চিটফান্ডে প্রতারিতদের টাকা ফেরতের দাবিতে বুধবার পথে নামছে তৃণমূল

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Feb 07, 2017 07:46 PM IST
চিটফান্ডে প্রতারিতদের টাকা ফেরতের দাবিতে বুধবার পথে নামছে তৃণমূল
Photo : AFP
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Feb 07, 2017 07:46 PM IST

#কলকাতা: যা ছিল কাঁটা, এবার তাতেই ফুল ফোটাতে চাইছে তৃণমূল। চিটফান্ডে প্রতারিতদের টাকা ফেরতের দাবিতে পথে নামছে শাসক দল। গত ৩ ফেব্রুয়ারি বিধানসভায় পরিষদীয় দলের বৈঠকে এই নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে সিজিও কমপ্লেক্সে বিক্ষোভ দেখাবে তৃণমূল ৷

আগামীকাল বেলা ১২ টায় সিটি সেন্টারের সামনে জমায়েতের পর মিছিল যাবে সিজিও কমপ্লেক্সে ৷ সেখানে চিটফাণ্ডে প্রতারিত আমানতকারীদের টাকা ফেরতের দাবীতে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল হবে তৃণমূলের কর্মী-সদস্যরা ৷

সিবিআই-এর হাতে দলীয় নেতাদের গ্রেফতারি নিয়ে আন্দোলন আরও চড়া করতে এই নয়া অস্ত্রের ব্যবহার। কারণ- কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা বহু কিছু করলেও এখনও পর্যন্ত এক টাকাও ফেরত পাননি আমানতকারীরা। যদিও রাজ্যে সরকার ইতিমধ্যে সারদায় প্রতারিতদের এক বড় অংশকে টাকা ফেরত দিয়েছে।

কেন্দ্রে বিজেপি হোক বা রাজ্যস্তরে বাম-কংগ্রেস। তৃণমূলকে চাপে ফেলতে রাজনৈতিক দলগুলির অন্যতম বড় হাতিয়ার চিটফান্ড। প্রথমে মদন মিত্র এবং তারপর তাপস পাল-সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়দের গ্রেফতারিও বাড়তি রসদ তুলে দিয়েছে বিরোধীদের হাতে। এই পরিস্থিতিতে চিটফান্ডকে হাতিয়ার করেই পালটা আন্দোলনের ছক কষছে তৃণমূল কংগ্রেস। শুক্রবার বিধানসভায় পরিষদীয় দলের বৈঠকে আন্দোলনের রূপরেখা সামনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূলের 'চিটফান্ড' হাতিয়ার ৷ বিভিন্ন চিটফান্ড সংস্থার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি। কিন্তু প্রতারিতদের টাকা ফেরতের সদিচ্ছা নেই কেন্দ্রের। সীমিত ক্ষমতার মধ্যেই প্রতারিতদের ৩০০ কোটি টাকা ফিরিয়েছে রাজ্য সরকার। এবার প্রতারিতদের টাকা ফেরতের দাবিতে পথে নেমে আন্দোলন করবে তৃণমূল কংগ্রেস ৷

ম্যাডাম রোজভ্যালি শুভ্রা কুন্ডু ও ইডি কর্তা মনোজ কুমারের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আসায় তৃণমূলনেত্রী আরও আক্রমণাত্মক।

তৃণমূলের প্রশ্ন, সুদীপ কেন জেলে থাকবে? বাম আমলেই সব চিটফান্ডের জন্ম। রোজভ্যালির জন্ম ত্রিপুরায়। তাহলে মানিক সরকার জেলের বাইরে কেন? সারদা দুর্নীতিতে সুজন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে। তাহলে তাঁকেও ধরা হচ্ছে না কেন?

একসময় চিটফান্ড ইস্যুই ছিল তৃণমূল কংগ্রেসের অস্বস্তি। বছরের পর বছর তদন্ত চালিয়ে সেই অস্বস্তি বাড়াতে গিয়ে এখন পাল্টা চাপে পড়তে চলেছে বিজেপি। টাকা ফেরত না পাওয়ার ইস্যু এখন ব্যুমেরাং হয়ে উঠতে পারে। আর এই অবস্থায় নিজের দলের তিন বিধায়ককেও সতর্ক করেছেন নেত্রী। বিজেপির সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রাখার অভিযোগ উঠেছে এঁদের বিরুদ্ধে।যার মধ্যে বর্ধমান জেলার ২ বিধায়ককে চিহ্নিত করে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখার অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রীর রোষের মুখে পড়তে হয় পূর্ব কলকাতার এক তৃণমূল বিধায়ককেও।

First published: 07:44:39 PM Feb 07, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर