‘সমাজ তাঁকে বাঁচতে দিল না', পার্থর আত্মহত্যার পর আক্ষেপ ফাদার রডনির

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Feb 23, 2017 12:10 PM IST
‘সমাজ তাঁকে বাঁচতে দিল না', পার্থর আত্মহত্যার পর আক্ষেপ ফাদার রডনির
Photo : AFP
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Feb 23, 2017 12:10 PM IST

#কলকাতা: বিয়ে করে সামাজিক জীবনে ফিরতে চেয়েছিলেন। লিখে ফেলেছিলেন আত্মজীবনীও। কিন্তু সেই সমাজ-ই বাঁচতে দিল না পার্থকে। রবিনসন স্ট্রিট কঙ্কালকাণ্ডের পর, স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চেয়েও পারেননি পার্থ দে। তাঁর অস্বাভাবিক মৃত্যুর জন্যও দায়ী সমাজ। মন্তব্য, পার্থর সবচেয়ে কাছের সঙ্গী ফাদার রডনির।

'বাকি জীবনটায় অর্থবহ কিছু কাজ করে যেতে হবে।' বছর দেড়েক আগে, পাভলভ মানসিক হাসপাতাল থেকে বেরনোর সময়ে এটাই ছিল পার্থ দে'র অঙ্গীকার। জীবনকে অর্থবহ করে তুলতে চেষ্টার কসুর করেননি তিনি। রবিনসন স্ট্রিট ছেড়ে ওয়াটগঞ্জের আবাসনের ফ্ল্যাটে গিয়ে, সকলের সঙ্গে মেলামেশা করতেই আগ্রহী ছিলেন। নিজেই গাড়ি চালিয়ে ঘুরে বেড়াতেন। পুজোয় মানসিক হাসপাতালের রোগীদের কাছে পাঠিয়েছিলেন উপহার। ইচ্ছে ছিল বিয়ে করে আর পাঁচজনের মতো সংসার পাতার। শেষ সময়ের সবচেয়ে কাছের সঙ্গী ফাদার রডনিকে এই ইচ্ছার কথা জানিয়েওছিলেন পার্থ।

নিজের না-বলা গল্প সবার সামনে তুলে ধরতে আত্মজীবনীও লিখেছিলেন পার্থ। নাম দিয়েছিলেন 'আই ওয়ান্ট টু বি পার্থ'। জীবনী প্রকাশের দায়িত্বে ছিলেন সেই ফাদার রডনি-ই।

 রবিনসন স্ট্রিট উত্তর জীবনে বেঁচে থাকার অর্থ খুঁজছিলেন পার্থ। কিন্তু সমাজ তাঁর সহায় হয়নি। বারে বারে সেই কঙ্কালকাণ্ডের আয়নায় তাঁকে মুখ দেখতে বাধ্য করেছে সবাই।

সামাজিক অসহযোগিতা আর উপেক্ষা-ই কি আত্মহননের পথে ঠেলে দিল পার্থকে? ফাদার রডনির বক্তব্যের পর এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে।

First published: 12:10:01 PM Feb 23, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर