প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য, নোট বাতিলের সময় এইভাবেও সাদা হয়েছে বিপুল পরিমাণ কালো টাকা

Jul 16, 2017 08:29 AM IST | Updated on: Jul 16, 2017 08:35 AM IST

#কলকাতা: নোট বাতিলের সময় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগসাজেশে কালো টাকা সাদা করেছিলেন উচ্চ-পদস্থ আয়কর কর্তারা। আয়করকর্তা তাপস দত্তকে জেরা করে তেমনই তথ্য উঠে এল। কলকাতার বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল ধৃত আয়কর কর্তার। হাওয়ালা ও ভুয়ো কোম্পানি খুলেও প্রচুর টাকা চালান করেন। শনিবার ধৃত আয়কর কর্তার ঘনিষ্ঠ বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে জেরা করল সিবিআই।

নোট বাতিলের সময় ব্যবসায়ীদের কালো টাকা সাদা করেছিলেন বেশ কয়েকজন শীর্ষ আয়কর কর্তা। এই চক্রের অন্যতম অংশ ছিলেন রাঁচির আয়কর দফতরের প্রিন্সিপাল কমিশনার তাপস দত্ত। সেই সময় কমিশন বাবদ পাওয়া টাকা ঘুরপথে অন্য জায়গায় লগ্নিও করেছেন তাপসবাবু। এই কাজে সাহায্য নেন ঘনিষ্ঠ কয়েকজন ব্যবসায়ীর।

প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর তথ্য, নোট বাতিলের সময় এইভাবেও সাদা হয়েছে বিপুল পরিমাণ কালো টাকা

ধৃত আয়কর কর্তার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ শহরের কিছু ব্যবসায়ীর ৷ ব্যবসায় টাকা লাগানোর কাজ করতেন এরা ৷ এদের মাধ্যমেও বিভিন্ন প্রকল্পে টাকা ঢালেন আয়কর কর্তা ৷ আবাসন থেকে বস্ত্র ব্যবসায় লগ্নি করেন ৷ হাওয়ালার মাধ্যমে টাকা চালানেও সাহায্য এই ব্যবসায়ীদের ৷

আয়কর কর্তা লগ্নি ও টাকা চালানের বিষয়ে জানতে শনিবার বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে জেরা করে সিবিআই। এদের মধ্যে ছিলেন বিশ্বনাথ আগরওয়াল। আলিপুরের আয়কর কর্তার ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন এই ব্যবসায়ী। দীর্ঘ ৬ ঘণ্টা ধরে জেরা করা হয় বাইপাসের শপিং মলের কর্ণধারকেও। জেরায় পাওয়া তথ্য যাচাইয়েও ঝাঁপিয়েছে সিবিআই। শনিবার এক ব্যবসায়ীকে নিয়ে সোদপুরের একটি বাড়িতেও তল্লাশি চালান তদন্তকারীরা।

নোট বাতিলের সময় অপ্রচুর অঘোষিত সম্পত্তি উদ্ধার করেছিল আয়কর দফতর। সিবিআইয়ের একটি সূত্র জানাচ্ছে, এর মধ্যে মাত্র ২০ থেকে ৩০

শতাংশই সরকারের কাছে জমা পড়েছে। নিজের পদের প্রভাব খাটিয়ে তা কখন সাদা করেছেন আয়কর কর্তারা। কখনও আবার হাওলার মাধ্যমে

পাচার করা হয়। তাপস দত্তকে গ্রেফতারের দিনেই আয়কর কর্তাদের সেই চক্রের কথা শোনা গিয়েছিল। সিবিআই তদন্তেও ক্রমশ

স্পষ্ট হচ্ছে সম্ভাবনা।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES