কী বলছে আজকের খবরের কাগজ ? দেখে নিন

Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Mar 21, 2017 09:41 AM IST
কী বলছে আজকের খবরের কাগজ ? দেখে নিন
Photo : AFP
Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Mar 21, 2017 09:41 AM IST

প্রতিদিনের ব্যস্ততায় খবর কাগজ খুঁটিয়ে পড়া সম্ভব হয় না ৷ অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ খবর চোখ এড়িয়ে যায় ৷ তাছাড়া একাধিক কাগজও পড়ার মতো সময় কারোর হাতেই নেই ৷ তাই আসুন এক নজরে, একজায়গায় দেখে নিন কলকাতার বিভিন্ন কাগজের সেরা খবর গুলি ৷ মঙ্গলবারের গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলি হল-

anandabazar11

আদিত্যনাথে আতঙ্ক মোছার চেষ্টায় বিজেপি

আনুষ্ঠানিক ফরমান এখনও জারি হয়নি। তবু যোগী আদিত্যনাথের শপথ নেওয়ার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই ইলাহাবাদ পুরসভা তালা ঝোলালো দু’টি কসাইখানায়। এই সব বিষয় তো রয়েইছে, তার সঙ্গে যোগীর অতীত নিয়েও বিভিন্ন মহলে রয়েছে ক্ষোভ। উত্তরপ্রদেশে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর অভিষেকের সঙ্গেই শুধু সংখ্যালঘু সমাজে নয়, অসন্তোষ বাড়ছে আধুনিক হিন্দু মননেও। সেই ক্ষোভ সামাল দিতেই এ বার আসরে নামলেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব।

মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকের আগে পর্বত প্রমাণ কৃষি-ঋণ মাফে হিমশিম যোগী

ভোটের প্রচারে খোদ নরেন্দ্র মোদীর প্রতিশ্রুতি, উত্তরপ্রদেশ সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভাতেই সিদ্ধান্ত হবে কৃষি ঋণ মাফের। সেই সিদ্ধান্ত নিতেই এখন হিমশিম খাচ্ছেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। মন্ত্রিসভার বৈঠকের আগেই প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ তিনি। নরেন্দ্র মোদীর নির্দেশে তাঁর প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি নৃপেন্দ্র মিশ্র গত কাল রাতেই বৈঠক করেছেন যোগীর সঙ্গে। তিনিই এখন মোদী-যোগীর প্রধান সেতু। প্রাথমিক হিসেবে দেখা যাচ্ছে, ছোট ও প্রান্তিক কৃষকদের ঋণ মাফ করতেই লেগে যাবে প্রায় ৮০০০ কোটি টাকা। পাঁচ বছর আগে উদ্যোগী হয়েও অখিলেশ যাদব সরকার সকলের ঋণ মাফ করতে পারেনি। হাজারো শর্ত চাপিয়ে ফি-বছর বোঝার পরিমাণ ১৬৫০ কোটি টাকায় নামিয়ে এনেছিল, যা নিয়ে বিরোধীদের কটাক্ষও হজম করতে হয়েছিল সপা  সরকারকে। কিন্তু প্রশ্ন— ধুঁকতে থাকা রাজ্যের কোষাগার থেকে এত টাকার বোঝা সামাল দেওয়া যাবে কী ভাবে?

কংগ্রেসের সঙ্গে নেই, বিজেপিকে বলে এলেন মুলায়ম সিংহ যাদব

যোগী আদিত্যনাথের শপথ মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর কানে কানে মুলায়ম সিংহকে কিছু বলতে সকলে দেখেছিলেন। কিন্তু কী বললেন তিনি? তার খোঁজ এখনও পাওয়া যায়নি বটে। কিন্তু সেই মঞ্চেই আর এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বেঙ্কাইয়া নায়ডুর কানে কানে মুলায়ম বলেছেন, ‘‘আমি কংগ্রেসের সঙ্গে নেই।’’ ঘনিষ্ঠ মহলে বেঙ্কাইয়া আজ বলেন, সে দিন শপথ মঞ্চে তাঁর পাশেই বসেছিলেন মুলায়ম। তখনই কানে কানে তিনি বলেন, কংগ্রেসের সঙ্গে জোট কখনওই তিনি মেনে নেননি। এর জন্য উত্তরপ্রদেশের ভোটে তিনটের বেশি সভাও করেননি। বিজেপি নেতৃত্ব বেশ বুঝতে পারছেন, মুলায়মদের ঘাঁটিকে নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহ যে ভাবে গ্রাস করে ফেলেছেন, তাতে ভবিষ্যতে বিপদের আশঙ্কা করছে সপা। তাই কংগ্রেসের থেকে দূরত্ব বজায় রাখার কথা বলে আসলে সম্ভাব্য বিপদকেই প্রশমিত করতে চাইছেন নেতাজি।

প্রশান্তের খোঁজ দিলেই ৫ লক্ষ! পড়ল পোস্টার

খোঁজ শুরু হয়েছে প্রশান্ত কিশোরের। বালিয়ার এক কংগ্রেস নেতা রীতিমতো পোস্টার ছড়িয়েছেন, প্রশান্তকে দলের বৈঠকে হাজির করতে পারলে নগদ পাঁচ লক্ষ টাকা ইনাম মিলবে। কীর্তিটি উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেস কমিটির সচিব অজয় শর্মার। সন্দেহ নেই, এটি শ্লেষ। তবে তা নিয়ে কোনও রকম লুকোছাপা করেননি অজয়। নিজের হাসিমুখের ছবিও দিয়েছেন পোস্টারে। ঝুলিতে নরেন্দ্র মোদী, নীতীশ কুমারের জয়ের পালে হাওয়া তোলার কৃতিত্ব। মিডিয়ায় চর্চা, ভোটে জেতানোর জাদু আছে চল্লিশ না পেরোনো এই ভোট-কুশলীর মগজে।   এ-হেন প্রশান্তকে উত্তরপ্রদেশের ভোটে কংগ্রেসের রণকৌশল তৈরির দায়িত্ব দিয়েছিলেন রাহুল গাঁধী। পরে পঞ্জাব ও উত্তরাখণ্ডেরও দায়িত্ব পান প্রশান্ত। পঞ্জাবে প্রবল বাদল-বিরোধী হাওয়ায় ভর করে কংগ্রেস জিতেছে। মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ক্যাপ্টেন অমরেন্দ্র সিংহ তবু জয়ের অন্যতম কুশলী হিসেবে প্রশান্তকে তাঁর কৃতিত্বের ভাগ দিতে কার্পণ্য করেননি। কিন্তু গোবলয়ের সবচেয়ে বড় রাজ্যে, শতাধিক কেন্দ্রে লড়ে কংগ্রেস জোটাতে পেরেছে সাকুল্যে ৭টি আসন। সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার পিছনেও অন্যতম কারিগর ছিলেন প্রশান্ত। দল ও জোটের ভরাডুবির জন্য তাঁর জবাবদিহি চান অজয়।

bartaman_big11

রাষ্ট্রপতি পদেও মোদি কি কট্টর হিন্দু মুখ চান

ফের চমক অপেক্ষা করছে! লখনউ তখতের পর এবার ভারতের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক সিংহাসনেও কট্টর হিন্দুত্ব মুখকেই দেখতে চাইছে বিজেপি। অর্থাৎ রাষ্ট্রপতি। তবে এবার ফরমুলা হতে পারে দলিত প্লাস হিন্দুত্ববাদী। উত্তরপ্রদেশে দলিত, অনগ্রসর, তফসিলি সম্প্রদায়ের থেকে আশাতীত ভোট পাওয়ার পরও মুখ্যমন্ত্রী পদে একজন উচ্চবর্ণ ঠাকুর সম্প্রদায়কে বসানোয় যাতে দলিত সমাজ ক্ষুব্ধ না হয়, তা নিশ্চিত করতে তাদের উপহার দেওয়া হতে পারে একজন দলিত রাষ্ট্রপতি। যিনি হবেন প্রবল হিন্দুত্ববাদীও। এটাই সংঘ পরিবারের পরিকল্পনা। উত্তরপ্রদেশের বিপুল সাফল্যই নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহদের অনুপ্রাণিত করেছে নির্বিঘ্নে গেরুয়াকরণের পথে এগতে। প্রধানমন্ত্রী পদে নিরঙ্কুশ গরিষ্ঠতা নিয়ে বসা একদা সংঘের প্রচারক নরেন্দ্র মোদি। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পদে দেশের কট্টর হিন্দুত্ববাদীদের কাছে পোস্টার বয় যোগী আদিত্যনাথ। হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী পদে আরএসএস প্রচারক মনোহর লাল খট্টর। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী আরএসএসের একান্ত অনুগামী তথা নাগপুরের একদা মেয়র দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী সংঘের আদর্শবাহী ইউনিয়ন নেতা রঘুবর দাস। উত্তরাখণ্ডে সদ্য বেছে নেওয়া হল আরএসএসের প্রচারক ত্রিবেন্দ্র সিং রাওয়াতকে।

নারদকাণ্ডে ম্যাথুকেও জড়াতে চায় সিবিআই

নারদ স্টিং কাণ্ডে শুধু তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরাই নন, এবার ম্যাথুকেও জড়ানোর তোড়জোড় শুরু করতে চলেছে সিবিআই। স্টিং অপারেশনের জন্য ব্যবহৃত তহবিলের আসল উৎস জানাও তদন্তকারী অফিসারদের কাছে জরুরি। স্টিং অপারেশনের জন্য সত্যিই কী তৃণমূলের রাজ্যসভার সংসদ সদস্য কেডি সিং টাকা দিয়েছিলেন, নাকি অন্য কোনও প্রভাবশালী সদস্য এই টাকা দিয়েছিলেন, সেই রহস্যই ভেদ করতে চাইছেন তাঁরা। যদি তদন্তে উঠে আসে কে ডি সিং নয়, টাকার উৎস আলাদা, তাহলে স্টিংকাণ্ড প্রকাশ্যে আনা ম্যাথু স্যামুয়েলের বিপদ যে বাড়বে, তা মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অনেকেই। সিবিআইয়ের এক আধিকারিকের কথায়, সমস্ত দিক থেকেই তাঁরা তদন্ত করছেন। আর ম্যাথু কোন পরিপ্রেক্ষিতে এই স্টিংয়ের পরিকল্পনা করেছিলেন, তাঁর উদ্দেশ্য কী ছিল এবং তাঁকে কেউ এই কাজে ‘এনগেজ’ করেছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। যদি দেখা যায়, ম্যাথু নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য নিয়ে এই কাজ করেছিলেন, তাহলে তাঁর বিপদ যে বাড়঩বে, সেই ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন সিবিআইয়ের ওই কর্তা। এমনকী এফআইআর-এর পর প্রয়োজন পড়লে তাঁর গোপন স্বীকারোক্তিও নেওয়া হতে পারে। সিবিআই চাইছে, তদন্তে যাতে কোনও ফাঁক না থাকে।

উত্তরপ্রদেশ জয়ে উদ্বুদ্ধ বিজেপি এগতে চায় গুজরাতের নির্বাচনও

পাঁচ রাজ্যে লড়াই করে চার রাজ্যেই সরকার গড়ার বিপুল সাফল্যের ঝড় থাকতে থাকতেই গুজরাত, হিমাচল প্রদেশের মতো রাজ্যের ভোট করাতে চাইছে বিজেপি। গুজরাতে নিজেদেরই সরকার। সেখানে ইচ্ছা করলেই ভোট এগিয়ে আনা যায়। কিন্তু হিমাচল প্রদেশে কংগ্রেস সরকার। তাই সেখানে এই কৌশল জোর করে খাটানো যে যাবে না তা বুঝে ভোট এগতে অন্য ব্যবস্থার কথা ভাবা হচ্ছে। সেটি হল মুখ্যমন্ত্রী বীরভদ্র সিং এর বিরুদ্ধে থাকা দুর্নীতির তদন্তগুলিতে নতুন করে গতি আনা। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, দলের গুজরাত শাখা চাইছে ভোট এগিয়ে আনতে। গুজরাত বিধানসভার মেয়াদ সমাপ্ত হচ্ছে আগামী জানুয়ারিতে। অর্থাৎ এই বছরের শেষেই ভোট পর্ব স্থির হয়ে রয়েছে। কিন্তু সেই সময়সীমাকেও আরও এগিয়ে আনতে চাইছে বিজেপি। কারণ একটাই। হাওয়া ধরে রাখা। পাঁচ রাজ্যের ভোটেই স্পষ্ট যে দেশে প্রবল মোদি হাওয়া চলছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়েই আরও একটি বড় রাজ্য দখলের পর্ব সেরে ফেলতে চায় বিজেপি।

অতিরিক্ত ছাত্র ভরতি নিয়ে কলেজে কলেজে দুর্নীতির বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর

টাকার বিনিময়ে বাড়তি পড়ুয়া ভরতি হচ্ছে, তা একসময় স্বীকারই করতে চাননি শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু এখন তিনিই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকা কলেজগুলিতে বাড়তি পড়ুয়া ভরতি নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিলেন। পার্থবাবু বলেন, কোথাও দু’শো সিট, কিন্তু ভরতি হচ্ছে দু’হাজার। এর মূল কারণ দুর্নীতি। এখানে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়েরও গাফিলতি আছে। আমি উপাচার্যকে বলব, এখনই তদন্ত করা উচিত। বিশ্ববিদ্যালয় না করলে, সার্কুলার দিয়ে জানতে চাইব, কোথায় কত আসন রয়েছে।

ei samay

নিরপেক্ষতার প্রশ্ন তুলে আর্জি নারদে

গত সপ্তাহের শেষ কাজের দিনে নারদ মামলায় রায় দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট ৷ পরের সপ্তাহের প্রথম কাজের দিনেই সেই রায় চ্যালেঞ্জ করে আবেদন (এসএলপি) দাখিল করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার ৷ আলাদা করে আবেদন জানিয়েছেন রাজ্যে ক্ষমতাসীন তৃণমূলের  একাধিক নেতা মন্ত্রীও ৷

আড়ি পাতার ভয়ে ফোনে নেই মন্ত্রীরা

ফোনে কেউ কি আড়ি পাতছে ? চারি দিকে ফিসফিস আর সন্দেহের চাউনি ৷ আতঙ্ক ক্রমেই জাঁকিয়ে বসছে রাজ্য প্রশাসনের অন্দরে ৷ ভয়ে অনেক মন্ত্রীও ফোন ধরা বন্ধ করেছেন ৷ খুব পরিচিত লোকেদের সঙ্গে ফোনে কথার সময়েও সতর্ক থাকছেন, পাছে মুখ থেকে বেফাঁস কিছু বেরিয়ে যায় !

নারদে সিবিআই হতেই স্নায়ুযুদ্ধে ম্যাথু ও পুলিশ

‘অসুস্থতা’র কারণ দর্শিয়ে কলকাতা পুলিশের তলব এড়িয়েছিলেন ম্যাথু স্যামুয়েল ৷ নারদ নিয়ে সিবিআই তদন্ত শুরু হতে এবার কলকাতা পুলিশের কাছে হাজিরা এড়ালেন ম্যাথু স্যামুয়েলের গাড়ির চালক রাধাকৃষ্ণণও ৷ বিহারের প্রাক্তন  সাংসদ ডি পি যাদবের কাছে তোলা টেয়ে হুমকির  মামলায় ম্যাথুর গাড়ির চালককে সোমবারই মুচিপাড়া থানায় তলব করা হয়েছিল ৷ এর আগেও তাঁকে একদফা জেরা করেছে পুলিশ ৷

নবান্নে ‘ক্রুটি’ সংশোধনের বার্তা অ্যাপোলো এমডি-র

সঞ্জয় রায়ের মৃত্যুর ঘটনায় তাঁদের পরিষেবায় যে খামতি ছিল, তা নাম না করে কার্যত মেনে নিলেন অ্যাপোলো হাসপাতালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর পৃথা রেড্ডি ৷ সোমবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেন তিনি ৷ এক ঘণ্টা দু’জনের মধ্যে বৈঠক হয় ৷

First published: 09:41:06 AM Mar 21, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर