৩১ মে নবান্নে বেসরকারি স্কুলগুলির সঙ্গে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর

May 25, 2017 08:14 PM IST | Updated on: May 25, 2017 08:14 PM IST

#কলকাতা: বেসরকারি হাসপাতালের যথেচ্ছাচার, লাগামছাড়া বিলের পর এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নজরে শহরের বেসরকারি স্কুলগুলি ৷ কোথাও তিনলাখ, কোথাও আবার ক্লাসে জায়গা পাওয়ার দর উঠছে ১০ লাখের কোটায় ৷ অভিযোগ, পড়ুয়াদের ভর্তি নিতে মাত্রাছাড়া ‘ডোনেশন মানি’ চাইছে বেসরকারি স্কুলগুলি ৷ এই ইস্যুতে ৩১ মে নবান্নে বেসরকারি স্কুলগুলির সঙ্গে আলোচনায় বসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷

উচ্চমাধ্যমিকের পর বেসরকারি স্কুলকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। স্বাস্থ্যের পর এবার মুখ্যমন্ত্রীর নজরে শিক্ষা। লাগামছাড়া ফি ও ডোনেশন নিয়ে বেসরকারি স্কুলগুলির সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মুখ্যমন্ত্রী ৷ এই বৈঠকে কর্তৃপক্ষের থেকে স্কুল ফি নিয়ে বিস্তারিত তথ্য চাইবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ ইচ্ছেমতো স্কুল ফি নেওয়া ঠেকাতে তৎপর রাজ্য সরকার। তবে এক্ষেত্রে নতুন আইন আনতে হচ্ছে না। পুরনো আইনেই সারানো যাবে স্কুলগুলির রোগ। মুখ্যমন্ত্রীর তাগিদেই বেরোল পথ। পুরনো আইনে যেমন খুশি ফি বাড়ালে, স্কুলের অনুমোদন বাতিল করতে পারে রাজ্য সরকার।

৩১ মে নবান্নে বেসরকারি স্কুলগুলির সঙ্গে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর

বেহাল স্বাস্থ্যের হাল ফেরাতে আইন আনতে হয়েছে রাজ্য সরকারকে। কিন্তু বেহাল শিক্ষার হাল ফেরাতে নতুন বিল আনতে হচ্ছে না। আনতে হচ্ছে না কোনও আইনও। মুখ্যমন্ত্রীর বলার সঙ্গে সঙ্গেই স্কুল শিক্ষা দফতরের আধিকারিকরা 'মুশকিল আসানের' খোঁজ শুরু করেন। আর তাতেই দেখা যাচ্ছে, ২০১২ সালে তৃণমূল সরকারের আমলে তৈরি করা আইনেই সর্বোচ্চ ক্ষমতা রয়েছে রাজ্যের হাতে।

- ২০১২-র ১৬ই মার্চ গেজেট প্রকাশিত হয়। আইনের নাম 'ওয়েস্টবেঙ্গল রাইট অফ চিলড্রেন টু ফ্রি অ্যান্ড কম্পালসারি এডুকেশন রুলস, ২০১২'

- এই আইন অনুযায়ী বলা হয়েছে, কোনও স্কুলের অনুমোদনের জন্য নির্দিষ্ট শর্ত পালন করতে হবে

- ১৯ নম্বর শর্তে পরিস্কার বলা হয়েছে, সরকারের অনুমোদন ছাড়া কোনও স্কুল ফি বাড়াতে পারবে না

- ওই আইনেরই আর একটি জায়গায় বলা হয়েছে, জেলা স্কুল পরিদর্শক স্বতঃপ্রণোদিতভাবে এই আইন-বলে শর্ত ভাঙার অভিযোগে কোনও স্কুলের অনুমোদন বাতিল করতে পারেন

খোদ স্কুলশিক্ষা দফতরই এই আইন খুঁজে পেয়ে এবার কোমর বেঁধে নামছে। বেসরকারি স্কুল যথেচ্ছ ফি বাড়ালে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত মিলেছে। ফি-ডোনেশন কমানো নিয়ে অভিভাবকদের দীর্ঘদিনের দাবি এবার মেটার সম্ভাবনা।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES