পুজো ঘিরে আজও বনেদি বাড়িতে ফিরে আসে সেই একান্নবর্তী ফিল

Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Sep 26, 2017 06:40 PM IST
পুজো ঘিরে আজও বনেদি বাড়িতে ফিরে আসে সেই একান্নবর্তী ফিল
নিজস্ব চিত্র
Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Sep 26, 2017 06:40 PM IST

#কোন্নগর: ভেঙে পড়ছে একান্নবর্তী পরিবার। আমি-তুমির সংসারেই এখন সুখ কেনে মানুষ। তবে পুজো ঘিরে আজও বনেদি বাড়িতে ফিরে আসে সেই একান্নবর্তী ফিল। ফেরে আজকের প্রজন্মের হাত ধরেই। যেমন হুগলির কোন্নগরের ঘোষাল বাড়ি। বছরভর ঝিমিয়ে পড়া বাড়ি পুজোয় জমজমাট হয়ে ওঠে। প্রতিপদ থেকে শুরু হয় পুজোর আয়োজন।

হুগলির অন্যতম প্রাচীন পুজো। ১৪৫৪ সালে দিল্লির মসনদে তখন সুলতান লোদি। সেসময়েই দুর্গাপুজোর শুরু কোন্নগরের ঘোষালবাড়িতে । পরে ঘোষালরা জমিদারের স্বীকৃতি পান সম্রাট আকবরের কাছ থেকে। সে সময়ে দুর্গা উৎসবে যোগ দিতেন হাওড়া ও হুগলির প্রজারা। সঙ্গে আনতেন প্রচুর কাঁচা আনাজ, নারকেল।

সময় এগিয়েছে। কালের নিয়মে বদলেছে অনেককিছুই । কমেছে আড়ম্বর। ভেঙে গেছে একান্নর্তী পরিবার। ঝিমিয়ে পড়েছে বিশাল ঘোষাল বাড়ি । হাল ধরতে এগিয়ে এসেছে আজকের প্রজন্ম। তাঁদের উদ্যোগেই ফের পুজোয় গমগমে কোন্নগরের ঘোষাল বাড়ি।

প্রতিপদ থেকে পুজো শুরু। চলে চণ্ডীপাঠ। ঘোষালদের প্রতিষ্ঠিত প্রাচীন হরিসভা থেকে রাধা, কৃষ্ণের অষ্টধাতুর মূর্তি আনা হয় বাড়িতে । দুর্গার সঙ্গে তাঁদেরও পুজো চলে একাদশী পর্যন্ত। পুজোয় বিশেষ ভোগের আয়োজন। ছানার মিষ্টি নয়। ভোগে দেওয়া হয় নারকেলের মিষ্টি । দশমীতে পান্তা ও ইলিশ ভোগ।

অষ্টমীতে পারিবারিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আট থেকে আশি সকলেই অংশ নেন এই অনুষ্ঠানে। সন্ধ্যেয় নয় দশমীতে সকাল সকাল ভাসানের আয়োজন। বিসর্জন থেকে ফিরে প্রথমে মিষ্টিমুখ। দুপুরে জমিয়ে খাওয়ার আয়োজন। পরিবারের সঙ্গে একসঙ্গে খেতে বসেন বিসর্জনে অংশ নিতে যাওয়া পাড়া প্রতিবেশিরাও।

First published: 06:40:58 PM Sep 26, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर