মোর্চার ডাকা বনধে পঞ্চম দিনেও উত্তপ্ত পাহাড়, টয়ট্রেনে আগুন

Jun 16, 2017 07:09 PM IST | Updated on: Jun 16, 2017 07:16 PM IST

#দার্জিলিঙ:  বনধের পঞ্চম দিনেও উত্তপ্ত পাহাড়। বিভিন্ন সরকারি দফতরে আগুন ধরিয়ে দেন মোর্চা সমর্থকরা। গয়াবাড়িতে টয়ট্রেন স্টেশনে আগুন ধরিয়ে দেওয়ায় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ পরিষেবা। মিছিল-পালটা মিছিলে নামে মোর্চা- তৃণমূল কংগ্রেস। উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে চরম ভোগান্তিতে পর্যটকরা।

বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ফের অশান্ত দার্জিলিং। গয়াবাড়ি স্টেশনে আগুন ধরিয়ে দেন মোর্চা সমর্থকরা। ক্ষতিগ্রস্ত হেরিটেজ স্টেশনের বেশিরভাগ অংশই। এর জেরে আপাতত পাহাড়ে টয়ট্রেন পরিষেবা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল।

মোর্চার ডাকা বনধে পঞ্চম দিনেও উত্তপ্ত পাহাড়, টয়ট্রেনে আগুন

সকালে বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প ও অফিসে আগুন ধরানো হয়। জ্বালিয়ে দেওয়া হয় রামাম জলবিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের ক্যাস অফিস। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় পহেলগাঁও পঞ্চায়েত, কালিম্পঙের সরকারি অফিস, লোধামা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে। তারখোলা বনরক্ষী কোয়ার্টারে অগ্নি সংযোগের চেষ্টা করেন মোর্চা সমর্থকরা। জঙ্গি আন্দোলনে ছাড় পায়নি মিরিকের প্রাথমিক স্কুলও। উত্তপ্ত পরিস্থিতির জেরে বন্ধ পাহাড়ের স্কুল-কলেজ। বাতিল হয়েছে পরীক্ষা।

পাহাড়ের অন্যত্র উত্তপ্ত হলেও, অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনার পর এদিন কার্যত শুনসান ছিল পাতলেবাস। এরই মধ্যে সেখান থেকে মিছিল করেন মহিলা মোর্চার সমর্থকরা। জেলাশাসকের দফতর পর্যন্ত এগোতে গেলে, সিংমারিতেই মিছিল আটকে দেয় সেনা।

মিরিকে পালটা মিছিল করে তৃণমূল কংগ্রেস। গোটা পরিস্থিতিতে সবচেয়ে সমস্যায় পড়েছেন দেশ-বিদেশের পর্যটকরা। চকবাজারে পর্যটকদের সামলাতে মাইকিং করে পুলিশ।

হাজার হাজার পর্যটকের ভিড়। অথচ সমতলে নামার গাড়ি নেই। ভরসা শুধুই সরকারি বাস। সেই বাসের সংখ্যাও বেশ কম। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ যে, চা বাগানের গাড়িতে চড়েও ফিরতে চান অনেকে।

পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তৎপর প্রশাসন। তারপরও ফের পাহাড়ে আসার বিষয়ে দোলাচলে পর্যটকরা।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES