পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলা: সুপ্রিম কোর্টে রেহাই পেলেন না লালুপ্রসাদ যাদব

May 08, 2017 11:23 AM IST | Updated on: May 08, 2017 01:45 PM IST

#নয়াদিল্লি: পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় বড়সড় ধাক্কা খেলেন আরজেডি সু্প্রিমো লালুপ্রসাদ যাদব ৷ অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রে ধারা বহাল রাখল সুপ্রিম কোর্ট ৷ এদিন পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলার শুনানিতে ঝাড়খণ্ড হাইকোর্টের রায় খারিজ করে সিবিআইয়ের আর্জিকে মান্যতা দিয়ে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের ধারা থেকে লালুপ্রসাদ যাদবকে অব্যাহতি দিল না শীর্ষ আদালত ৷ এর ফলে প্রবল বিপাকে বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ৷

সুপ্রিম কোর্ট এদিন স্পষ্টভাবে পশু খাদ্য তহবিলের প্রায় ৯০০ কোটি টাকা তছরূপের অভিযোগে আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদবের বিরুদ্ধে নতুন করে মামলা শুরুর নির্দেশ দেয় ৷ এর আগে ২০১৪ সালে ঝাড়খণ্ড হাইকোর্ট ষড়যন্ত্রের ধারা থেকে লালুপ্রসাদকে অব্যাহতি দিয়েছিল ৷ আদালত নিজের রায়ে জানিয়েছিল পশু খাদ্য কেলেঙ্কারি মামলায় ষড়যন্ত্রের অভিযোগ থেকে লালু প্রসাদ যাদব মুক্তি পেলেও আইপিসি ২০১ এবং ৫১১ ধারা অনুসারে মামলা চলবে ৷ হাইকোর্টের সেই রায়ের বিরুদ্ধে আর্জি জানিয়ে শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় সিবিআই ৷

পশুখাদ্য কেলেঙ্কারি মামলা: সুপ্রিম কোর্টে রেহাই পেলেন না লালুপ্রসাদ যাদব

২০ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্টে লালু প্রসাদের আইনজীবী রাম জেঠমলানী বলেন, একই অভিযোগে দায়ের একাধিক মামলা শোনার বদলে আদালতে একটি মামলার শুনানি হোক ৷  অন্যদিকে এর বিরোধীতা করে নিজের বক্তব্য পেশ করেন সিবিআই আইনজীবী ৷ সেই মামলা শুনানি শেষে সোমবার ছিল রায়দান ৷

সুপ্রিম কোর্ট এদিন বলেন, লালুপ্রসাদ ছাড়া অন্যান্য অভিযুক্তদের বিরুদ্ধেও চলবে শুনানি ৷ সিবিআইয়ের মামলাটি আরও ভালভাবে নজরে রাখা উচিত ছিল ৷ নজরদারির জন্য একজন বিশেষ আধিকারিক নিযুক্ত করার দরকার ছিল ৷

পশু খাদ্য কেলেঙ্কারিতে আলাদা আলদা ছয়টি মামলায় যুক্ত লালুপ্রসাদ যাদব ৷ পশু খাদ্য তহবিলের ৯৭০ কোটি টাকার কেলেঙ্কারির অভিযোগে সাংসদ পদও খোয়ান বিহারের এই পোড় খাওয়া রাজনৈতিক নেতা ৷ অভিযোগ, লালুপ্রসাদ যাদব বিহারের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন ১৯৯৬ সালে চাইবাসা ট্রেজারি থেকে গবাদি পশুর খাবার কেনার উদ্দেশ্যে তুলে নেওয়া হয় ৩৭ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা ৷ ২০১৩ সালের অক্টোবরে এই তহবিল তছরূপের দায়ে অবিভক্ত বিহারের মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ ও জগন্নাথ মিশ্র সহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয় ৷

পশুর খাবারের নামে এমন তহবিল তছরূপের অভিযোগ আলোড়ন তোলে দেশ জুড়ে ৷ পাটনা হাইকোর্ট সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়। ২০০১ সালে রাঁচির সিবিআই আদালতে মামলা ট্রান্সফার হওয়ার পর কোর্টে আত্মসমর্পণ করেন আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদব। প্রথমে এই মামলায় পাঁচ বছরের জেল হয় লালুর ৷ পরে ঝাড়খন্ড হাইকোর্টের রায়ে স্বস্তি পায় ‘বিহার কে লালা’ ৷

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES