আবেগজনিত অসাম্য থেকেই আত্মহত্যা করেছিল শ্রেষ্ঠা, দাবি বিশেষজ্ঞদের

Apr 19, 2017 10:26 AM IST | Updated on: Apr 19, 2017 10:26 AM IST

#কলকাতা: প্রিয় বন্ধুর সঙ্গে ঝামেলার জেরে আত্মঘাতী ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী। সুইসাইড নোটে আত্মহত্যার কারণও লিখে গেছে শ্রেষ্ঠা দে। লেখা রয়েছে পরিবারের প্রতি তাঁর ভালবাসার কথাও।  আবেগজনিত অসাম্য থেকেই এই ঘটনা বলে দাবি মনোবিদদের। শিশুদের মনের কষ্ট দূর করার ক্ষেত্রে পরিবারের ভূমিকা গুরুতূপূর্ণ বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের।

সুইসাইড নোটে লেখা ছিল- ‘প্রিয় বান্ধবী...র জন্য পৃথিবী থেকে চলে যাচ্ছি। আমাকে সবাই ঠকিয়েছে। আমি চলে গেলে সবার ভাল হয়। মা-বাবা ভাল থেকো। দিদির বিয়েতে থাকতে পারব না। ওপর থেকে দেখব।’

আবেগজনিত অসাম্য থেকেই আত্মহত্যা করেছিল শ্রেষ্ঠা, দাবি বিশেষজ্ঞদের

আত্মহত্যার আগে সুইসাইড নোটে এই কথাগুলিই লিখে গেছে শ্রেষ্ঠা দে। যোধপুর গার্লসের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী শ্রেষ্ঠা। প্রিয় বান্ধবীর সঙ্গে ঝামেলার জন্যই আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত এগারো বছরের মেয়েটির।

শুধু বান্ধবী নয়। সমাজ ও আশপাশের মানুষের উপরও শ্রেষ্ঠার যথেষ্ট অভিমান ছিল। একইসঙ্গে পরিবার, বিশেষ করে দিদির প্রতি তাঁর ভালবাসার কথাও রয়েছে ছোট্ট শ্রেষ্ঠার লেখা সুইসাইড নোটে। তবে এগারো বছরের ছোট্ট মেয়েটির এত অভিমানের কারণ কী? কেনই বা এক কম বয়সে নিজেকে শেষ করে দিল ক্লাস সিক্সের মেয়েটি?

কিভাবে আবেগজনিত অসাম্য থেকে শিশুদের দূরে রাখা যায়? তারও উপায় জানিয়েছেন পেরেনটিং কনসালটেন্টরা।

- শিশুদের দুঃখ-কষ্ট দূর করতে হবি খুবই কার্যকর

- ছবি আঁকা, গান শেখা বা খেলাধূলা

- নিজেই নিজের কাউন্সেলিং করা যায়

তবে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ পরিবারের অন্য সদস্যদের উদ্যোগী হওয়া।

শ্রেষ্ঠার মত স্কুলপড়ুয়ার আকালে চলে যাওয়ার দায় সমাজেরও। পরিবার বা বন্ধুদের সঙ্গে দুঃখ ভাগ করে না নেওয়াতেই এই পরিণতি বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES