মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ফলপ্রকাশে বাড়ল নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:May 30, 2017 01:36 PM IST
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ফলপ্রকাশে বাড়ল নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ
Photo : AFP
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:May 30, 2017 01:36 PM IST

#কলকাতা: রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে জটিলতা অব্যাহত ৷ আইন ও আদালতের ফাঁসে প্রাইমারির মতো SSC-ও ৷ আপাতত প্রকাশিত হচ্ছে না এসএসসি-র নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার ফল। ফলপ্রকাশে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ আরও বাড়াল হাইকোর্ট । ডিসেম্বরেই শেষ হয়েছে লিখিত পরীক্ষা। কিন্তু নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি না হওয়ায়, ফলপ্রকাশে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখল হাইকোর্ট। এর ফলে প্রভাব পড়বে উচ্চপ্রাথমিকের নিয়োগেও ৷

নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ জন্য গতবছর ডিসেম্বরেই শেষ হয়েছে লিখিত পরীক্ষা। কিন্তু নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি না হওয়ায় প্রথমে ৩১শে ডিসেম্বর পর্যন্ত ফলপ্রকাশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল হাইকোর্ট। পরে নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ বেড়ে ১৫ ফেব্রুয়ারি অবধি করা হয় ৷ কিন্তু মামলার এদিনের শুনানিতে ফলপ্রকাশে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখলেন বিচারপতি সমাপ্তি চট্টোপাধ্যায় ৷ মামলার পরবর্তী শুনানি ২১ ফেব্রুয়ারি ৷

ফের কেন আটকে গেল লিখিত পরীক্ষার ফলপ্রকাশ?

- ফলপ্রকাশে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে হাইকোর্টে আরজি জানান সুনীল দাস সহ ১১৯ জন আবেদনকারী

- আবেদনকারীদের দাবি, তাঁদের প্রশিক্ষণের শংসাপত্র বিএড-এর সমতুল্য

- কিন্তু তাঁদের নবম-দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে না

- সেই মামলার ভিত্তিতে ফলপ্রকাশ নিষেধাজ্ঞা জারি করে হাইকোর্ট

- বুধবার আবেদনকারীদের আইনজীবী বলেন, মামলা বিচারাধীন থাকাকালীন ফলপ্রকাশ করা হলে ভবিষ্যতে সমস্যা বাড়তে পারে

- মামলাকারীদের আবেদনকে প্রাথমিক মান্যতা দিয়ে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত লিখিত পরীক্ষার ফলপ্রকাশে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখে হাইকোর্ট

হাইকোর্টের এই নির্দেশে পিছিয়ে যেতে পারে উচ্চপ্রাথমিকের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়াও।

শিক্ষক নিয়োগে জটিলতা

- ইতিমধ্যেই শিক্ষা দফতর স্পষ্ট করে দিয়েছে যে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণিতে প্রথমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে

- তারপর নবম ও দশম এবং উচ্চপ্রাথমিকে নিয়োগ হবে

- সবশেষে নিয়োগ হবে উচ্চপ্রাথমিকে

- সেকারণে হাইকোর্টের নির্দেশে অনিশ্চিত উচ্চপ্রাথমিকের ইন্টারভিউ প্রক্রিয়া

শুধু উচ্চপ্রাথমিক নয়, হাইকোর্টের নির্দেশে সামগ্রিক নিয়োগ প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে বলেই আশঙ্কা এসএসসি-র।

কেন এই জটিলতা?

নবম,দশম এবং একাদশ, দ্বাদশ এই চার শ্রেণীর অর্থাৎ উচ্চ প্রাথমিকে শিক্ষক পদের যোগ্যতামান হিসেবে বিএড ডিগ্রি আবশ্যক ৷ এই ডিগ্রি ছাড়া নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া যাবে না বলে জানিয়েছিল স্কুল সার্ভিস কমিশন ৷ এই নিয়মের বিরোধিতা করে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের করে আরসিআই ট্রেনিংপ্রাপ্ত সুনীল দাস সহ ১১৯ জন ৷ তাদের দাবি ছিল Rehabilitation Council Of India-এর ডিগ্রি বিএড-এর সমতুল্য ৷ NCTE-র মান্যতা নিয়ে শুরু হয় সওয়াল ৷

সেই মামলা চলাকালীনই হাইকোর্ট NCTE-কে এই ১২০ জনকে পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেন ৷ স্টেট লেবেল সিলেকশন টেস্ট (SLST) পরীক্ষা সম্পন্ন হলেও Rehabilitation Council Of India-এর ডিগ্রি বিএড-এর সমতুল্য কিনা এই প্রশ্নের সমাধান না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্টের নির্দেশ ছাড়া পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা যাবে না বলে জানায় হাইকোর্ট ৷

এদিকে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘোষণা, ১৫ মার্চের মধ্যে সব স্তরে শিক্ষক নিয়োগ সম্পন্ন করবে উচ্চশিক্ষা দফতর ৷ একইসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী জানান, কোর্টের স্থগিতাদেশ থাকায় ফল প্রকাশ করা যাচ্ছে না ৷ স্থগিতাদেশ সরলেই প্রকাশিত হবে মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক স্তরের মেধাতালিকা ৷

First published: 02:09:28 PM Feb 15, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर