নারদা ইস্যুতে তৃণমূলকে কাবু করতে গিয়ে কুপোকাৎ কংগ্রেস

Mar 31, 2017 11:44 AM IST | Updated on: Mar 31, 2017 11:44 AM IST

#কলকাতা: নারদা ইস্যুকে হাতিয়ার করে তৃণমূলকে কাবু করতে গিয়ে কুপোকাৎ কংগ্রেস। ফের প্রকাশ্যে কংগ্রেসের গোষ্ঠীকোন্দল। অধীর-মান্নানের দ্বৈরথ প্রকাশ্যে। পয়লা এপ্রিল অধীরের রাজভবনেও কর্মসূচিতে যাচ্ছেন না মান্নান। শুক্রবার দিল্লি রওনা হয়ে যাচ্ছেন বিরোধী দলনেতা। শনিবার রাহুল গান্ধির সঙ্গে মোলাকাতের চেষ্টা করবেন তিনি।

নারদা মামলা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন আবদুল মান্নান। কিন্তু মান্নানের এই ভূমিকা ভালোভাবে নিতে পারেননি প্রদেশ সভাপতি অধীর চৌধুরী। ১ এপ্রিল নারদা ইস্যুতে প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে রাজ্যপালের কাছে যাওয়ার কর্মসূচি নিয়েছিলেন অধীর চৌধুরী। কিন্তু ঠিক তার আগে বৃহস্পতিবার কংগ্রেস পরিষদীয় দলের তরফে একই ইস্যুতে রাজ্যপালের কাছে দরবার করার সিদ্ধান্ত নেন বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান। স্বাভাবিকভাবেই নিজের কর্মসূচির আগে পরিষদীয় দলের এই আবেদনে অনুমতি দিতে বেঁকে বসেন অধীর।

নারদা ইস্যুতে তৃণমূলকে কাবু করতে গিয়ে কুপোকাৎ কংগ্রেস

পালটা চালে আজই পরিষদীয় দলের বৈঠক ডাকেন মান্নান। পরিষদীয় দলের বৈঠকে মান্নান প্রস্তাব উত্থাপন করামাত্র প্রতিবাদে সরব হয় মুর্শিদাবাদ লবি। মান্নানকে কার্যত পালটা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন অধীর অনুগামী বিধায়করা। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হওয়া নিয়েই তৈরি হয় অনিশ্চয়তা। মনোজ চক্রবর্তী, আবু তাহেরর মতো অধীর ঘনিষ্ঠরা মান্নানের সঙ্গে রাজভবনেই গেলেন না। অস্বস্তিতে মান্নান।

-সংসদীয় রাজনীতির গন্ডি ছেড়ে দলীয় রাজনীতিতে নাক গলাচ্ছেন মান্নান

-বিরোধী দলনেতা হিসাবে মানস ভুঁইয়া অনেক বেশি উপযুক্ত হলেও মান্নানকে বিরোধী দলনেতা করা বেশ কয়েকটি উদ্দেশ্যে

-অনুগতকে পদে বসানো ও মানসকে কোণঠাসা করা

-কিন্তু মান্নান প্রদেশ সভাপতির আনুগত্য মানছেন না

-সেক্ষেত্রে পরিষদীয় দলের রাশ চলে যাচ্ছে মান্নানের হাতে

-মনোজ চক্রবর্তীকে পরিষদীয় পদে এনেও মান্নানকে বাধ্য করা যাচ্ছে না

-এখানেই কংগ্রেসের দুই নেতার বিরোধ

পরিষদীয় পদের পাশাপাশি কি এবার দলীয় সংগঠনের রাশ মজবুত করতে চাইছেন মান্নান? এমন ধারণাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না অধীর অনুগতরা। আর এতেই আরও প্রবল হচ্ছে সংঘাত।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES