জল চেয়ে বিদ্যুৎ পেলাম, যাক কিছু তো পেলাম: হাসিনা

Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Apr 10, 2017 04:11 PM IST
জল চেয়ে বিদ্যুৎ পেলাম, যাক কিছু তো পেলাম: হাসিনা
Photo : AFP
Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Apr 10, 2017 04:11 PM IST

#নয়াদিল্লি: শেখ হাসিনার এবারের দিল্লি সফরে ২২ টি চুক্তি হয়েছে। ৪৫০ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ পাচ্ছে ঢাকা। কিন্তু, দুই দেশের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে তিস্তার জলেই। সোমবার ফের একথা স্পষ্ট করলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী। এদিন রাজধানীতে বিজেপির এক অনুষ্ঠানে তিস্তা চুক্তি নিয়ে নরেন্দ্র মোদির আশ্বাসেই ভরসা রাখলেন শেখ হাসিনা। তাঁর আশা দ্রুত সই হবে তিস্তা চুক্তি। তবে তিস্তার জল দেওয়া নিয়ে সম্মতি না দিলেও বিদ্যুৎ দেওয়ার কথা বলেছেন মমতা ৷ এটাই জানিয়েছেন হাসিনা ৷

বিদ্যুৎ দেওয়ার বিষয়ে হাসিনা জানিয়েছেন, ‘জল চেয়েছিলাম ৷ বিদ্যুৎ পেলাম ৷ ভালোই হয়েছে, কিছু তো পেলাম ৷’

ছয় বছর ধরে ঝুলে রয়েছে তিস্তা জলবন্টন চুক্তি। এই চুক্তি চূড়ান্ত না হওয়ায় বাংলাদেশে ক্রমেই তীব্র হচ্ছে হাসিনা বিরোধিতা। তিস্তা সমাধান না হলে ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কাও রয়েছে হাসিনা প্রশাসনের। এবারের ভারত সফরেও তিস্তা নিয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। যদিও প্রধানমন্ত্রী মোদি দ্রুত তিস্তা চুক্তি করার বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছেন।

তবে মমতা বন্দ‍্যোপাধ‍্যায় তিস্তা চুক্তিতে সম্মতি দেন কি না, সে দিকেই তাকিয়ে হাসিনা। কারণ, মোদি সরকার জানিয়ে দিয়েছে মমতার সঙ্গে আলোচনা করেই চূড়ান্ত হবে তিস্তা চুক্তি।

তিস্তার বিকল্প হিসাবে তোর্সা-সহ বেশ কয়েকটি নদীর প্রস্তাব দিয়েছিলেন মমতা। সেই প্রস্তাব আমল দেওয়া হচ্ছে না বলেই দাবি করলেন বাংলাদেশের তথ‍্যমন্ত্রী ইনু।

এবারের হাসিনার সফরে সই হয়েছে প্রতিরক্ষা, বাণিজ‍্য-সহ মোট ২২টি চুক্তি। হয়েছে বেশ কয়েকটা মউ। কলকাতা-খুলনা বাস-ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে, বহু বছর প্রতিক্ষার পর। স্থির হয়েছে, এপার বাংলা থেকে বিদ‍্যুৎ পাবে ওপার বাংলার মানুষ। কিন্তু, তিস্তার জল না পাওয়া গেলে দিল্লি-ঢাকা সম্পর্ক কোন দিকে গড়ায়, সেটাই প্রশ্ন।

First published: 04:11:59 PM Apr 10, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर