‘বড় ব্যক্তিত্ব বলে যা খুশি বলবেন? তা মেনে নিতে হবে?’ ফের অমর্ত্য সেনকে আক্রমণ দিলীপের

Jul 12, 2017 08:13 PM IST | Updated on: Jul 12, 2017 08:13 PM IST

#কলকাতা: ফের নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে আক্রমণ করলেন দিলীপ ঘোষ ৷ গরু, গুজরাত, হিন্দু ও হিন্দুত্ব এই চারটি শব্দে আপত্তি জানিয়ে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে নিয়ে তৈরি তথ্যচিত্রে ভারতীয় সেন্সর বোর্ড ছাড়পত্র না দেওয়ায় বিতর্ক তুঙ্গে ৷ সেই বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতেই ভারতীয় সেন্সর বোর্ডের সমর্থনে মাঠে নামলেন দিলীপ ঘোষ ৷ আরও একবার বিজেপি রাজ্য সভাপতির কটাক্ষের নিশানায় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অর্মত্য সেন ৷

বার সেন্সরের কাঁচির কোপে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে নিয়ে তৈরি তথ্যচিত্র ‘দি আর্গুমেন্টেটিভ ইন্ডিয়ান’ ৷ 'গরু', 'গুজরাট', 'হিন্দু মিডিয়া' এবং 'হিন্দুত্ব এই চারটি শব্দ তথ্যচিত্রটিতে উচ্চারিত হওয়ায় নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে নিয়ে তৈরি তথ্যচিত্রটিকে ছাড় দিতে নারাজ সেন্সর বোর্ড ৷ এদিন এই বিতর্কে নিজের প্রতিক্রিয়ায় দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘বড় ব্যক্তিত্ব বলে যা খুশি বলবেন? তা মেনে নিতে হবে? সেন্সর বোর্ড আছে ৷ তারা যা ভাল মনে করেছে, তাই করেছে ৷ আগেও অনেক সেন্সর হয়েছে ৷ তখন তো কেউ প্রশ্ন তোলেনি ৷’ দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যে আরও জটিল পরিস্থিতি ৷

‘বড় ব্যক্তিত্ব বলে যা খুশি বলবেন? তা মেনে নিতে হবে?’ ফের অমর্ত্য সেনকে আক্রমণ দিলীপের

অসহিষ্ণুতার নজির। এবার নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে নিয়ে তৈরি তথ্যচিত্রে সেন্সরবোর্ডের কাঁচি। দ্য আর্গুমেনটেটিভ ইন্ডিয়ান নামে ওই তথ্যচিত্রে অমর্ত্য সেনের মুখে চারটি শব্দে আপত্তি তুলেছে সিবিএফসি। গরু, গুজরাত, হিন্দু ও হিন্দুত্ব এই শব্দগুলি মিউট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু, তাতে নারাজ পরিচালক সুমন ঘোষ।

অমর্ত্যের তথ্যচিত্রে সেন্সরের কাঁচি

- গরু, গুজরাত, হিন্দু ও হিন্দুত্ব এই চারটি শব্দে ঘোরতর আপত্তি সিবিএফসি-র

- সেন্সর বোর্ডের যুক্তি, এই শব্দগুলি উচ্চারণে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হবে

- ওই ৪ শব্দ ‘মিউট’ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে

- তাহলেই মিলবে U/A ছাড়পত্র

সেন্সর বোর্ডের নির্দেশ মানতে নারাজ খোদ পরিচালক। প্রাথমিক ধাক্কা কাটিয়ে বিরোধিতার বার্তাই দিচ্ছেন সুমন ঘোষ। বিভিন্ন সময়ে সরকারের নানা পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ। তা নিয়ে বিরোধিতার মুখেও পড়তে হয় তাঁকে। নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে ইস্তফা দিতেও বাধ্য হন। সেন্সর বোর্ডের বিতর্কে অবশ্য মুখ খুলতে নারাজ অমর্ত্য সেন।

দেশে অসহিষ্ণুতা মাথাচাড়া দিচ্ছে। গোরক্ষার নামে পিটিয়ে খুনের ঘটনায় নাম জড়াচ্ছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের। এমন সময়ে চারটি শব্দে নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে কী বার্তা দিতে চাওয়া হচ্ছে? অমর্ত্য সেনের তথ্যচিত্রে সেন্সরের কাঁচিতে ফের সেই প্রশ্ন উঠে গেল।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES