হাইকোর্টের রায়ের পর পাহাড়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার এখন উভয় সংকট

Jun 16, 2017 07:27 PM IST | Updated on: Jun 16, 2017 07:28 PM IST

#দার্জিলিঙ:  পাহাড়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার এখন উভয় সংকট। অনির্দিষ্টকালের জন্য বনধ ডেকে রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে মোর্চা। যাদের ভরসায় এতবড় ঝুঁকি নেওয়া, সেই কেন্দ্রও মুখ ফিরিয়েছে। হাওয়া বুঝে সুর পালটাতে হয়েছে রাজ্য বিজেপিকেও। ত্রিপাক্ষিক বৈঠক অনিশ্চিত, জিটিএ নির্বাচনও বিশ বাঁশ জলে। আপাতত মুখরক্ষার উপায় খুঁজতে সেই রাজ্যই ভরসা বিমল গুরুংদের।

আবেগ নিয়ে রাজনীতি করতে যাওয়ার কৌশল বুমেরাং হয়েছে। এখন পাহাড় নিয়ে মুখরক্ষার উপায় খুঁজতে হচ্ছে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চাকে।

হাইকোর্টের রায়ের পর পাহাড়ে গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার এখন উভয় সংকট

File Picture

কেন্দ্রের ভরসাতেই পাহাড় নিয়ে অনড় ছিলেন বিমল গুরুং। রাজ্যে বিজেপি নেতৃত্বের কাছে দরবার, সাংসদ থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ধরণা - কিছুই বাদ যায়নি। তাতে অবশ্য লাভের লাভ কিছু হয়নি।

রোশন গিরির সঙ্গে বৈঠকে নির্দিষ্ট আশ্বাস দেননি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ৷ পাহাড় নিয়ে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকও আপাতত অনিশ্চিত ৷ পাহাড়ে আইন-শৃঙ্খলায় আপস চাইছে না কেন্দ্র ৷ সেই বার্তা পেয়ে সুর বদলেছে রাজ্য বিজেপিও ৷ পাহাড় নিয়ে রাজ্য বিজেপির দুই নেতাকে তলব করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি ৷ তবে এখানেও মোর্চার আশাবাদী হওয়ার জায়গা নেই ৷

জিটিএ-র ক্ষমতা ধরে রাখতেই প্রথম থেকেই মরিয়া মোর্চা নেতৃত্ব। গত ৮ জুন পাহাড়ে তাণ্ডবের পর জিটিএ-র সচিবকে সরানো হয়। এতে আরও চাপ বাড়ে মোর্চার,

২ অগস্টের মধ্যে জিটিএ-তে নির্বাচন পর্ব সেরে ফেলার ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

জিটিএ সহ পাহাড়ের ৩ পুরসভার অডিট চলছে

সেই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আনা হবে

রিপোর্টে আর্থিক তছরুপ ধরা পড়লে পাহাড়েও জনসমর্থন হারানোর সম্ভাবনা

গণ্ডগোলে অভিযুক্ত নেতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার ইঙ্গিত দিয়েছে প্রশাসন

শুক্রবার হাইকোর্টের রায়ের পর আর দীর্ঘদিন বনধ চালানো সম্ভব নয়। এটা মোর্চা নেতারাও জানেন। তাই যে কোনও একটা সমঝোতায় পৌঁছতে তাঁরাও মরিয়া। কিভাবে সেটা হবে, তা স্থির করাই এখন চ্যালেঞ্জ বিমল গুরুংদের। পাহাড়ের রাজনীতির রাশ হাতে রাখতে গিয়ে এখন জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে মোর্চা নেতৃত্ব।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES