আজ খুলল জিডি বিড়লার জুনিয়র সেকশন, স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে স্কুল

Siddhartha Sarkar | News18 Bangla
Updated:Dec 08, 2017 09:19 AM IST
আজ খুলল জিডি বিড়লার জুনিয়র সেকশন, স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে স্কুল
Representational Image
Siddhartha Sarkar | News18 Bangla
Updated:Dec 08, 2017 09:19 AM IST

#কলকাতা: ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে রানিকুঠির জিডি বিড়লা স্কুল ৷ গতকাল, বৃহস্পতিবার খুলেছিল সিনিয়র সেকশন ৷ আজ, শুক্রবার খুলল স্কুলের জুনিয়র বিভাগও ৷ নার্সারি থেকে ক্লাস ফাইভ পর্যন্ত ক্লাস শুরু হয়েছে আজ ৷ বৃহস্পতিবার সকালে স্কুলে এসে গেটে লাগানো পোস্টারগুলি ছিঁড়ে দেন ছাত্র-ছাত্রীরা। কেউ স্কুল বাসে। কেউ আবার অভিভাবকদের সঙ্গে স্কুলে আসে। স্কুলে শুরু হয়েছে পরীক্ষাও ৷ এতদিন পর স্কুলে এসে খুশি পড়ুয়ারা।

এদিকে জি ডি বিড়লার নির্যাতিতা ছাত্রীর মেডিকো লিগাল পরীক্ষার রিপোর্ট নিয়ে ধন্দ। প্রথম সরকারি রিপোর্টে যৌন নির্যাতনের কথা বলা হলেও ছ'দিন পরের রিপোর্টে যোনি থেকে রক্তপাতের চিহ্ন নেই বলে উল্লেখ। মেডিকো লিগাল টেস্টে মেলেনি চরম নির্যাতনের প্রমাণও। তাই শিশুকন্যা উপর আদৌ যৌন নির্যাতন হয়েছে কি না তা নিয়ে ধন্দে চিকিৎসকরা। এক্ষেত্রে অবশ্য বয়ানই তদন্তে হাতিয়ার হবে বলে দাবি আইনজীবীদের।

ছ'দিনের ব্যবধানে দু'বার মেডিকো লিগাল টেস্ট হয়েছে। দু'টি রিপোর্টে ভিন্নমত। আর এতেই জিডি বিড়লার চার বছরের শিশুকন্যার যৌন হেনস্থা নিয়ে ধন্দ তৈরি হয়েছে চিকিৎসকদের মধ্যেই। ঘটনার দিন প্রথমে ছাত্রীর শারীরিক পরীক্ষা হয় ফুলবাগানের একটি নার্সিংহোমে। সেখানে শিশুটির পরীক্ষা করেন চিকিৎসক দৃষ্টি কোঠারি। সন্দেহ হওয়ায় তিনি শিশুটিকে দ্রুত রেফার করেন সরকারি হাসপাতালে। ঘটনা ঘটার পরের দিন অর্থাৎ পয়লা ডিসেম্বর নির্যাতিতার প্রথম মেডিকো লিগাল টেস্ট করা হয় এসএসকেএমে। মেডিক্যাল টিমে ছিলেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরাও।

প্রথম মেডিক্যাল রিপোর্ট

- যৌন নির্যাতন এবং যৌনাঙ্গে রক্তক্ষরণ

- মেডিকো লিগাল পরীক্ষা করেছেন ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা

- রিপোর্ট তৈরির সময় ছিলেন গাইনোকোলজি এক্সপার্টরাও

- সেই রিপোর্ট ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের কাছে জমা দেওয়ার কথা বলা হয়

ঘটনার ৬ দিন পর বুধবার ফের এসএসকেএমে নির্যাতিতার মেডিকো লিগাল টেস্ট করা হয়।

দ্বিতীয় মেডিক্যাল রিপোর্ট 

- চরম যৌন নির্যাতনের প্রমাণ নেই

- হাইমেন ছিঁড়ে যাওয়ার উল্লেখ নেই

- নির্যাতিতার পিছনে আঁচড়ের দাগ আছে

নির্যাতনের ৬ দিন পর মেডিক্যাল পরীক্ষা কি আদৌ বিশ্বাসযোগ্য? ১০০ শতাংশ সঠিক রিপোর্ট পাওয়া সম্ভব কিনা? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নির্যাতিতার আইনজীবী।

নির্যাতিতা শিশুর বক্তব্যের ভিডিওগ্রাফি করে পুলিশ। মোবাইলে ছবি দেখে অভিযুক্তদের শনাক্তও করে সে। ইতিমধ্যেই নির্যাতিতার গোপন জবানবন্দি নেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তদন্তে ছাত্রীর বয়ানই হাতিয়ার হবে বলে দাবি আইনজীবীদের।

First published: 09:19:40 AM Dec 08, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर