NRS-এ রোগীমৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, খবর সংগ্রহে করতে গিয়ে জুনিয়র ডাক্তারদের হাতে আক্রান্ত সাংবাদিক

Jan 28, 2017 08:44 AM IST | Updated on: Jan 28, 2017 03:04 PM IST

#কলকাতা: ফের রণক্ষেত্র NRS হাসপাতাল ৷ ইটিভি নিউজ বাংলার সাংবাদিকদের ওপর এনআরএসের জুনিয়র ডাক্তারদের উন্মত্ত হামলা। শুক্রবার, এনআরএসে রোগীমৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়। সেই খবর সংগ্রহ করতে গিয়েই আক্রান্ত হন ইটিভি নিউজ বাংলার সাংবাদিক সুকান্ত মুখোপাধ্যায় ও চিত্র সাংবাদিক পিন্টু সরকার। গালিগালাজ মারধরের পাশাপাশি ভেঙে দেওয়া হয় ক্যামেরা। কেড়ে নেওয়া হয় বুম।

জানা গিয়েছে, শুক্রবার ফের রোগী মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় হাসপাতালে ৷ অভিযোগ, মৃতের পরিবারের সদস্যদের মারধর করেন দুই জুনিয়র ডাক্তার সেই খবর সংগ্রহ করতে যান সাংবাদিক সুকান্ত মুখোপাধ্যায় ৷ সঙ্গে ছিলেন চিত্র সাংবাদিক পিন্টু সরকার ৷ সেই সময় তাদের উপর আচমকা চড়াও হয় জুনিয়র ডাক্তাররা ৷ মাটিতে ফেলে মারধর করা হয় সাংবাদিকদের বলে অভিযোগ ৷

NRS-এ রোগীমৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, খবর সংগ্রহে করতে গিয়ে জুনিয়র ডাক্তারদের হাতে আক্রান্ত সাংবাদিক

গলায় স্টেথো। অথচ হাত উঠেছে ঘুসি মারার জন্য। ভবিষ্যতের ডাক্তার। অথচ চোখেমুখে হিংসার ছাপ স্পষ্ট। মুখে ডাক্তারি পরামর্শের বদলে অশ্রাব্য গালিগালাজ।  শুক্রবার এই ছবিই তুলে ধরলেন এনআরএসের জুনিয়র ডাক্তাররা। কেন?

কিন্তু, ছবি তোলা না পসন্দ ছিল বীরপুঙ্গবদের। তাই আমাদের দুই সহকর্মীর জন্য প্রহারেণ ধনঞ্জয়ের নিদানই দেন ভবিষ্যতের চিকিৎসকরা। তাঁদের এমার্জেন্সির ভিতরে টেনে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশের সামনেই মাটিতে ফেলে চলে বেধড়ক মার। হস্টেলে টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টাও করা হয়। মরিয়া হয়ে প্রাণ বাঁচাতে পুলিশের কাছে দৌড়ে যান আমাদের দুই সহকর্মী।

ততক্ষণে অবশ্য চ্যানেলের বুম ও ক্যামেরার লাইট কেড়ে নেওয়া হয়। এন্টালি থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলেও শুরু হয় অসহযোগিতা। অনেক গড়িমসির পর, শেষপর্যন্ত সাধারণ ডায়েরি নেওয়া হয়। কয়েকজন হামলাকারীকে চিহ্নিত করা গিয়েছে। ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা বিশাল শ্রীবাস্তব (চশমা পরা, হালকা নীল গেঞ্জি) ও হলদিয়ার বাসিন্দা অভিষেক নাহা (সাদা টি শার্ট)-কে স্পষ্ট দেখা গিয়েছে ওই হামলায়।

এনআরএস-এ জুনিয়র ডাক্তারদের মেন্টাল কাউন্সেলিং না কি কর্তৃপক্ষের কড়া পদক্ষেপ? কোন দাওয়াই এই অসুস্থ মানসিকতায় লাগাম পরােত পারবে? প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES