‘চুমু খাওয়ার সময় তো কোনও বাধা দেয়নি মেয়েটি’, ধর্ষণের অভিযোগ থেকে মুক্ত পিপলি লাইভ-এর পরিচালক

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Sep 26, 2017 05:13 PM IST
‘চুমু খাওয়ার সময় তো কোনও বাধা দেয়নি মেয়েটি’, ধর্ষণের অভিযোগ থেকে মুক্ত পিপলি লাইভ-এর পরিচালক
Mahmood Farukki
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Sep 26, 2017 05:13 PM IST

 #নয়াদিল্লি: অভিযোগকারী যৌনচারের সময় যথেষ্ট বলিষ্ঠভাবে আপত্তি করেননি, এই অজুহাতে ধর্ষণের দায় থেকে মুক্ত হলেন ‘পিপলি লাইভ’-এর সহ পরিচালক মহম্মদ ফারুকি ৷ তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনেছিলেন এক মার্কিন মহিলা ৷ এদিন দিল্লি হাইকোর্ট বেনিফিট অফ ডাউট-এর ভিত্তিতে ধর্ষণের অভিযোগ থেকে মুক্তি দিলেন ফারুকিকে ৷

২০১৫ সালের মার্চ মাসের ২৮ তারিখ কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মহিলা গবেষক দক্ষিণ দিল্লি সুখদেব নগরে ফারুকির বাড়ি গিয়েছিলেন নিজের গবেষণার ব্যাপারে সাহায্য চাইতে ৷ সেই সময় ফারুকি তাকে ধর্ষণ করে বলে ৩৫ বছরের ওই মহিলা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ৷ তিনি জানান যে সেদিন দু’জনে অতিরিক্ত মদ্যপান করেন ৷ এরপর ফারুকি তাঁকে জোর করে পাশের একটি ঘরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেন ৷ নির্যাতিতা জানিয়েছেন যে ঘটনার পর ফারুকি বহুবার ইমেলে তার কাছে ক্ষমা চেয়েছেন ৷

দিল্লি হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি চলাকালীন নির্যাতিতার অভিযোগ সত্যি কিনা সেই নিয়ে সন্দেহ জাগে ৷ বিচারক আশুতোষ কুমার তাঁর রায়ে জানিয়েছেন বলিষ্ঠভাবে প্রতিরোধ করেননি নির্যাতিতা ৷ দুর্বলভাবে আপত্তি জানানো সম্মতিরই সামিল ৷ অভিযোগকারিনী ও অভিযুক্তের সম্পর্ক নিয়েও কাটাছেঁড়া চলে ৷ সওয়াল চলাকালীন প্রকাশ্যে আসে অভিযুক্ত এবং অভিযোগকারী অতীতেও শারীরিকভাবে ঘনিষ্ঠ হয়েছেন ৷ চুম্বনের সময়ও ওই মহিলা কোনও বাধা দেননি বলে দাবি করেন ফারুকির আইনজীবী ৷ অতএব ধর্ষণের অভিযোগ নিয়ে সন্দেহ থাকায় বেনিফিট-অফ ডাউটের ভিত্তিতে তাঁকে মুক্তি দেয় হাইকোর্ট ৷

এর আগে এই অভিযোগের শুনানিতে ফার্স্ট ট্র্যাক কোর্টে দোষী সাব্যস্ত হন মহম্মদ ফারুকি ৷ তাঁকে সাত বছরের কারাদণ্ড দেয় আদালত ৷ সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের করা হয় হাইকোর্টে ৷

জনপ্রিয় হিন্দি ছবি ‘পিপলি লাইভ’-এর সহ পরিচালক ছিলেন ফারুকি ৷ ২০১০ সালে ছবিটি মুক্তি পায় ৷

First published: 05:10:28 PM Sep 26, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर