এবার সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিত্সার গাফিলতি ও দেহ আটকে রাখার অভিযোগ

Mar 18, 2017 04:08 PM IST | Updated on: Mar 18, 2017 06:24 PM IST

#কলকাতা: চিকিৎসায় গাফিলতি এবং তারপর মৃতদেহ নিয়ে টানাটানি। এবার কাঠগড়ায় সরকারি হাসপাতাল ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ। মৃতের নাম পাপড়ি মুখোপাধ্যায়। বেনিয়াপুকুরের বাসিন্দা পাপড়ির মৃত্যুর পর চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ করে তাঁর পরিবার। এনিয়ে হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তারদের সঙ্গে বচসা, হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। তিন জুনিয়র ডাক্তারের বিরুদ্ধে বেনিয়াপুকুর থানায় এফআইআর দায়ের করা হয়। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

চিকিত্সা না করে ফেলে রাখা। পাশাপাশি দেহ আটকে রাখা। একাধিকবার অভিযোগ উঠেছে বেসরকারি হাসপাতালগুলির বিরুদ্ধে। এবার সেই একই অভিযোগ উঠল সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধেও ।

এবার সরকারি হাসপাতালের বিরুদ্ধে চিকিত্সার গাফিলতি ও দেহ আটকে রাখার অভিযোগ

পার্ক সার্কাসের ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে শুক্রবার ভর্তি হন বেনিয়াপুকুরের বাসিন্দা পাপড়ি মুখোপাধ্যায়। চিকিত্সা না করে ফেলে রাখায় মৃত্যু তরুণীর। এর ফলে উত্তেজনা ছড়ায় হাসপাতালে ৷ রোগী মৃত্যুর অভিযোগে জুনিয়র ডাক্তারদের মারধরের অভিযোগ ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে। পাল্টা দেহ আটকে রাখার অভিযোগ জুনিয়র ডাক্তারদের বিরুদ্ধে। যদিও অভিযোগ মানতে নারাজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কাজ বন্ধ রেখে তিনজনকে আটকে রাখে জুনিয়র ডাক্তাররা। পরে তাঁদের আটক করে বেনিয়াপুকুর থানার পুলিশ।

শুক্রবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বেনিয়াপুকুরের বাসিন্দা পাপড়ি মুখোপাধ্যায় ভরতি হন হাসপাতালে। ভোর তিনটেয় মৃত্যু হয় বছর তেত্রিশের ওই তরুণীর। অভিযোগ, এরপরই হাসপাতালে এসে ক্ষোভে ফেটে পড়েন পাপড়ির পরিবারের সদস্যরা।

ভোর ৫টায় হাসপাতালে আসে রোগীর পরিবার ৷ কর্তব্যরত জুনিয়র ডাক্তারকে মারধর করা হয় ৷ থামাতে গেলে আক্রান্ত হন আরেক জুনিয়র ডাক্তারও ৷ জুনিয়র ডাক্তারদের গালিগালাজ করা হয় ৷ পাল্টা দেহ না ছাড়ার অভিযোগ জুনিয়র ডাক্তারদের বিরুদ্ধে ৷ কাজ বন্ধ রেখে ফিমেল মেডিসিন ওয়ার্ডে রোগী পরিবারের ৩ জনকে আটকে রাখে জুনিয়র ডাক্তাররা।

পরিবার ও জুনিয়র ডাক্তারদের মধ্যে মধ্যস্থতা করতে এগিয়ে আসে হাসপাতাল। পরে আক্রান্ত ডাক্তাররা রাহুল ঘোষ, উত্তম ঘোষ, রাজীব মুখোপাধ্যায় নামে ওই তিনজনকে বেনিয়াপুকুর পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

হাসপাতালে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফেরাতে অধ্যক্ষের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক করেন জুনিয়র ডাক্তাররা। হাসপাতালে চিকিত্সায় গাফিলতির অভিযোগে পাপড়ির মৃত্যুর কথা বললেও থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের করেনি রোগীর পরিবার। যদিও দেহ আটকে রাখা নিয়ে বারবার অভিযোগ জানিয়েছে তারা। ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ কর্তৃপক্ষ পাল্টা বেনিয়াপুকুর থানায় রোগীর পরিবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছে।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES