বিক্রমের রক্ত সংগ্রহে ‘গাফিলতি’, পুলিশের ভূমিকা ঘিরে উঠছে প্রশ্ন

Jun 02, 2017 08:40 PM IST | Updated on: Jun 02, 2017 08:40 PM IST

#কলকাতা: মডেল সোনিকা সিং মৃত্যুর তদন্তে পুলিশের ভূমিকা ঘিরে উঠছে একের পর এক প্রশ্ন। ফরেনসিক ম্যানুয়াল মেনে বিক্রমের রক্ত নেওয়া হয়নি। ফলে তিনি মত্ত ছিলেন কি না, তা জানা যায়নি। পুলিশের বিরুদ্ধে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা এই অভিযোগ তুলতেই সেই অভিযোগ এবার হাসপাতালের দিকেই ঘুরিয়ে দিলেন তদন্তকারীরা। জবাব চেয়ে তড়িঘড়ি পুলিশ নোটিস পাঠাল রুবি হাসপাতালকে।

২৯ এপ্রিল দু্র্ঘটনার দিন বিক্রম কি মত্ত অবস্থায় গাড়ি চালাচ্ছিলেন? মডেল সোনিকা সিং মৃত্যুর তদন্তে নেমে এই প্রশ্নই বারবার ঘুড়েফিরে সামনে আসে। প্রথমে মদ খাওয়ার কথা অস্বীকার করেন বিক্রম।

বিক্রমের রক্ত সংগ্রহে ‘গাফিলতি’, পুলিশের ভূমিকা ঘিরে উঠছে প্রশ্ন

File Photo

যদিও মত বদলে পরে অভিনেতা জানান মদ খেয়েছিলেন, তবে তিনি গাড়ি চালানোর অবস্থায় ছিলেন। সত্য জানতে বিক্রম ও সোনিকার বন্ধুদেরও জবানবন্দি নেওয়া হয়। তারপরও মেলেনি সদুত্তর। ফলে বিক্রমের রক্ত পরীক্ষার রিপোর্টের দিকেই তাকিয়ে ছিলেন তদন্তকারীরা। কিন্তু তাতেও লাভ হল না। কারণ, রক্তের নমুনা সংগ্রহেই ছিল গাফিলতি।

রক্ত সংগ্রহে গাফিলতি

- ফরেনসিক ম্যানুয়াল মেনে বিক্রমের রক্ত সংগ্রহ করা হয়নি

- কেউ মত্ত ছিলেন কি না পরীক্ষার জন্য ১০ মিলিলিটার রক্ত প্রয়োজন

- অথচ মাত্র আধ মিলিলিটার রক্ত নমুনা হিসাবে পরীক্ষায় পাঠানো হয়েছিল

- (ফলে) ওই অল্প পরিমাণ রক্ত দিয়ে পরীক্ষাই করা সম্ভব হয়নি

- দশ দিন পরে পাঠানো ওই রক্ত থেকে প্রমান পাওয়াও সম্ভব ছিল না

- মদ ছাড়াও অন্য কোনও মাদক রক্তে ছিল কিনা তারও প্রমান আর মিলবে না

রক্তের নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষার জন্য পাঠানোর দায়িত্ব পুলিশেরই। কিন্তু সেই দায় ঝেড়ে এবার হাসপাতালের দিকে আঙুল তুলল পুলিশ। দুর্ঘটনার পর রুবি হাসপাতালে ভরতি ছিলেন বিক্রম। সেখানেই তাঁর রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। তাই হাসপাতালে কাছে জবাবদিহি চেয়েই দায় সেরেছে লালবাজার। যদিও এতে তদন্তে বা দোষ প্রমানে কোনও সমস্যা হবে না বলেই মনে করছেন সরকারি আইনজীবী।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES