ডিভোর্স দিতে না চাওয়ায় স্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি সোশ্যাল সাইটে পোস্ট করল স্বামী

Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Jun 28, 2017 11:56 AM IST
ডিভোর্স দিতে না চাওয়ায় স্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি সোশ্যাল সাইটে পোস্ট করল স্বামী
Photo : AFP
Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Jun 28, 2017 11:56 AM IST

#কলকাতা: সোশ্যাল সাইটে পরিচয়। তা থেকেই প্রেম এবং বিয়ে। পরে সম্পর্কে ছন্দপতন। ডিভোর্স দিতে চাপ স্বামীর। রাজি না হওয়ায় স্ত্রীর ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি পোস্ট সোশ্যাল সাইটে। প্রতিশোধ নিতেই একাজ। অভিযোগ তরুণীর। সম্মান বাঁচাতে পুলিশে অভিযোগ জানালেও এখনও সুরাহা পাননি তিনি।

২০১৫-য় কলকাতার এক তরুণীর সঙ্গে ফেসবুকে আলাপ পূর্ব মেদিনীপুরের কোলাঘাটের যুবক রবীন্দ্রনাথ প্রামাণিকের। দেড় মাসের মধ্যে দু'জনের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়। ওই তরুণীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন রবীন্দ্রনাথ। দুই পরিবারের সম্মতিতে, মাত্র মাস তিনেকের মধ্যে রেজিস্ট্রি ম্যারেজ হয় তাঁদের।

এই পর্যন্ত সব ঠিকঠাকই ছিল। গোল বাঁধল এরপর। অভিযোগ, তরুণীর সঙ্গে সম্পর্ক ছাড়ার জন্য আত্মহত্যার হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেল করতে শুরু করেন ওই যুবক। এরপর কোলাঘাটে রবীন্দ্রনাথের বাড়ি যান ওই তরুণী। দিন দশেক পর দু'জনের ধর্মীয় রীতিনীতি মেনে বিয়ে হয়। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই সম্পর্কের ছন্দপতন।

তরুণী জানতে পারেন, তাঁর স্বামীর সঙ্গে আরও অনেক মহিলার সম্পর্ক রয়েছে। প্রতিবাদ করলে শুরু হয় গালিগালাজ, মারধর। কোলাঘাট থানায় অভিযোগ জানালে, পুলিশের পরামর্শে কলকাতায় বাপের বাড়ি ফিরে আসেন ওই তরুণী। শুরু হয় বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা। প্রতিশোধ নিতে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপে স্ত্রীর নগ্ন ছবি পোস্টের অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। বাবা, আত্মীয়স্বজন, গৃহশিক্ষকের কাছে ছবি পোস্টের অভিযোগ করেছেন তরুণী।

ইটিভির কাছে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্টের কথা স্বীকার করলেও, স্ত্রীর আচরণ নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন অভিযুক্ত রবীন্দ্রনাথ প্রামাণিক।

প্রতিকার চেয়ে কলকাতা পুলিশের সাইবার ক্রাইমে অভিযোগ জানান তরুণী। কোলাঘাট থানাতেও লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। কিন্তু, পুলিশের তরফে এখনও কোনও সাহায্য পাননি বলে অভিযোগ তাঁর।

সোশ্যাল মিডিয়ার ফাঁদে পড়ে এর আগেও বহু তরুণী প্রতারিত হয়েছেন। বন্ধুত্বের মাশুল গুণতে হয়েছে তাঁদের। অবস্থার যে পরিবর্তন হয়নি, আরও একবার তার প্রমাণ মিলল।

First published: 11:56:44 AM Jun 28, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर