গতি বাড়ছে শহরের, আগের থেকে এখন ১৯ শতাংশ দ্রুতগামী কলকাতা

May 11, 2017 07:56 PM IST | Updated on: May 11, 2017 07:56 PM IST

#কলকাতা: গতি বাড়ছে শহরের। আগের বছরের থেকে একলাফে প্রায় উনিশ শতাংশ বেড়েছে কলকাতার গড় গতিবেগ। একটি বেসরকারি সংস্থার সমীক্ষাতেই বেরিয়ে এসেছে এই তথ্য। কিছু সমস্যা কাটানো গেলে শহরের গতি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

অফিস টাইমে জ্যাম। অথবা সিগনালের জটে আটকে বাস, অটো বা ট্যাক্সি। যাত্রীদের বারবার বিরক্তিপ্রকাশ। কলকাতায় যান যন্ত্রণার এমন ছবি এবার অনেকটাই অতীত। কেন? একটি বেসরকারি সংস্থার সমীক্ষা বলছে, কলকাতার গড় গতিবেগ বেড়েছে প্রায় উনিশ শতাংশ।

গতি বাড়ছে শহরের, আগের থেকে এখন ১৯ শতাংশ দ্রুতগামী কলকাতা

বাড়ছে কলকাতার গতি

২০১৪ সালে কলকাতার গড় গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১৪ কিমি

২০১৫ সালে শহরের গড় গতিবেগ ঘণ্টায় দাঁড়ায় ১৭ কিমি

২০১৬ সালে কলকাতার গড় গতিবেগ বেড়ে হয়েছে ২০.৩ কিমি

 কলকাতার রাস্তায় দৈনিক যাতায়াত করেন এমন ৫০ লক্ষ মানুষের ওপর সমীক্ষা চালিয়েছে ওই বেসরকারি সংস্থাটি। তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগ মানুষই জিপিএস প্রযুক্তি ব্যবহার করেন। তাতেই ধরা পড়েছে শহরের এই গতিবৃদ্ধির ছবিটা। কিন্তু, কোন মন্ত্রে মিলল এমন সাফল্য?

কীভাবে বাড়ল শহরের গতি?

- চওড়া হয়েছে বাইপাসের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা

- চালু হয়েছে গড়িয়াহাট ও মা উড়ালপুল

- ফলে, আগের থেকে প্রায় ১৩% রাস্তা বেড়েছে শহরে

- ওলা বা উবেরে যাতায়াতের প্রবণতা বেড়েছে

- মেট্রো রেলে যাতায়াতের প্রবণতাও অনেকটা বেড়েছে

- এসি ও নন এসি মিলে শহরে প্রায় ১,৮০০ সরকারি বাস চলে

- তাতে যাতায়াতের প্রবণতাও বেড়েছে

- ফলে রাস্তায় প্রাইভেট গাড়ির সংখ্যা অনেক কম

 তবে এখনও কয়েকটি জায়গায় সমস্যা রয়েই গিয়েছে। তার জেরেই শহরের স্পিডোমিটার তেমন ভাবে বা়ডছে না। ফুটপাথ বা রাস্তা দখল করে রাখায় সরু হচ্ছে রাস্তা। তার জেরেই কমছে কলকাতার গতি। শহরের সেন্ট্রাল বিজনেস ডিস্ট্রিক্টে এমন কিছু রাস্তাই কমিয়ে দিচ্ছে গতি। এমন সমস্যা রয়েছে,

- এমজি রোড-সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ ক্রসিং এলাকায়

- ডিএল খান রোড- এজেসি বোস রোড ক্রসিংয়েও ধীরগতিতে চলে গাড়ি

- বালিগঞ্জ সার্কুলার রোড-গড়িয়াহাট রোড ক্রসিংয়ের ছবিটাও একইরকম

- রাসবিহারী অ্যাভিনিউ-শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি রোড ক্রসিংয়েও অনেক আস্তে আস্তে চলে যানবাহন।

সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারলে কলকাতার গতি রাজধানীর কাছাকাছি হয়ে উঠবে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রিপোর্ট- আবীর ঘোষাল

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES