগত প্রায় ১০ মাস থেকে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে বিএসএনএলের অস্থায়ী কর্মীরা।  গত বুধবার  রায়গঞ্জের তিনটি টেলিফোন এক্সচেঞ্জ ও কর্ণজোড়ায় দুই দিনাজপুরের প্রশাসনিক কার্যালয়ের গেটে তালা মেরে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করে শাসক দলের শ্রমিক সংগঠনের ছত্রছায়ায় থাকা বিএসএনএলের অনথিভূক্ত অস্থায়ী কর্মীরা।

এরপর থেকেই দুই দিনাজপুরের সরকারি টেলিকম সংস্থা বিএসএনএলের পরিষেবা স্তব্ধ হয়ে পড়ে।  মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকার কারণে বিএসএনএলের আধিকারিকদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। ফলে এই স্তব্ধতার পিছনে আদতে কী কারণ রয়েছে সেই বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

ইন্টারনেট ধাবা ব্যবসায়ী গৌরাঙ্গ পাল বলেন " আমি অনলাইনে রেল ও বিমানের টিকিট বুকিং করার ব্যবসায়ের সাথে যুক্ত। চারদিন থেকে বিএসএনএলের  ইন্টারনেট, নেট ব্যাঙ্কিং ও মোবাইল ফোনের পরিষেবা বন্ধ হয়ে রয়েছে। ব্যবসায়ে বিশাল ক্ষতির পাশাপাশি মানুষের সাথে যোগাযোগ পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।

LIC আধিকারিক গোপাল সরকার বলেন, তিনদিন থেকে বিএসএনএলের পরিষেবা বিপর্যস্ত।  আমাদের কোনরকম কাজ করাই সম্ভব হচ্ছে না। সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে গ্রাহক ও কর্মীদের। কবে এই সমস্যার সমাধান হবে সেই বিষয়ে কিছু জানা যায়নি।

বিএসএনএল শিল্প সহায়ক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সুশান্ত ভদ্র বলেন, আমাদের আন্দোলন তুলে দিতে বিএসএনএল কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে পরিষেবা বিপর্যস্ত করে আমাদের ওপর চাপসৃষ্টি করছে।  আমরা আমাদের দাবিতে শান্তিপূর্ণ ভাবেই আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলাম। আমাদের সন্দেহ, বুধবার আমরা বিভাগীয় দফতরের গেটে তালা ঝুলিয়ে আন্দোলন শুরু করার পর আমাদের ওপর পাল্টা চাপ সৃষ্টি করতেই তাঁরা সার্ভার ডাউন করে বেরিয়ে গেছেন।

শাসক দলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা কৌশিক দে বলেন, আমরা আন্দোলন শুরু করার পর থেকেই বিএসএনএলের আধিকারিকরা সার্ভার ডাউন করে বেরিয়ে গেছেন। এরফলেই সাধারণ মানুষকে চরম সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES