বিহারে নিষিদ্ধ মদ, গোখরোর ছোবলে নেশা করে অসুস্থ যুবক

Aug 09, 2017 03:34 PM IST | Updated on: Aug 09, 2017 03:34 PM IST

#পটনা: গোখরোর ছোবলে নেশা। বিহারে মদ বিক্রি নিষিদ্ধ হওয়ার পর এই পথই বেছে নিয়েছিলেন সমস্তীপুরের রানা পতেশ্বর সিং। কিন্তু একদিন পর পর তিনবারের ছোবলে শরীরে ছড়িয়ে পড়ে গোখরোর বিষ। সমস্তীপুর হাসপাতালে চিকিৎসার পর এখন কিছুটা সুস্থ এই কীর্তিমান যুবক। কিন্তু রানা পতেশ্বরের দাবি মানতে নারাজ চিকিৎসকরা।

নীতিশ কুমার মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরই বিহারে মদ্য পান নিষিদ্ধ। মদ বিক্রিতে সরকারি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। কিন্তু নেশা কাটানো কি অত সহজ? ?যেমন সমস্তীপুরের ওয়ারিসনগরের সারি গ্রামের রানা পতেশ্বর সিং। রোজ মদ না হলে তাঁর চলে না। নেশার জন্য কিছুদিন রাজ্যের বাইরেও কাটিয়ে ছিলেন। ঘরে ফিরে ট্যাবলেট, গাঁজা, চরস, কফসিরাপে নেশা জমছিল না। এবার তাই বিষাক্ত গোখরোর ছোবলে নেশা খুঁজতে চান পতেশ্বর। সাধারণত গোখরোর শরীরে পাঁচশো মিলি গ্রাম বিষ থাকে। এক সাপুড়ের কাছ থেকে এক হাজার টাকায় একটি বিষধর সাপ কেনেন পতেশ্বর।

বিহারে নিষিদ্ধ মদ, গোখরোর ছোবলে নেশা করে অসুস্থ যুবক

বাড়ির পিছনের ঝুপড়িতে প্লাস্টিকের কৌটায় লুকিয়ে রাখতেন। প্রতিদিন একটি করে জ্যান্ত ব্যাঙ, ডিম খেতে দিতেন সেই গোখরোকে। তারপরই হাত ঢুকিয়ে দিতেন কৌটায়। গোখরোর ছোবলে ধরে যেত নেশা।

কিন্তু হঠাতই হিসেবে গরমিল। একদিনে তিনবার গোখরোর ছোবল খেতে যান পতেশ্বর। ওভারডোজ হয়ে গিয়ে শরীরে বিষক্রিয়া হয়ে যায়। সমস্তীপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসার পর এখন কিছুটা সুস্থ এই কীর্তিমান যুবক।

তবে সাপের ছোবলে নেশার কথা মানতে নারাজ সমস্তীপুর সদর হাসপাতালের চিকিৎসক।

রানা পতেশ্বরের চিকিৎসায় সমস্তীপুর সদর হাসপাতালে বিশেষ টিম গঠন করা হয়। টানা কুড়ি ঘণ্টা ধরে আঠারোটি প্রতিষেধক ইনজেকশন দেওয়ার পর প্রাণ বাঁচে রানা পতেশ্বরের।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES