সাংসদ কোটায় ফর্ম চুরি, ‘দোলা সেনে’র পরিচয় জানতে চেয়ে চিঠি কুণালের

May 16, 2017 08:18 PM IST | Updated on: May 16, 2017 08:41 PM IST

#কলকাতা:  স্কুলে ভর্তি নিয়ে এবার  অভিযোগের আঙুল তুললেন কুণাল ঘোষ ৷ সাংসদ কোটায় কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে ফর্ম চুরির অভিযোগ তুলে আদালতে অভিযোগ করলেন কুণাল ঘোষ ৷ কুণাল ঘোষের কথায়, কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য সাংসদরা বছরে ১০টি আসনের কোটা পান। এর সুপারিশের জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম আছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে কোনও সাংসদকে সেই চিঠি পাঠানো হয়।

সেই ফর্মই পাচ্ছিলেন না সাংসদ কুণাল ঘোষ। কুণাল জানা, মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকে চিঠিও দেন তিনি। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় অফিস থেকে ফোন আসে কুণাল ঘোষের কাছে। তাঁকে জানানো হয়, দোলা সেন নামে একজন ফর্মটি তুলেছেন সাংসদকে দেওয়ার নাম করেই ৷ এই ঘটনা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন কুণাল ঘোষ ৷

পুরো বিষয়টি নিয়ে ফেসবুকেও একটি পোস্ট করেন কুণাল ৷ ফেসবুকে তিনি লেখেন,

এরকমও হয় !!

........................

কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য সাংসদরা বছরে 10টি আসনের কোটা পান। এটি যেকোনও চিঠিতে সুপারিশ করা যায় না। নির্দিষ্ট ফর্ম আছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে সেটি পাঠানো হয় সাংসদকে।

গতবছরেও জেল থেকেই এই সুপারিশপত্র পাঠিয়েছিলাম। কাজও হয়েছিল।

বহু পরিবার বহু সমস্যায় পড়ে সাহায্য চান। এবারও বহু অনুরোধ পেয়েছি। সবার অনুরোধ রাখা সম্ভব নয়। কারণ কোটা 10 টি।

এবার এতদিনেও ফর্ম পাচ্ছিলাম না। এদিকে বহু উদ্বিগ্ন পরিবার যোগাযোগ করছেন বারবার। আমার কাছে সদুত্তর নেই। নিজেও অস্বস্তিতে। ভর্তির মরশুম চলে যাচ্ছে।

শেষ পর্যন্ত কদিন আগে চিঠি দিলাম কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রীকে। বক্তব্য , আমার ফর্ম পাচ্ছি না।

আজ সকালে দিল্লির কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় অফিস থেকে ফোন পেলাম। এক আধিকারিক জানালেন আমার ফর্ম দেওয়া হয়ে গেছে। গত 23/3/17 এক মহিলা আমার নাম করে আমার তরফে এবং আমাকে দেবেন বলে ফর্মটি তুলে নিয়েছেন। এখন আমার চিঠি পেয়ে তাঁরা বুঝেছেন ফর্মটি আমি পাইনি।

আধিকারিক খুব বিনয়ের সঙ্গে জানালেন যে এমনটি হতে পারে, তা তাঁরা ভাবতে পারেন নি।

তিনি নথি দেখে জানালেন যে মহিলা আমার হয়ে ফর্মটি তুলে নিয়েছেন, তাঁর নাম দোলা সেন। বারবার তিনি এই নামটি বলেছেন।

যদিও ইনি ঠিক কোন দোলা সেন, সেটা আমি ঠিক বুঝতে পারছি না।

এরপর বিষয়টি তদন্তের কারণে তিনি দোলা সেনের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন বলে জানান।

আমার বক্তব্য, এটা যিনি করে থাকুন, অন্যায় করেছেন। পুরো তদন্ত চাই।

ওই ফর্মটিকে উদ্ধার করতেই হবে। ওটিতে যেন কোনও সুপারিশ না হয়। ফর্ম যদি জমা পড়ে এবং তাতে আমার সই থাকে, তাহলে সেটি হবে জাল।

আমার নাম করে তোলা ফর্ম আমাকে দেওয়া হয় নি।

দুপুরে একটু আগে আধিকারিকটি আবার ফোন করেন। বিষয় সবটা লিখছি না। তদন্ত চলছে। আমাকে তাঁরা আমার ফর্মটি নতুন করে পাঠাচ্ছেন।

আমি গোটা বিষয়টিতে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরে চিঠি দিচ্ছি।

কে এই দোলা সেন, তাঁকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিক দপ্তর। কারণ ঘটনাটি উদ্বেগজনক এবং অপরাধমূলক।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES