মানুষ না চাইলে জোর করে জমি অধিগ্রহণ করা হবে না: মুখ্যমন্ত্রী

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Jan 17, 2017 07:12 PM IST
মানুষ না চাইলে জোর করে জমি অধিগ্রহণ করা হবে না: মুখ্যমন্ত্রী
Photo : AFP
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Jan 17, 2017 07:12 PM IST

#ভাঙড়: দিনভর দফায় দফায় সংঘর্ষে উত্তপ্ত ভাঙড় ৷ পাওয়ার গ্রিডের কাজ বন্ধের দাবিতে চলল বিক্ষোভ, প্রতিরোধ, অবরোধ ৷ পরিস্থিতি হাতের বাইরে যাওয়ার আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, মানুষের অনিচ্ছায় কোনও জমি অধিগ্রহণ করা হবে না ৷

ভাঙড়ে কৃষিজমির চরিত্রের কোনও বদল হচ্ছে না। সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। পাওয়ার গ্রিড প্রকল্পের কাজ বন্ধের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। আলোচনার রাস্তা খোলা বলেই বিক্ষোভকারীদের স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে রাজ্য। পরিস্থিতি নিয়ে নবান্নে দফায় দফায় বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী সাধারণ মানুষকে আশ্বস্ত করে বলেন, ‘মানুষ না চাইলে জোর করে জমি অধিগ্রহণ করা হবে না।’ একইসঙ্গে সাবস্টেশন অন্য জায়গায় নির্মাণ করার ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, ‘দরকার হলে পাওয়ার গ্রিড অন্য কোথাও করা হবে ৷’ ভাঙড়কাণ্ডের রিপোর্ট তলব করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

ভাঙড়ে কোনওরকম উত্তেজনা চায় না রাজ্য সরকার। এবার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে এলাকার জমির চরিত্রই না বদলানোর সিদ্ধান্ত নিল নবান্ন।

- ভাঙড়ে জমির চরিত্র পরিবর্তন নয়

- কৃষিজমির চরিত্রও বদল করা হবে না

- একইসঙ্গে বন্ধ করা হল পাওয়ার গ্রিড প্রকল্পের কাজও

মঙ্গলবার সকাল থেকেই পরিস্থিতি ছিল অগ্নিগর্ভ। পরিস্থিতি নিয়ে সারাক্ষণই খোঁজ নিচ্ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে ফোন করে ভাঙড়ের পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ সাবস্টেশন তৈরির কাজ বন্ধ ঘোষণার পরেও কেন উত্তেজনা? শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের কাছে তা জানতে চান মুখ্যমন্ত্রী ৷

mamata banerjee tweet

ভাঙড় এলাকার সাধারণ মানুষের দাবিকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে কাজ্য সরকার। সেই বার্তা পৌঁছে দিতেই সোমবার প্রকল্পের কাজ স্থগিত রাখার ঘোষণা করে রাজ্য। ভাঙড়ের পরিস্থিতি নিয়ে নবান্নে দফায় দফায় বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। একইসঙ্গে প্রশাসনকেও গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেন,

- ভাঙড়ের পরিস্থিতি যেন নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়

- পুলিশকে গুলি না চালানোর নির্দেশও দেন মুখ্যমন্ত্রী

- মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী

- পরিস্থিতির ওপর লাগাতার নজরদারির নির্দেশও দেওয়া হয়

- ঘটনা নিয়ে রিপোর্ট তলব করেছেন মুখ্যমন্ত্রী

- ইতিমধ্যেই প্রাথমিক রিপোর্ট মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পৌঁছছে

- জেলাশাসকের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন মুখ্যসচিব

- রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে বিদ্যুৎ সচিবের কাছেও

স্থানীয় বিধায়ক, মন্ত্রী রেজ্জাক মোল্লাকে এলাকায় যাওয়ার নির্দেশ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দলনেত্রীর নির্দেশে এলাকায় যান মুকুল রায়ও। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম আন্দোলনে যে কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়ে বামফ্রন্টের ৩৪ বছরের শাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতায় আসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, দিন শেষে সেই কৃষকদের আশ্বস্ত করেই এল নবান্নের সিদ্ধান্ত ৷

First published: 07:12:27 PM Jan 17, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर