বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে লাল-হলুদের অগ্নিপরীক্ষা, কিরঘিস্তানের আমিরভকে নিয়ে কী পরিকল্পনা মর্গ্যানের ?

Jan 21, 2017 02:10 PM IST | Updated on: Jan 21, 2017 02:10 PM IST

#কলকাতা: চলতি আই লিগে হয়তো প্রথমবার চার বিদেশিকে প্রথম দলে রাখতে চলেছেন ট্রেভর মর্গ্যান। কিরঘিস্তানের স্ট্রাইকার আমিরভকে প্লাজার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হতে পারে।

ইঙ্গিতটা আগেই পাওয়া গিয়েছিল। শনিবার বারাসত স্টেডিয়ামে ইস্টবেঙ্গলের প্র্যাকটিসে একই ছবি দেখা গেল। ছ’ফুট চার ইঞ্চি লম্বা আমিরভকে প্রথম দলেই অনুশীলন করালেন ট্রেভর মর্গ্যান। বেঙ্গালুরুর জন জনসনের সঙ্গে পাল্লা দিতে আমিরভকেই ব্যবহার করতে চাইছেন তিনি। ফ্রি ফুটবলার করে দিতে চাইছেন গোলগেটার প্লাজাকে। বুকেনিয়া ও ওয়েডসনও থাকছেন। মরশুমে প্রথমবার চার বিদেশি নিয়ে দল সাজাবেন ব্রিটিশ কোচ। আই লিগের আগে এবার নজিরবিহীনভাবে চার বিদেশি-ই বদলে ফেলেছে ইস্টবেঙ্গল। অনেক বিতর্ক মিটিয়ে রিলিজ করা হয়েছে ডং-কে। কর্তারা চেষ্টা করেও প্রথম ম্যাচের আগে বিদেশি কোটা পূরণ করতে পারেননি। হাই ভোল্টেজ ম্যাচে বুকেনিয়া-আমিরভ-ওয়েডসনদের তাই অগ্নিপরীক্ষা। চার বিদেশি কেমন পারফর্ম করেন তার ওপরেই হয়তো নির্ভর করবে ম্যাচের ভবিষ্যৎ।

বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে লাল-হলুদের অগ্নিপরীক্ষা, কিরঘিস্তানের আমিরভকে নিয়ে কী পরিকল্পনা মর্গ্যানের ?

Photo Courtesy : East Bengal

লাল-হলুদের প্রতিপক্ষরা আদ্যন্ত পেশাদার। চার -চারজন তুখোড় বিদেশি। সুনীল-বিনীথের মতো ভারতীয় তারকা। দু’বারের আই লিগ চ্যাম্পিয়ন বেঙ্গালুরু এফসি এবার শুরুটাও করেছে দাদাগিরি করে।

অন্যদিকে ইস্টবেঙ্গল। দু’টো অ্যাওয়ে ম্যাচ জিতলেও এখনও অগোছালো। মশালের আগুনে সেই গনগনে ভাবটাই পাওয়া যাচ্ছে না। ব্রিটিশ কোচ চিন্তায়। সমর্থকেরাও আশঙ্কায়। ঠিক এমন অবস্থায় ঘরের মাঠে নামছেন প্লাজা-মেহতাব-ডিকারা। অনুশীলনে ইঙ্গিত বেঙ্গালুরুর জন্য টাইট মার্কিংয়ের ব্যবস্থা করছেন মর্গ্যান। ঘরের মাঠে সুবিধা কাজে লাগিয়ে শুরুতেই চাপে ফেলতে চান বেঙ্গালুরুকে। কাউন্টার অ্যাটাক আর ডেড বল সিচুয়েশনে গোল তুলে নিতে চান লাল-হলুদ কোচ।

তৈরি বেঙ্গালুরুও। দুর্দান্ত ফিটনেস দলের শক্তি। বক্সের আশপাশে সুনীলদের টাচ প্লে অন্য দলের ঘুম কেড়ে নিয়েছে। জন জনসন রক্ষণের স্তম্ভ।

যুক্তির বিচারে অনেকেই এগিয়ে রাখছেন গার্ডেন সিটির চ্যাম্পিয়নদের। কিন্তু আবেগ রয়েছে হাজারো সমর্থকের গলায়। ময়দানের চেনা প্রবাদ পিছিয়ে থাকা ইস্টবেঙ্গল না কি গুলি খাওয়া বাঘের মতোই ভয়ঙ্কর। প্রবাদটার গায়ে আদৌ মরচে পড়েছে কি না বোঝা যাবে রবিবাসরীয় বিকেলেই।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES