বেঙ্গল কেমিক্যাল বিক্রির উপর স্থগিতাদেশ

Jun 22, 2017 08:36 PM IST | Updated on: Jun 22, 2017 08:36 PM IST

#কলকাতা: বিক্রি হচ্ছে না বেঙ্গল কেমিক্যাল । শতাব্দী প্রাচীন প্রতিষ্ঠান বিক্রির উপর অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করল হাইকোর্ট। গত বছর বেঙ্গল কেমিকেল বিক্রির উদ্যোগ নেয় কেন্দ্র। বাংলার গর্বের প্রতিষ্ঠান বিক্রিতে নিলামের বিজ্ঞপ্তিও জারি করা হয়ে গেছে। এই উদ্যোগের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যান সংস্থার কর্মীরা। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই আজ কালকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক বেঙ্গল কেমিক্যাল বিক্রির উপর স্থগিতাদেশ জারি করেন।

বাণিজ্য বিমুখ নয় বাঙালি। এটা প্রমাণ করতেই ১৯০২ সালে বিজ্ঞান ছেড়ে ব্যবসায় নেমেছিলেন প্রফুল্ল চন্দ্র রায়। পরাধীন ভারতে সালটা ছিল ১৯০২ সাল। আপার সার্কুলার রোডের ভাড়াবাড়িতে মাত্র সাতশো টাকা মুলধন করে যাত্রা শুরু। ১৯০৫ সালে মানিকতলায় প্রথম কারখানা তৈরি করে বেঙ্গল কেমিক্যাল। খুব তাড়াতাড়ি বাজারে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে ফিনাইল, ন্যাপথলিন, প্রসাধনী, সাপে কাটার ভেনাম।

বেঙ্গল কেমিক্যাল বিক্রির উপর স্থগিতাদেশ

---ছয়ের দশক থেকে শুরু হয় কোম্পানির পিছু হটা

---আটের দশকের গোড়ায় কোম্পানি অধিগ্রহণ করে কেন্দ্রীয় সরকার

-- ত্রিশ বছর পর এই অলাভজনক সংস্থা আর চালাতে রাজি হয়নি কেন্দ্র

----২৮ ডিসেম্বর ২০১৬ বেঙ্গল কেমিক্যালের ঝাঁপ বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয় কেন্দ্র

---বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হয় বিক্রি করা হবে ধুঁকতে থাকা বেঙ্গল কমিক্যাল

-- সংস্থার এমডির কাছে চিঠি পাঠায় সার ও রসায়ন মন্ত্রক

---নিলামের বিজ্ঞপ্তিও জারি হয়

কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেনি বেঙ্গল কেমিক্যালের কর্মচারি সংগঠন। তাঁদের দাবি , অঙ্ক কম হলেও, এখনও লাভজনক সংস্থা বেঙ্গল কেমিক্যাল। বিক্রি করে কিভাবে সমস্যা সমাধান হবে। বিক্রি বন্ধের আর্জি নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করে কর্মচারি সংগঠন। তাঁদের অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা খুঁজে পায় হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার মামলাটি গ্রহণ করে বেঙ্গল কেমিক্যাল বিক্রির উপর স্থগিতাদেশ জারি করেন বিচারপতি দেবাংশু বসাক।

মামলার পরবর্তী শুনানি পয়লা আগাস্ট। সেই সময় পর্যন্ত বেঙ্গল কেমিক্যাল বিক্রির কোনওরকম উদ্যোগ নেওয়া যাবে না।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES