আজকের খবরের কাগজের সেরা খবর

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Feb 08, 2017 11:30 AM IST
আজকের খবরের কাগজের সেরা খবর
Photo : AFP
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Feb 08, 2017 11:30 AM IST

প্রতিদিনের ব্যস্ততায় খবর কাগজ খুঁটিয়ে পড়া সম্ভব হয় না ৷ অনেক সময় গুরুত্বপূর্ণ খবর চোখ এড়িয়ে যায় ৷ তাছাড়া একাধিক কাগজও পড়ার মতো সময় কারোর হাতেই নেই ৷ তাই আসুন এক নজরে, একজায়গায় দেখে নিন কলকাতার বিভিন্ন কাগজের সেরা খবর গুলি ৷ বুধবারের গুরুত্বপূর্ণ খবরগুলি হল-

anandabazar11

১) বাঁ হাতের শিরা কাটা, গলায় ফাঁস, উধাও প্রেমিক, রহস্য মৃত্যু অভিনেত্রীর

মাঝবয়সি এক ব্যক্তির প্রেমে পড়ে ঘর ছেড়েছিলেন উঠতি নায়িকা। মা-বাবার বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিলেন মিনিট দশেক দূরত্বে, এক অভিজাত আবাসনে। থাকতেন একাই। মঙ্গলবার দেখা করতে গিয়ে মা দেখলেন, ফ্ল্যাটের সিলিং থেকে ঝুলছে মেয়ের দেহ। টলিউডের ওই নতুন অভিনেত্রীর এই অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। কুয়াশা ঘন হয়েছে এ দিন থেকেই তাঁর প্রণয়ীর খোঁজ না-মেলায়। গরফা থানার পুলিশ জানায়, মৃত অভিনেত্রীর নাম বিতস্তা সাহা (২৮)। মঙ্গলবার বিকেলে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয় ই এম বাইপাসের ধারে একটি অভিজাত আবাসনের একতলায় এক কামরার ফ্ল্যাট থেকে। বিতস্তার বাঁ হাতের শিরা কাটা ছিল। রক্তাক্ত ছিল দেহটি। প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশের ধারণা, এটি আত্মহত্যার ঘটনা। কিন্তু প্রশ্ন আর সংশয়ের খটকাও আছে। গলায় ফাঁসই যদি দেওয়া হবে, হাতের শিরা কাটা কেন? হাতের শিরাই যদি কাটা হল, ফাঁসে ঝোলার ঘটনাটা ঘটল কী ভাবে? আত্মহত্যার ঘটনা হয়ে থাকলে নায়িকা একা গলায় ফাঁস দিলেন এবং হাতের শিরা কাটলেন কী করে? জবাব খুঁজছেন তদন্তকারীরা।

২) উদয়ন খুন! মেয়ের নম্বর থেকে মেসেজ পেয়েছিল আকাঙ্ক্ষার পরিবার

‘উদয়ন খুন হয়েছে’!

মেয়ে আকাঙ্ক্ষার হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর থেকে এমন ‘মেসেজ’ পেয়ে চমকে উঠেছিল বাঁকুড়ার শর্মা পরিবার।

সময়টা অক্টোবর মাসের শেষ দিক। অক্টোবর মাসের গোড়াতেই (৫ অক্টোবর) বাঁকুড়া শহরের রবীন্দ্র সরণিতে আকাঙ্ক্ষার বাড়িতে রাত কাটিয়ে গিয়েছে উদয়ন। পরিচয় দিয়েছে ইউনিসেফ-এ আকাঙ্ক্ষার সহকর্মী হিসেবে। তরুণীর বাবা শিবেন্দ্র শর্মা, মা শশীবালাকে দিয়ে গিয়েছে আশ্বাস—‘‘যবে চান, দিল্লিতে আসুন। আমি এখন দিল্লিতে রয়েছি। ওখানে আমি আপনাদের আমেরিকার ভিসার কাগজপত্র দিয়ে দেব। আপনারা দিল্লি থেকেই যেতে পারবেন সোনির (আকাঙ্ক্ষার ডাকনাম) কাছে।’’

৩)এ বার সত্যার্থীর নোবেল! তবে চোট নকলে

চোরের নজর আবার নোবেলে। তবে এ বার গেল নকলের উপর দিয়েই। খবরটা শুনে প্রথমে চমকে উঠেছিল গোটা দেশ। দক্ষিণ দিল্লিতে কৈলাস সত্যার্থীর বাড়ি থেকে চুরি গিয়েছে তাঁর নোবেল পদক। রবীন্দ্রনাথের নোবেলটির মতোই কি তা হলে খোয়া গেল ভারতের আরও একটি নোবেল? তবে খানিকক্ষণের মধ্যে জানা যায়, যেটি চুরি গিয়েছে, সেটি আসল নয়। আসলটি সুরক্ষিত রয়েছে রাষ্ট্রপতি ভবনে। ২০১৪-য় পাক কিশোরী মালালা ইউসুফজাইয়ের সঙ্গে যৌথ ভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান ‘বচপন বাঁচাও আন্দোলন’-এর প্রতিষ্ঠাতা, সমাজকর্মী কৈলাস। মাসখানেক আগে দেশের উদ্দেশে নোবেল পদকটি উৎসর্গ করে রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের হাতে তুলে দেন তিনি।

৪) লোকসভায় মুখ খুলেও মোদী যেন জৌলুসহীন

বিরোধীদের লাগাতার আক্রমণের জবাবে যিনি লোকসভায় মেজাজে বক্তৃতা করলেন, তিনি নরেন্দ্র মোদী। দেশের প্রধানমন্ত্রী।

দিনের শেষে বিরোধীদের পাশাপাশি দলেরও কেউ কেউ বললেন, উনি কেমন প্রধানমন্ত্রী? কী ভাবে কথা বললেন! এমনটা কি কোনও প্রধানমন্ত্রীকে মানায়! উনি তো সেই মোদীই হয়ে রইলেন!

নোট-বাতিল নিয়ে বিরোধী ঝড়ের মুখে মঙ্গলবার লোকসভায় জবাব দিতে উঠে মোদীর দাবি, নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত শুধু সঠিক নয়, এমন সময় এটা কার্যকর করা হয়েছে, যখন দেশের অর্থনীতি তৈরি ছিল পরিস্থিতি সামাল দিতে। আত্মপক্ষ সমর্থনে তাঁর এই মন্তব্য শুনে বিরোধী বেঞ্চে গুঞ্জন উঠলেও বেশি কিছু হয়নি। পরে অবশ্য রাহুল গাঁধী টুইটে কটাক্ষ করে বলেছেন, ‘‘অল্পবিদ্যা ভয়ঙ্করী!’’ কিন্তু ও কথা বলার পরেই মোদী যখন সাংসদদের ‘ভাইয়ো অউর বহেনো’ বলে সম্বোধন করে বসলেন, রে-রে করে উঠল বিরোধী বেঞ্চ! দলমত নির্বিশেষে সকলের বক্তব্য — আপনি কি জনসভায় বক্তৃতা দিচ্ছেন?

bartaman_big11

১) খুনি উদয়নকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে উত্তাল আদালত চত্বর, ফাঁসির দাবি

‘খুনি’ উদয়নকে জনতার হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে মঙ্গলবার বাঁকুড়া আদালত চত্বর উত্তাল হয়ে ওঠে। উত্তেজিত জনতা উদয়নকে লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছুঁড়তে থাকে। তার ফাঁসির দাবিতেও স্লোগান ওঠে। এদিন উদয়ন দাসকে বাঁকুড়ার মুখ্য বিচার বিভাগীয় ম্যাজিস্ট্রেটের এজলাসে তোলা হলে বিচারক অরুণকুমার নন্দী আকাঙ্ক্ষা ওরফে শ্বেতা শর্মা খুনে ওই অভিযুক্তকে আটদিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দেন। ১৫ফেব্রুয়ারি ফের তাকে বাঁকুড়া আদালতে তোলা হবে। বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার সুখেন্দু হীরা বলেন, আমরা উদয়নকে আটদিনের জন্য হেপাজতে পেয়েছি। খুনের প্রকৃত কারণ জানতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

২) দপ্তরকে না জানিয়েই শুভ্রাকে নিয়ে দিল্লি যান ইডি’র মনোজ

রোজভ্যালি কাণ্ডের তদন্তকারী অফিসারের সঙ্গে শুভ্রা কুণ্ডুর ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ্যে আসার পর প্রায় প্রতিদিনই উঠে আসছে নতুন নতুন তথ্য। জিজ্ঞাসাবাদের জন্যই গৌতম কুণ্ডুর স্ত্রীকে তিনি দিল্লি নিয়ে গিয়েছিলেন বলে দাবি করেছেন ইডি অফিসার মনোজ কুমার। কাউকে বাইরে জেরা করতে নিয়ে গেলে যে সব নিয়ম ও আইন রয়েছে, তা এক্ষেত্রে মানা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে পালটা খোঁজখবর নিচ্ছেন দিল্লির এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) আধিকারিকরা। তদন্তের প্রথমেই তাই জিডি এন্ট্রি বুকের (যা লগ বুক বলে পরিচিত) নথি ঘাঁটতে শুরু করেছেন তদন্তকারীরা। তা করতে গিয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার। জানা যাচ্ছে, এক্ষেত্রে নিয়মমাফিক যে লগবুক এন্ট্রি করা হয়, তার কোনও অস্তিত্ব এখনও খুঁজে পাওয়া যায়নি। যা থেকে তদন্তকারী অফিসারদের ধারণা, গোড়াতেই গলদ রয়েছে। তাঁদের ব্যাখ্যা, যদি জেরা করার প্রয়োজন হত, তাহলে তার উল্লেখ থাকত লগ বুকে। তা না থাকায় সন্দেহ আরও দানা বেঁধেছে।

৩)রাজ্য অ্যাডভোকেট জেনারেলের হঠাৎ ইস্তফা ঘিরে জল্পনা

রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) জয়ন্ত মিত্র মঙ্গলবার পদত্যাগ করলেন। তাঁর পদত্যাগপত্র আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্যপাল গ্রহণ করেছেন কি না, তা জানা না গেলেও এই ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনে তো বটেই, রাজনৈতিক মহলেও শোরগোল তৈরি হয়েছে। যা আরও জোরদার হয়েছে আরও দুই শীর্ষ সরকারি আইনজীবীর সম্ভাব্য পদত্যাগকে ঘিরে। যদিও তাঁদের একজন জানিয়েছেন, এই ব্যাপারে তিনি এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেননি। কিন্তু কে তাঁদের জায়গায় আসবেন, তা নিয়ে যেমন জল্পনা তুঙ্গে উঠেছে, তেমনই এই জিজ্ঞাসাও দেখা দিয়েছে যে, নারদ মামলার রায় ঘোষিত হওয়ার আগে এই ঘটনা কি বিশেষ কোনও ইঙ্গিতবাহী? যে কোনও আইন প্রণয়ন বা চালু করার আগে রাজ্য সরকার অ্যাডভোকেট জেনারেলের পরামর্শ নেবে, এটাই চালু প্রথা। যা সাংবিধানিক ব্যবস্থা। কিন্তু, ক্ষমতাসীন সরকার অনেক ক্ষেত্রেই এর অন্যথা করে থাকে বলে অভিযোগ আগেও ছিল, এখনও রয়েছে।

৪) সংসদে কংগ্রেসকে তুলোধোনা মোদির

শেষমেশ সংসদে দাঁড়িয়ে বলেই ফেললেন, ‘ভাইয়ো অউর বহেনো।’ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। নির্বাচনী কায়দায় সহকর্মীদের সম্বোধন করলেন। একইসঙ্গে রাষ্ট্রপতির অভিভাষণের উপর ধন্যবাদ জ্ঞাপন বক্তৃতার জবাবি ভাষণে লোকসভায় কংগ্রেসকে তুলোধোনা করলেন। মোদি প্রশ্ন ছুঁড়লেন, গণতন্ত্রের নামে যে দল পরিবারতন্ত্রের কাছে নিজেকে সঁপে দিয়েছে, আজ তাদের মুখে গণতন্ত্রের বুলি সাজে? নোট বাতিল নিয়ে বিরোধীরা যে সস্তার রাজনীতি করছেন তার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে ক্ষমতা লাগে। ভোট রাজনীতি নয়। দেশের উন্নয়নের জন্যই আমি সিদ্ধান্ত নিই। গরিবদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে লোভ-লোকসান দেখি না। দুর্নীতি খতম করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেব। বেনামি সম্পত্তি আইন লাগু করা থেকে শুরু করে সুইস ব্যাংকে টাকা জমা রাখা, কোনওভাবেই কেউ ছাড় পাবে না। এটাই আমার পণ। কংগ্রেসকে টার্গেট করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জরুরি অবস্থার সময় গোটা দেশকে আপনারা জেলখানায় পরিণত করেছিলেন। সাংবাদিকদের কলমে বেড়ি পরিয়েছিলেন।

First published: 11:30:24 AM Feb 08, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर