প্রশ্নফাঁসের চার্জশিট পেশ, টেট নিয়োগ নিয়ে কাটল না ধোঁয়াশা

Akash Misra | News18 Bangla
Updated:Jul 06, 2017 06:25 PM IST
প্রশ্নফাঁসের চার্জশিট পেশ, টেট নিয়োগ নিয়ে কাটল না ধোঁয়াশা
Photo : AFP
Akash Misra | News18 Bangla
Updated:Jul 06, 2017 06:25 PM IST

#কলকাতা: প্রাথমিক টেট ২০১৪-র প্রশ্ন ফাঁস মামলায় আলিপুর আদালতে চার্জশিট পেশ করল লালবাজার। চার্জশিটে প্রাথমিক শিক্ষক মইদুল ইসলাম মোল্লার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। যদিও হোয়াটস্যাপে আট পাতার প্রশ্ন ফাঁসের পদ্ধতি নিয়ে ধোঁয়াশায় পুলিশ। তবে প্রশ্ন কোনও টেট পরীক্ষার্থীর কাছে পৌঁছয়নি। চার্জশিটে দাবি কলকাতা গোয়েন্দা বিভাগের।

এগারোই অক্টোবর দু’হাজার পনেরোর প্রাথমিক টেট পরীক্ষা। পাঁচ হাজার দুশ সেন্টারের প্রায় তেইশ লক্ষ পরীক্ষার্থী। দুপুর দুটো থেকে আড়াই ঘণ্টার পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণ আগে হোয়াটসঅ্যাপ মারফত সংবাদমাধ্যমে খবর ছড়ায় প্রশ্ন ফাঁস হয়ে গিয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করে কলকাতার গোয়েন্দা বিভাগ। প্রশ্ন ফাঁস মামলায় বৃহস্পতিবার আলিপুর আদালতে চার্জশিট দিল পুলিশ। দঃ ২৪ পরগনার এক প্রাথমিক শিক্ষকের মোবাইল থেকে প্রশ্ন ছড়িয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে চার্জশিটে। কীভাবে ওই প্রাথমিক শিক্ষক আট পাতার প্রশ্ন সংগ্রহ করলেন তা চার্জশিটে স্পষ্ট করা হয়নি।

প্রশ্ন ফাঁসে তদন্ত

হেলিয়াগাছি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মইদুল ইসলাম মোল্লা

- তাঁর মোবাইল থেকেই ৮ পাতার প্রশ্ন যায় সংবাদকর্মীদের মোবাইলে

- ওই দিন স্কুল শিক্ষা সচিবের কাছেও প্রশ্ন পৌঁছয়

- তদন্তে ১৮ জনকে সাক্ষী করা হয়

- সংশ্লিষ্ট সংবাদকর্মী ও ওই শিক্ষকের মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়

- সাক্ষী করা হয় তৎকালীন স্কুল শিক্ষা সচিব অর্ণব রায়কে

তদন্তে দু’টি দিক উঠে আসে।

তদন্তে ধোঁয়াশা

----------------

- দুপুর ১ টার কিছুক্ষণ পর প্রশ্ন পৌঁছয় শিক্ষা সচিবের মোবাইলে

- হায়দরাবাদের পিএফএসএল রিপোর্টে অন্য তথ্য

- রিপোর্ট বলছে, সকাল ৮টা ১০ মিনিটে মোবাইলে পৌঁছয় প্রশ্নপত্র

-হেলিয়াগেছি-সহ ওই অঞ্চলের প্রশ্ন বিলি ডায়মণ্ডহারবার ট্রেজারি হাউস থেকে

- সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষাকেন্দ্রগুলির উদ্দেশে প্রশ্ন বিলি শুরু

- দুপুর ১ টায় পরীক্ষার্থীরা কেন্দ্রের মধ্যে ঢুকে যান

- তাই এসডিএল সিরিজের প্রশ্ন পরীক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছয়নি

- চার্জশিটে দাবি করেছে পুলিশ

ইতিমধ্যে বিয়াল্লিশহাজার প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে। নিয়োর্গের শর্ত ছিল এই মামলার ভবিষ্যতের উপর চাকরির ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে। এখনই প্রাথমিক শিক্ষকদের নিয়োগে ভয় বা আশঙ্কা না থাকলেও হাইকোর্ট বা সুপ্রিম কোর্ট যদি পরীক্ষা বাতিল করে দেয় সেক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে।

হোয়াটস্যাপ মারফত প্রশ্ন ছড়ানোর পর প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য কলকাতা পুলিশে অভিযোগ করেন। তার ভিত্তিতেই তদন্ত করে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ। চার্জশিটে প্রাথমিক শিক্ষক মইদুল ইসলাম মোল্লার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অভিযোগ আনা হয়েছে। বিচারপতি অরিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের এজলাসে দু’সপ্তাহ পর মামলার শুনানি।

First published: 06:25:05 PM Jul 06, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर