মানসিক বিকার? না নাটক উদয়নের, জানতে ১০ সিসিটিভি ক্যামেরায় নজরদারি

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Feb 09, 2017 07:48 PM IST
মানসিক বিকার? না নাটক উদয়নের, জানতে ১০ সিসিটিভি ক্যামেরায় নজরদারি
Photo : AFP
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Feb 09, 2017 07:48 PM IST

#কলকাতা: তার মানসিক বিকার নিয়ে ইতিমধ্যেই নানা লোকে নানা কথা বলছে। সারাদিন সিসিটিভির নজরে থাকা উদয়নকে কীভাবে জেরা করছেন পুলিশকর্তারা? একা ঘরে কীভাবে কাটাচ্ছে উদয়ন? কী খাচ্ছে? কী খেতে চাইছে? হঠাৎ করে কেন আকাঙ্খার বাবা-মায়ের কাছে ক্ষমা চাইতে ইচ্ছে হল তার?

 উদয়নকে রাখা হয়েছে, জেলার পুলিশ সুপারের অফিসের তিনতলার একটি ঘরে। ঘরটিতে ঢোকা ও বেরনোর জন্য শুধুমাত্র একটি দরজা রয়েছে। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত ওই ঘরে চেয়ারে বসিয়ে এক পুলিশ অফিসার জেরা করে তাকে।

জেরা চলাকালীন সিগারেট খেতেও চায় চেনস্মোকার উদয়ন। টেবলের ওপর রাখা সিগারেটের প্যাকেট থেকে সে একের পর এক সিগারেট বের করে নেয়। জেরা চলাকালীন আধঘণ্টার মধ্যে দশটি সিগারেটে টান দিযেছে উদয়ন। পুরো জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়াই ভিডিও রেকর্ডিংও করা হয়।

উদয়নের জেরা পর্ব

পুলিশ অফিসার: আপনার ব্লেজারগুলি এত ঢোলা কেন?

উদয়ন: জুলাই মাসের আগে পর্যন্ত আমি যথেষ্ট মোটা ছিলাম, আমার চেহারার মাপেই ব্লেজারগুলি কেনা।

পুলিশ অফিসার: আপনি কোনও কাজ করেন না কেন?

উদয়ন: আমার কাজ করতে ভাল লাগে না

পুলিশ অফিসার: এতগুলি খুন করলেন, অনুতাপ হয় না?

উদয়ন: আমি আকাঙ্খার বাবা-মায়ের কাছে ক্ষমা চাই। আমার মা-বাবার কাছেও ক্ষমা চাই। বন্ধুদের কাছেও ক্ষমা চাইছি।

আসলে এমন গল্পের ছলেই উদয়নের কাছ থেকে তথ্য বের করতে হবে বলে বুঝে গিয়েছে পুলিশ। দুপুরে বারবার মাছ-ভাত খাওয়ার দাবি তুলছে উদয়ন। কিন্তু, গলায় কাঁটা ফুটে বিপত্তির আশঙ্কায় তাকে মাছ দিতে নারাজ বাঁকুড়া জেলা পুলিশ।

 বৃহস্পতিবার তার দুপুরের মেনুতে ছিল, ভাত, পটলভাজা, আলুভাজা, বেগুনভাজা, আলুর চোখা, ফুলকপির তরকারি ও ওমলেট।- রিকন্স

বেশিরভাগ সময়ই পায়চারি করতে দেখা যায় উদয়নকে। কখনও কখনও ভেজা তোয়ালে দিয়েও মাথা ঢাকা রাখে সে। রিকন্স- ঘরের ভিতর সে কী করছে তা জানতে, উদয়নকে সবসময়ই দুটি সিসিটিভির আওতায় রাখা হয়েছে।

First published: 07:48:53 PM Feb 09, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर