দার্জিলিঙে মোর্চার বিক্ষোভ শুরু, বনধ মোকাবিলায় কড়া রাজ্য

Jun 09, 2017 08:55 AM IST | Updated on: Jun 09, 2017 08:56 AM IST

#দার্জিলিং: ফের হিংসার পথ নিল মোর্চা। গতকাল পাহাড়ে মন্ত্রিসভার বৈঠক চলাকালীন জঙ্গি আন্দোলনে নামে তারা। পুলিশকে পাথর ও গাড়িতে আগুন দেওয়া হয়। ভানুভবনে নিরাপদ আশ্রয় থেকে কার্যত কন্ট্রোল রুম খুলে আন্দোলন নিয়ন্ত্রণ করলেন বিমল গুরং সহ মোর্চা নেতৃত্ব। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনা তলব করেছে রাজ্য সরকার। শুক্রবার ১২ ঘণ্টা বনধ-এর ডাক দিয়েছে মোর্চা।সবমিলিয়ে রণক্ষেত্র পাহাড়। আতঙ্কে পাহাড় ছাড়তে শুরু করেছে পর্যটকরা।

জঙ্গি আন্দোলনের পথ নিল গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা। পাথরবৃষ্টি আর লাঠিচার্জের মধ্যে আগুন জ্বলল একের পর এক গাড়িতে। বৃষ্টির মতো পাথর উড়ে এল পুলিশের দিকে। মাথা ফাটল। চোখেও আঘাত পেলেন এক পুলিশকর্মী। পাল্টা লাঠি চার্জ, কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়ল পুলিশ। রনক্ষেত্র পাহাড়।

দার্জিলিঙে মোর্চার বিক্ষোভ শুরু, বনধ মোকাবিলায় কড়া রাজ্য

মন্ত্রিসভার বৈঠক চলার সময়ে ভানুভবনের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভের কথা ঘোষণা করছিল মোর্চা নেতৃত্ব। আসলে সেই বিক্ষোভ থেকে উসকে দেওয়া হল অশান্তির আগুন। পাহাড়ে অশান্তির রেশ ছড়িয়ে পড়ল কার্শিয়াং, কালিম্পং ও মিরিকের মতো মহকুমাতেও। আহত বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মী। গ্রেফতার করা হয় কয়েকজন মোর্চা সমর্থককেও।

সকাল ৯.৩০

দার্জিলিংয়ের ৯টি প্রধান রাস্তার মুখে অবরোধে মোর্চা সমর্থকরা

বেলা ১২ টা

ভানু ভবনের সামনে অবস্থান বিক্ষোভে মোর্চা নেতৃত্ব

দুপুর ১

পুলিশকে লক্ষ্য করে বোতল ছোঁড়া শুরু

২.৩০

পাথর ছুঁড়তে শুরু করলেন মোর্চা সমর্থকরা

পাল্টা লাঠিচার্জ পুলিশের

২.৪৫

ভানুভবনের সামনে বোমা ছুড়লেন মোর্চা সমর্থকরা

২.৫০

অশান্তি আরও ছড়াল

৪টি পুলিশের গাড়িতে আগুন

সরকারি বাস ও গাড়িতে আগুন মোর্চা সমর্থকদের

মারমুখী মোর্চা সমর্থকরা রেহাই দেননি পর্যটকদেরও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পাহাড়ে সেনা নামানোর সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসন। তখন ভানুভবনে সমর্থকদের নিরাপদ ঘেরাটোপে বিমল গুরং সব মোর্চা শীর্ষনেতারা। বিকেলের পর কড়া নিরাপত্তায় বাড়ির দিকে রওনা হন গুরংরা। এতকিছুর পরও পাহাড় অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠার দায় অস্বীকার মোর্চা নেতৃত্বের।

কথা ছিল, বিক্ষোভ দেখানোর পাশাপাশি ভানুভবনে কৌশল বৈঠকে বসবে মোর্চা নেতৃত্ব। আদপে ভানুভবন থেকে অশান্তিতে মদত দিয়ে গেলেন তাঁরা। যার নিট ফল, বিকেলের পরই আতঙ্কে পাহাড় ছাড়তে শুরু করেছেন পর্যটকরা। ভরা মরশুমে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে চলেছে পাহাড়বাসী, স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। বারো ঘণ্টার বন্ধের ডাক দিল মোর্চা।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES