ইমাম পদ থেকে বহিষ্কৃত বরকতি

May 17, 2017 04:29 PM IST | Updated on: May 17, 2017 04:43 PM IST

#কলকাতা: টিপু সুলতান মসজিদের শাহি ইমাম পদ হাতছাড়া হল বরকতির। অপসারণের নোটিস পাঠানো হয়েছে তাকে ৷ সাতদিনের মধ্যে অফিসঘর খালি করার নির্দেশ ট্রাস্টি বোর্ডের।

১৯৮৮-র পয়লা জানুয়ারি। টিপু সুলতান মসজিদের শাহি ইমাম পদে

ইমাম পদ থেকে বহিষ্কৃত বরকতি

থেকে ২০১৭। ২৯ বছরের আধিপত্য শেষ। টিপু সুলতান মসজিদের শাহি ইমাম পদ থেকে সরানো হল নুর-উর-রহমান-বরকতিকে।  ক্ষমতার অপব্যবহার-সহ একাধিক বিতর্কিত কাজে নাম জড়ায় বরকতির। তার জেরেই সিদ্ধান্ত ট্রাস্টি বোর্ডের।

বরকতির বিরুদ্ধে অভিযোগ

-দেশবিরোধী মন্তব্যে উসকানি দেওয়া

- ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্যকে শারীরিক হেনস্তা

- ট্রাস্টি বোর্ড একাধিকবার শো কজ নোটিস পাঠায়

- কোনও নোটিসেরই জবাব দেননি বরকতি

- হাজিরার নির্দেশও মানেননি তিনি

শাহি ইমামের জারিজুরি শেষ। বরকতির গাড়ি থেকে লালবাতি খুলে দিল পুলিশ। কার্যত জোর করেই খোলা হল লালবাতি। বেআইনিভাবে লালবাতি ব্যবহারের জন্য মামলা রুজু হয়েছে শাহি ইমামের বিরুদ্ধে। আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে লালবাতি লাগানো গাড়িতে চড়ছিলেন বরকতি। লালবাতি ছাড়বেন না বলে হুঁশিয়ারিও দেন।

লালবাতি ছাড়ব না -- এটা আমার অধিকার ৷ গলা চড়িয়ে ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু কয়েকদিন কাটতে না কাটতেই নিজের কথাই গিলতে হল নুর-উর-রহমান বরকতিকে। বরকতির গাড়ি থেকে লালবাতি খুলে দিল পুলিশ। ডেপুটি কমিশনারের নেতৃত্বে অভিযানেই খোলা হল লালবাতি।

আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে লালবাতি ব্যবহার করায় মামলার মুখে পড়তে হচ্ছে শাহী ইমামকে।

চলতি বছরের ১ মে থেকে দেশজুড়ে লালবাতি নিষিদ্ধ করেছে কেন্দ্র। এখানে বলা হয়েছিল রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী সহ কোনও ভিআইপিই লালবাতি লাগানো গাড়ি ব্যবহার করতে পারবেন না। এই ঘটনার অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেবে সংশ্লিষ্ট রাজ্য প্রশাসন ও পরিবহণ দপ্তর।

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কোনওদিনই লালবাতি ব্যবহার করেন না। এই নির্দেশ জারির পর রাজ্যের মন্ত্রী ও ভিআইপিরাও লালবাতি ছেড়েছেন। অথচ লালবাতির মোহ ছাড়তে পারেননি শাহী ইমাম। একের পর এক বিভ্রান্তিকর দাবিও করেছেন। শাহী ইমামের আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলছিলেন ইমাম ও মুসলিম সমাজও। অবশেষে ঘটনায় কড়া হল রাজ্য। এখন থেকে লালবাতি ছাড়াই ঘুরতে হবে নুর-উর রহমান বরকতিকে।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES