রবিবার মরসুমের প্রথম ইলিশ নিয়ে ডায়মন্ড হারবার এলাকায় ট্রলার ভেড়ালেন মৎস্যজীবীরা

Jun 18, 2017 03:28 PM IST | Updated on: Jun 18, 2017 03:28 PM IST

#কাকদ্বীপ: মরশুমের প্রথম শিকারে গিয়ে সামান্য ইলিশ নিয়েই ফিরতে হয়েছে তাঁকে। রবিবার মরসুমের প্রথম ইলিশ নিয়ে ডায়মন্ড হারবার, রায়দিঘি, কুলপি, কুলতলি, নামখানায় ট্রলার ভেড়ালেন মৎস্যজীবীরা। কিন্তু হতাশ তাঁদের অনেকেই। কারও ষাট কেজি, কারও মেরে কেটে এক কুইন্ট্যাল। তিন দিনের শিকারে তার বেশি ইলিশ কারওই জোটেনি। তবে এখনই নিরাশ হচ্ছে না মৎস্যজীবী ।একটু বৃষ্টি পড়লে হয়তো বদলাতে পারে চিত্রটা।

গত বছর প্রথমেই এক একটি ট্রলারে পর্যাপ্ত ইলিশের দেখা মিলেছিল। এ বার ছবিটা পুরোপুরি উল্টো। গত বছর প্রথমেই অনেক মাছ পেয়েছিলাম। কিন্তু এ বার তা হল না।’’ প্রায় এক কুইন্ট্যাল মাছ ধরেছেন ওই ট্রলারের মাঝিরা। মাছের সাইজ সর্বোচ্চ ৫০০গ্রাম।

রবিবার মরসুমের প্রথম ইলিশ নিয়ে ডায়মন্ড হারবার এলাকায় ট্রলার ভেড়ালেন মৎস্যজীবীরা

গত বছর প্রথম শিকারেই এক একটি বড় ট্রলারে মাছ প্রায় ৫-৭ কুইন্ট্যাল করে ইলিশ হয়েছিল। মোহনার অনেক কাছে চলে এসেছিল ইলিশ। এ বার সেই পরিস্থিতি নেই ‘বর্ষা ঢুকেছে, কিন্তু বৃষ্টিটা সেরকম হচ্ছে না। তা ছাড়াও গত কয়েকদিন থেকে পুবের হাওয়ার বদলে পশ্চিমার দাপট বেশি।’’ এই কারণেই এখনও পরিস্থিতি ইলিশের জন্য মৎস্যজীবীদের কাছে অনুকূল হয়নি বলেই জানাচ্ছেন তাঁরা।

নামখানার এফবি সোনামুখী ট্রলারের শ্রমিক অসিত দাসেরও একই অভিজ্ঞতা। তাঁদের ইলিশ জুটেছে ষাট কেজির মতো। তাঁর কথায়, ‘‘খাটুনি পোষায়নি। সেরকম ইলিশ না মেলায় কিছু অন্য মাছ ধরে নিয়ে আসতে হয়েছে।’’

গতবার ১২-১৫ মেট্রিকটনের কাছাকাছি ছিল। তবে নামখানা মহকুমা থেকে প্রায় এখনও বেশিরভাগ ট্রলারই রয়েছে গভীর সমুদ্রে। তাঁদের ফিরতে আরও তিন চারদিন লাগবে। চিত্রটা বদলাতে , ‘‘বর্ষার শুরুতে উত্তরবঙ্গে প্রচুর বৃষ্টি হলেও ইলিশের জন্য পরিস্থিতি খানিকটা অনুকূল থাকে। এ বার সেটা প্রায় নেই। ছিঁটেফোটা বৃষ্টি হচ্ছে গভীরসমুদ্রেও। ঘোর বর্ষা শুরু হলে পরিস্থিতি বদলাতেও পারে।’’

ডায়মন্ড হারবার নগেন্দ্র বাজার আড়ৎ তের আড়ৎমল্লিকরা আশা করছে গত বছর এর মতো ইলিশ হবে ।মাছের দম পাইকারী দাম ৪০০ -৫০০ টাকা প্রতি কেজি দর ।খুচরো দাম ৭০০ টাকা ।মত্স্যজীবীরা আশা করছে অবহওয়া ভালো হলে প্রচুর ইলিশ জোগান দিতে পরবে ।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES