হলদিয়ায় গুলিবিদ্ধ ছাত্রীর অবস্থা স্থিতিশীল, ৪৮ ঘণ্টা কড়া পর্যবেক্ষণে করিশ্মাকে

Akash Misra | News18 Bangla
Updated:Jan 22, 2017 10:42 AM IST
হলদিয়ায় গুলিবিদ্ধ ছাত্রীর অবস্থা স্থিতিশীল, ৪৮ ঘণ্টা কড়া পর্যবেক্ষণে করিশ্মাকে
Photo : AFP
Akash Misra | News18 Bangla
Updated:Jan 22, 2017 10:42 AM IST

#হলদিয়া: হলদিয়ায় গুলিবিদ্ধ ছাত্রীর অবস্থা স্থিতিশীল ৷ ৪৮ ঘণ্টা কড়া পর্যবেক্ষণে রাখা হবে তাঁকে ৷ সিটিভিএস বিভাগে রাখা হয়েছে হলদিয়ার গুলিবিদ্ধ ছাত্রী কাশ্মিরা খাতুনকে ৷ বাইপাসের ধারে বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি ৷  শনিবার বাড়িতে পড়াশোনার সময় গুলিবিদ্ধ হয় এই ছাত্রী ৷

নিজের বাড়িতে পড়তে বসে গুলিবিদ্ধ এক ছাত্রী। জানলার বাইরে থেকে গুলি করে চম্পট দুষ্কৃতীর। গুরুতর অবস্থায় ওই ছাত্রীকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করানো হয়েছে। হলদিয়ার সূতাহাটার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পারিবারিক শত্রুতা নাকি সম্পর্কের টানাপোড়েনে হামলা? তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

পাঁশকুড়ার একটি মাদ্রাসায় নবম শ্রেণিতে পড়ে করিশমা খাতুন। সেখানে হস্টেলে থেকে পড়াশোনা করে সে। দু’দিন আগে হলদিয়ার সূতাহাটা থানার রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাড়িতে আসে। চারদিনের ছুটি কাটাতেই করিশমার বাড়িতে আসা। গতকাল সন্ধেয় নিজের বাড়িতে স্কুলের পড়াশোনা করছিল ছাত্রীটি। রাত সাড়ে আটটা নাগাদ, আচমকা গুলির শব্দ শুনতে পান বাড়ির লোকজন। ঘরে এসে দেখেন মেয়ে বিছানায় লুটিয়ে পড়েছে। রক্তে ভেসে যাচ্ছে বিছানা। অভিযোগ, জানলার বাইরে থেকে গুলি চালায় দুষ্কৃতী। করিশমার বুকের বাঁ দিকে গুলি লাগে। গুলি চালিয়েই গা ঢাকা দেয় দুষ্কৃতী। গুরুতর অবস্থায় ওই ছাত্রীকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় রাতেই তাকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করানো হয়। করিশমার বাবা কায়েম মল্লিক পেশায় ঠিকাদার। পাশাপাশি তৃণমূলের একজন সক্রিয় কর্মী। তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত থাকায় মেয়ের উপর হামলা হয়েছে। তবে পুরনো শত্রুতা নাকি সম্পর্কের টানাপোড়েনের জেরে এই ঘটনা ঘটেছে, তা নিয়ে ধন্ধে রয়েছে পুলিশ। অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্তের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় নাকাবন্দি করে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এদিকে, বাড়িতে ঢুকে ছাত্রীকে গুলি করার ঘটনায় শিল্প শহরের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

First published: 10:42:56 AM Jan 22, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर