অ্যাসিডে আক্রান্ত বাংলার মহিলারা, গোটা দেশে অ্যাসিড অ্যাটাকে দ্বিতীয় স্থানে রাজ্য

Akash Misra | News18 Bangla
Updated:Feb 21, 2017 05:03 PM IST
অ্যাসিডে আক্রান্ত বাংলার মহিলারা, গোটা দেশে অ্যাসিড অ্যাটাকে দ্বিতীয় স্থানে রাজ্য
Photo : AFP
Akash Misra | News18 Bangla
Updated:Feb 21, 2017 05:03 PM IST

#কলকাতা: কখনও প্রেমে প্রত্যাখান। কখনো কুপ্রস্তাবে সাড়া না দেওয়া। কখনো জমি দখল। কখনো সম্পত্তি। সাম্প্রতিক অ্যাসিড অ্যাটাকের ঘটনায় নানারকম অজুহাত উঠে এসেছে। কেউ শাস্তি পেয়েছে। কাউকে গ্রেফতার করাই হয়নি। বহাল তবিয়তে ঘুরে বেড়াচ্ছে। কোন কোন ক্ষেত্রে মামলা চলছে ৬/৭/৮ বছর ধরে। গ্রাম থেকে শহর মহানগর। মফস্বল থেকে মহকুমা। সর্বত্রই এক ছবি।

একের পর এক ঘটনার সাক্ষী এই বাংলা

চলন্ত ট্রেনে তরুণীর মুখে ছুঁড়ে দেওয়া হয়েছে অ্যাসিড। পরিবারের একমাত্র চাকুরিরতা ছিল এই মেয়ে। বারুইপুর ছেড়ে যাদবপুরে এক বিউটিপার্লারে চাকরি করত চার হাজার টাকার বেতনে। বিবাহ বিচ্ছিন্না এই মেয়ে বাপ-দাদার ঘাড়ে বোঝা হতে চাননি। এক ছেলের মা দাঁড়াতে চেয়েছিলেন নিজের পায়ে। বারুইপুরের মেয়ে অ্যাসিড টার্গেট দুটো কারণে। প্রথম কারণ তাদের পারিবারিক জমি দখলে প্রোমোটারকে বাধা। বাবা-দাদার পাশে দাঁড়িয়েছিল সেই মেয়ে। আর দ্বিতীয় কারণ বিবাহবিচ্ছিন্না হওয়ার পর থেকেই প্রোমোটার স্বরূপ হালদারের নানারকমের লোভ-লালসা আর প্রলোভনে পা না দেওয়া।

দৈনন্দিন হুমকি। টোন-টিটকিরি তো ছিলই। বছর দেড়েক আগে স্বরূপের বাড়ির পাশেই হামলা হয় মেয়েটির ওপর। হামলা করে স্বরূপের দলবল। আক্রমন করে মুখে। বিকৃত করে দিতে চায় তার সৌন্দর্য। বদনাম করতে চায় সমাজে। সে দফায় কোন ক্রমে প্রাণে বেঁচে গেলেও। এবার একেবারে অ্যাসিড অ্যাটাক। চলন্ত ট্রেনে। আহত হয়েছেন মেয়েটির সহযাত্রীও। এবারও হয়তো প্রাণে বেঁচে যাবে মেয়ে। কিন্তু তার পেশার মৃত্যু, নিজের অন্ধত্ব, আর অঙ্গের বিকৃতি থেকে মুক্তি নেই নিশ্চিত। আর বেঁচে থাকলে সারাজীবন শরীরে বহন করতে হবে ক্ষত। এমন আঘাত সারাজীবন যন্ত্রণা দেবে। উপহাসের পাত্রী করে রাখবে সমাজের কাছে। যে বাক্য আর সৌন্দর্যের অহংকারে গরিমায় তার মাথা তুলে দাঁড়ানো। এই বার আঘাত করা হয়েছে সেইখানেই। যাতে জীবন্মৃত হয়ে থাকে। সমাজে মুখ দেখাতে লজ্জা পায়। আর আক্রান্তের সারা শরীর জুড়ে যেন প্রতিহিংসার চিহ্ন , প্রত্যাখানের শাস্তি বহন করতে হয়। তেমনি ঘটেছিল গতবছর জুলাই মাসে।

05lead1

কুপ্রস্তাব প্রত্যাখান। তাই মা ছেলে কাউকেই বাঁচতে দিতে রাজি নয় দুষ্কৃতি। ঘটনা হুগলীর তারকেশ্বর থানার পিয়াসাড়া কলোনী পাড়া এলাকার। অভিযোগ ২৪ জুলাই রাতে, দরজায় কড়া নাড়ার আওয়াজ শুনে বাইরে আসেন মা জ্যোৎস্না মালিক। ও ছেলে আনন্দ মালিক। জ্যোৎস্না দরজা খুলতেই এক ঝলক তরল ছিটকে পড়ে মুখে। মায়ের পাশেই ছিল ছেলে আনন্দ। উষ্ণ তরল লাগে তার গায়েও। কটু গন্ধে ভরে ওঠে চারপাশ। আহত দুজনকে প্রথমে তারকেশ্বর গ্রামীণ হাসপাতালে। পরে কলকাতার বাঙ্গুর হাসপাতালে পাঠানো হয়। দুজনকেই। ছেলে আনন্দ বেঁচে গেলেও জ্যোৎস্না ৭ই অগাস্ট মারা যান। প্রাথমিক ভাবে পুলিশ কাউকে ধরতে না পারলেও। অ্যাসিড আক্রান্তের জবানবন্দী নেওয়ার পর গ্রেফতার করা হয়েছে, স্থানীয় যুবক নূর আলিকে। জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরেই মধ্য বয়স্কা জ্যোৎস্নাকে কুপ্রস্তাব দিচ্ছিল নূর আলি। প্রত্যাখান করায় রবিবার ভোররাতে অ্যাসিড অ্যাটাক। ২৬ জুলাই ধৃত নূর আলিকে চন্দননগর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়। ৩২৬ এর A ও ৩০৭ ধারায় মামলা করা হয়েছে।

হুগলির পর নদীয়া । জুলাইয়ের নভেম্বর। এবার কুপ্রস্তাব নয়। প্রেম প্রত্যাখান। তার ফল অ্যাসিড। যদিও এর মাঝে একাধিক অ্যাসিড অ্যাটাকের ঘটনা ঘটে গেছে রাজ্যে। সেটা ছিল নবমী পুজোর রাত। নবমী নিশি পোহাবার আগেই বিসর্জন মা আর মেয়ের। নদিয়ার হাসখালি থানার বাউড়ি পাড়ার ঘটনা। নবমীর সন্ধ্যা। একটু রাত করেই ফিরেছিল মা আর মেয়ে। ঠাকুর দেখে ঘরে ফিরে ঘুমাচ্ছিল মা আর মেয়ে। আচমকাই গায়ে ছড়িয়ে পড়ে তরল উত্তাপ। ঘুমন্ত অবস্থায় কিছু বোঝার আগেই যন্ত্রনায় চিৎকার মা আর মেয়ের। ছিটকে জেগে ঊঠতেই দেখেছিলেন জানালা acid-759

খোলা। শরীরের একদিক ঝলসে গেছে মেয়ের। একবাটি জল ছেটালে যেমন হয় আর কি। আগুনে তরলে ভিজে গেছেন মাও। চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন।

মা টুলু রজক আর মেয়ে মৌ রজককে প্রথমে বগুলা হাসপাতালে পরে কৃষ্ণনগর শক্তিগড় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় অবস্থা খারাপ হওয়ায় দুজনকেই কলকাতার এন আর এসে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই মারা যায় মা টুলু রজক। জানা গেছে মেয়েকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিল অভিযুক্ত। সে ফিরিয়ে দেয়। তাই অ্যাসিড অ্যাটাক। এরপরের ঘটনাও নদিয়ার। কারণ পারিবারিক অশান্তি। তিন বছরের বিবাহিত জীবন। পণের দাবি বাড়তে থাকায় অশান্তি। শেষ পর্যন্ত স্বামীর ঘর ছেড়ে বাপের ঘরে ফিরে এসেছিল মেয়ে। কিন্তু সম্পর্কে স্বামী। পুরানো অধিকার বোধ জেগে উঠল একদিন। স্বামীর অধিকার ফলাতে। ঘর ছাড়া বৌকে শাস্তি দিতে জেগে ঊঠল উত্তম দাসের পুরুষকার। তাই বৌ গীতা দাসের বাপের বাড়িতে গিয়ে বৌয়ের গায়ে ঢেলে দিলে অ্যাসিড। শরীরের বাঁদিক। মুখ থেকে পা। পুরোটাই ঝলসে যায় গীতার। গলে যায় মাংস। রানাঘাট থানায় ভর্তি করা হয় গীতাকে।

শহর থেকে দূরে পুরুলিয়া বাঁকুড়া দুই মেদিনীপুর বর্ধমান কিংবা উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ারও বাদ নেই এই অ্যাসিড অ্যাটাকের হাত থেকে। যে কোন যুক্তিতে, অপযুক্তিতে প্রতিহিংসার হাতিয়ার হয়ে উঠছে এই অ্যাসিড। কারণ অবশ্যই সহজ লভ্যতা। বাঁকুড়ার ঘটনায় আক্রান্ত তিন ছাত্রী। আর আলিপুর দুয়ারে আশি বছরের বৃদ্ধা। পর পর কতগুলো কেস স্টাডি। এর মধ্যে পজেটিভ কিছুই নেই। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মামলা চলছে অভিযুক্ত জামিনে খালাস। আর প্রতিহিংসার চিহ্ন নিয়ে জীবন্মৃত কিছু মেয়ের গল্প। ২০১৬ অবধি আমাদের রাজ্যে ৫৯ টা অ্যাসিড অ্যাটাকের ঘটনা ঘটে। ২০১৬ সালে সংখ্যাটা প্রায় দ্বিগুণ। ২০১৭-তেও থেমে নেই এই ঘটনা ৷ তাহলে এটাই কি ভবিতব্য আমাদের মেয়েদের? ‘ওয়েস্টবেঙ্গল ভিক্টিম কম্পেনসেশন স্কিম-২০১২। গাল ভরা স্কীম। অ্যাসিড অ্যাটাকের ভিকটিমদের জন্য। ক্ষতিপূরণ বাবদ সরকারের কাছ থেকে তিনলক্ষ টাকা পেতে পারেন এরা। কিন্তু কজন পেয়েছে? সংখ্যাটা লজ্জা জনক ভাবে কম। যেখানে বিহার ঝাড়খন্ডের মত রাজ্যে সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশে এর দশ গুণ ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন।

সুপ্রিমকোর্টের নির্দেশে দেশের যে চারটি রাজ্যে খোলা বাজারে অ্যাসিড বিক্রি বন্ধের নির্দেশ আছে তাদের মধ্যে আমাদের পশ্চিমবঙ্গও আছে। সঙ্গে আছে ক্ষতিগ্রস্তের জন্য তিন লাখ টাকা ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থাও। ক্ষতিপূরণের ওই কটা টাকায় ক্ষতের ক্ষতি পূরণ হয়না ঠিকই, তাবলে, দেশের সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ অমান্য করা যায় কি? স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, ড্রাগ অ্যান্ড ড্রাগ কন্ট্রোল দপ্তর যাদের গোটা বিষয়টা দেখার কথা তাঁরা কি করছেন? ২০১৫ সালের এর NCRB-র রেকর্ড অনুযায়ী ৫৯টি এমন ঘটনা ঘটেছে শুধুমাত্র আমাদের রাজ্যে। এখনকি সচেতন হওয়ার মতো সময় আসে নি।না এই মেয়েরা । যারা আক্রান্ত তারা এমনই নিরাপত্তাহীন ভাবেই কাটিয়ে দেবেন । হেলথ অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার দপ্তরের কি কিছুই করার নেই?

অথচ ভারতীয় দন্ড বিধির ৩৫৬ এর এ ধারায় বলা আছে, অ্যাসিড আক্রমনকারী। বা আক্রমণ করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা আততায়ীর সর্বনিম্ন ১০ বছরের সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন শাস্তির বিধান আছে। সেই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে কি ? প্রশ্ন এটাও ২০১৫ সালে, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে এক নির্দেশিকায় জানানো হয়, ২০০ কোটি টাকার সেন্ট্রাল ভিক্টিম কম্পেন্সেশন ফান্ড তৈরি করা হয়েছে। যার থেকে আ সিড অ্যাটাক, ধর্ষিতা , নারী পাচারের ভিক্টিম, সীমান্ত পার সন্ত্রাসবাদে আক্রান্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। অ্যাসিড ভিক্টিমরা ন্যূনতম তিন লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ পেতে পারেন। বারুইপুরে চলন্ত ট্রেনে মহিলার মুখে অ্যাসিড ছোড়ার ঘটনায় গ্রেফতার অভিযুক্ত স্বরূপ হালদার। ধৃতের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা রুজু হয়েছে। ১৪ই ফেব্রুয়ারি তাকে শিয়ালদহ আদালতে পেশ করা হয়। গ্রেফতারের পর স্বরূপ হালদারের দাবি, মিথ্যে অভিযোগে ফাঁসানো হয়েছে তাকে। এদিকে অ্যাসিডে আক্রান্ত মহিলার অবস্থা আশঙ্কাজনক। সম্ভবত রাজ্যে এমন কোন মহকুমা শহর নেই যেখানে অ্যাসিড অ্যাটাকের মত কাপুরুষচিত লজ্জা জনক ঘটনা ঘটেনি। পরপর দুদিন আপনাদের সামনে এই প্রতিবেদন রাখার অর্থ। সচেতন করা। পাড়ার অ্যাসিড বিক্রির দোকানটার সঙ্গেওত কথা বলুন। বেআইনি অ্যাসিড বিক্রি বন্ধ করুন। রক্ষা করুন বাংলার মেয়েদের।

শুধু এ রাজ্য নয়, অ্যাসিডে পুড়ছে গোটা দেশ

তবে শুধু কি বাংলা? গোটা দেশ জুড়ে একই চিত্র ৷ পোড়া মুখ, ঝলসানো চেহারা, আশাহত মন নিয়ে বেঁচে আছেন অনেকে ৷ শুধু চেহারাতেই নয় ৷ সমাজ থেকেও নিজেদের গুটিয়ে নিয়েছেন অনেকে ৷ চেন্নাই থেকে মুম্বই, উত্তরপ্রদেশ থেকে অসম৷ দেশের সব কোণাতেই একই ঘটনা ৷ অ্যাসিড সারভাইবার ফাউন্ডেশন অফ ইন্ডিয়ার তরফ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সাল পর্যন্ত ২৪৯ টা অ্যাসিড আক্রান্তের ঘটনা জমা পড়েছে পুলিশের কাছে ৷ ২০১৬ সালে এই সংখা বেড়ে আরও ৷ যেখানে ২০১২ সালে অ্যাসিড আক্রান্তের সংখ্যা ১০৬ এবং ২০১৩ সালে ১১৬ ৷ অন্যদিকে, ২০১৪ সালে গোটা ভারতে এই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়ায়, ২২৫ ৷

রাজ্যের ভিত্তিতে এই সংখ্যা মেপে দেখলে ৷ গত ৫ বছরে অ্যাসিড আক্রান্ত ঘটনায় সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ ৷ উত্তরপ্রদেশে অ্যাসিড আক্রান্ত ঘটনার সংখ্যা ১৪৭ ৷ এর পরেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ৷ গত পাঁচ বছরে পশ্চিমবঙ্গে এর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২৫ ৷

এক নজরে দেখা নেওয়া যাক অন্যান্য কিছু রাজ্যের কি হাল...

অন্ধ্রপ্রদেশ- ৩৮

অসম- ১৭

বিহার-৩৭

গুজরাট- ২১

হরিয়ানা ৪৫

জম্ম-কাশ্মীর- ১১

মধ্যপ্রদেশ-৬১

মহারাষ্ট্র- ৩১

দিল্লি- ৯৬

তামিলর নাড়ু- ৩০

পঞ্জাব- ৪২

মনোবিদরা কী বলছেন?

অ্যাসিড অ্যাটাকের ঘটনা দিন দিন বেড়েই চলেছে ৷ কেন এরকম হচ্ছে ? বদলা নেওয়ার জন্য কেন অ্যাসিড অ্যাটাক ? মনোবিদরা বলছেন, এর পিছনে কাজ করে এক হিংসাত্মক মন ৷ অনেক সময় এই হিংসার থেকে তৈরি হওয়া তীব্র অবসাদ থেকেই জন্ম নিতে পারে এরকম বদলা নেওয়ার ইচ্ছে ৷ মনোবিদদের কথায়, হারানোর ভয় থেকেই মূলত জন্মায় এই ধরণের হিংসাত্মক মনোভাব ৷

গোটা দেশে যে অ্যাসিড অ্যাটাকেরপ ঘটনা ঘটেছে, তার পিছনে নয়তো হাত রয়েছে সম্পত্তি দখল, প্রেমে প্রত্যাখান ৷ মনোবিদদের কথা অনুযায়ী, এই দখল থেকেই জন্ম নিয়েছে হিংসা ও তার ফলে বদলার মনোভাব ! অন্যদিকে অ্যাসিড আক্রান্ত মানুষেরাও এই ঘটনার পরে তীব্র অবসাদে চলে যাচ্ছে ৷ সমাজ থেকে নিজেদের গুটিয়েও ফেলছেন তাঁরা ৷ অনেকে বেছে নিয়েছেন আত্মহত্যার পথ ৷ আবার অনেকে নিজের ইচ্ছে শক্তি দিয়ে হারিয়ে দিচ্ছেন অবসাদকে ৷ নতুন করে বেঁচে থাকার উপায় খুঁজে পাচ্ছেন ৷ তবে সেই সংখ্যাটা খুবই কম ৷

First published: 05:01:06 PM Feb 21, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर