বামকর্মী সলিল বসুর মৃত্যুতে বিতর্ক, ময়নাতন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Jun 06, 2017 01:28 PM IST
বামকর্মী সলিল বসুর মৃত্যুতে বিতর্ক, ময়নাতন্তের নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের
Photo : AFP
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Jun 06, 2017 01:28 PM IST

#কলকাতা: বামকর্মী সলিল বসুর মৃতদেহের ময়নাতন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট ৷ আজ অর্থাৎ মঙ্গলবারই SSKM হাসপাতালে ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের একজন আধিকারিকের উপস্থিতিতে চলবে ময়নাতদন্ত ৷ পুরো ময়নাতদন্ত পর্ব ভিডিওগ্রাফি করে রাখা হবে ৷ আগামী সোমবার ভিডিওগ্রাফি সহ চিকিৎসা ও ময়নাতদন্তের সমস্ত নথি জমা দিতে নির্দেশ আদালতের ৷

গত ৪ জুন মারা যান বামকর্মী সলিল বসু। তাঁর মৃত্যুর পরই শুরু বিতর্ক। ২২ মে নবান্ন অভিযানে, পুলিশের লাঠিচার্জে আহত হয়েই মৃত্যু বলে দাবি সিপিএমের। যদিও ডেথ সার্টিফিকেটের ভিত্তিতে পুলিশের পালটা দাবি, বাথরুমে পড়ে গিয়ে জখম হয়েছিলেন সলিল বসু।

২২ মে বামেদের নবান্ন অভিযানে অংশ নিয়েছিলেন সলিল বসু। সেদিন পুলিশের লাঠিচার্জে তিনি জখম হন বলে দাবি পরিবার ও দলের। যদিও পরের দিন ২৩ তারিখ প্রতিবাদ মিছিলেও অংশ নেন তিনি। সেখানেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। ২৫ তারিখ তাঁকে ভরতি করা হয় আরজি কর হাসপাতালে। রবিবার সকাল সাড়ে সাতটা নাগাদ মৃত্যু হয় সলিল বসুর।

হাসপাতাল থেকে দমদমের নয়াপট্টির বাড়িতে সলিল বসুর দেহ নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে দেহ আসে আলিমুদ্দিনে। নবান্ন অভিযানে অংশগ্রহণকারীর মৃত্যুর পরই শুরু বিতর্কের। মৃতের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে, পুলিশের দিকেই আঙুল তুলছে সিপিএম।

যদিও লাঠির ঘায়ে বামকর্মীর মৃত্যু হয়েছে, তা মানতে নারাজ পুলিশ। ডেথ সার্টিফিকেটের কথা উল্লেখ করে কলকাতা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার সুপ্রতিম সরকারের দাবি

বামকর্মীর মৃত্যুতে পুলিশের যুক্তি

- এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। এটা পুলিশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

- বাথরুমে পড়ে গিয়েছিলেন সলিল বসু। ভরতির সময় হাসপাতালের রেকর্ড তাই বলছে

- ডেথ সার্টিফিকেট অনুযায়ী মৃত্যুর কারণ 'হেমারোহেজিক স্ট্রোক'

- যে কোনও মৃত্যু দুর্ভাগ্যজনক। তার থেকে বেশি দুর্ভাগ্যজনক রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে এইভাবে পুলিশের বদনাম করা

- এই ঘটনার নিন্দা করছি। যদি এইভাবে পুলিশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চলে, তাহলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে

পুলিশ যাই দাবি করুক না কেন, নিজেদের অবস্থান থেকে সরছে না সিপিএম। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দেখে তারপরই সিদ্ধান্ত জানাবে আদালত ৷

First published: 01:27:47 PM Jun 06, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर