নজিরবিহীনভাবে শীর্ষ আদালতের চার বর্ষীয়ান বিচারপতির ‘বিদ্রোহ’, দ্বিধাবিভক্ত আইনের কারবারিরাও

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Jan 12, 2018 07:51 PM IST
নজিরবিহীনভাবে শীর্ষ আদালতের চার বর্ষীয়ান বিচারপতির ‘বিদ্রোহ’, দ্বিধাবিভক্ত আইনের কারবারিরাও
Apart from J Chelameswar, other sitting judges present included Justice Ranjan Gogoi, Justice Madan B Lokur and Justice Kurien Joseph. (Network18)
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Jan 12, 2018 07:51 PM IST

#নয়াদিল্লি: নজিরবিহীনভাবে শীর্ষ আদালতের চার বর্ষীয়ান বিচারপতির নিশানায় প্রধান বিচারপতি। বিচার ব্যবস্থার অভ্যন্তরীন অসন্তোষকে এভাবে প্রকাশ্যে আনা কতটা যুক্তিযুক্ত? এই প্রশ্নে দ্বিধাবিভক্ত আইনজ্ঞরাও। কারও মত, বিচারব্যবস্থায় আস্থার প্রশ্নে চার দেওয়ালের মধ্যেই বিষয়টি মিটলে ভালো হত। কারও মত, উপায়ান্তর না থাকাতেই এমন বিস্ফোরণ।

নিশ্চিতভাবে নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে। সে কারণেই নজিরবিহীনভাবে চার বিচারপতি মুখ খুলেছেন। এনিয়ে কেউই দ্বিমত পোষণ করছেন না। কিন্তু চার বিচারপতির বিদ্রোহের পর বিচার ব্যবস্থার উপর মানুষের আস্থায় কি কোনও ধাক্কা লাগল? এই প্রশ্নই এখন আলোচনার অন্যতম বিষয়। এ প্রসঙ্গে আড়াআড়িভাবে বিভাজিত আইনজীবী ও অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিরা। বর্ষীয়ান আইনজীবী উজ্জ্বল নিকমের মন্তব্য, ‘বিচারব্যবস্থায় কালো দিন। এবার প্রতিটি রায়কেই সংশয়ের চোখে দেখবেন মানুষ।’ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আর এস সোধির মত, ‘চারজনকেই ইমপিচ করা উচিত। তাদের রায় দেওয়ার আর কোনও অধিকার নেই।’

কেউ কেউ বলছেন, ক্ষুব্ধ চার বিচারপতির পদক্ষেপ ঐতিহাসিক। কাউকে না কাউকে তো সংঘাতের পথে যেতেই হত। দেশের মানুষের জানা উচিত বিচার ব্যবস্থার মধ্যে কী চলছে।

সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ বলেন, ‘কাউকে সংঘাতের পথে যেতেই হত। সিজে ক্ষমতার অপব্যবহার করছেন ৷’ সুপ্রিমকোর্টের অন্য আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং জানান, ‘বিচার ব্যবস্থায় কী চলছে তা মানুষের জানার অধিকার আছে ৷’

চার বিচারপতির বিস্ফোরণ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতেও যথারীতি বিস্ফোরণ। সেখানেও যুযুধান দুই পক্ষ। লড়াইয়ে রং লেগেছে রাজনীতির। প্রধান বিচারপতির পাশে যাঁরা তারা সরকারপন্থী এবং ক্ষুব্ধ চার বিচারপতির পক্ষে যাঁরা তারা সরকার বিরোধী। চলছে কাদা ছোড়াছুড়ি।

First published: 07:51:15 PM Jan 12, 2018
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर