৮ নভেম্বরে মোদির ভাষণের পর রাতারাতি কাগজে পরিণত হল ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট

Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Nov 07, 2017 04:27 PM IST
৮ নভেম্বরে মোদির ভাষণের পর রাতারাতি কাগজে পরিণত হল ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট
File Photo
Dolon Chattopadhyay | News18 Bangla
Updated:Nov 07, 2017 04:27 PM IST

#নয়াদিল্লি: প্রতিদিনের রুটিনটা হঠাৎই বদলে গেল। সাতসকালে বাজারের বদলে ব্যাঙ্কের লাইনে দাঁড়াল গোটা দেশ। ৮ নভেম্বর ২০১৭ রাত ৮ টায় প্রধানমন্ত্রীর ৩৫ মিনিটের ভাষণ। রাতারাতি কাগজে পরিণত হল ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট। এটিএম, ব্যাঙ্কে টাকা তোলা, লেনদেনে চাপল একাধিক নিষেধাজ্ঞা।

কালো টাকা বাড়বাড়ন্ত রুখতেই নাকি এই সিদ্ধান্ত। সময়সীমা শেষ হতে চলল। তবে কালো টাকার দেখা এখনও তেমন মেলেনি। বরং পুরনো নোটে ব্যাঙ্কে জমা পড়েছে প্রায় ১৪ লক্ষ কোটি টাকা। কালো টাকার বড় অংশই যে ব্যাঙ্কে জমা পড়ছে, তা বুঝে ৪৫ দিনে ১০০ বারেরও বেশি নিয়ম বদলেছিল আরবিআই । তাতে কালো টাকার কারবারীদের সমস্যা হয়নি। আম-আমদির জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। কেন্দ্র ডিজিটাল লেনদেনের গাজর ঝুলিয়েই দায় ঝেড়েছেন। ক্যাশলেসের উপযুক্ত পরিকাঠামোই যে দেশের অধিকাংশ অংশে নেই, সে কার্যত ভুলে আছেন মোদি-জেটলিরা।

ব্যাঙ্কের লাইনে সংঘর্ষ, অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয়ে মারা গিয়েছেন ৫৬ জন। দেশের সব প্রান্তে একই অবস্থা। বন্ধ কল-কারখানা, কাজ হারিয়েছেন অন্তত ৫ লক্ষ শ্রমিক। বহুগুণ বেড়েছে ফোর্সড আনএমপ্লয়মেন্ট। মানুষের এই দুর্নীতিকে হাতিয়ার করেই নোট বাতিলের বিরোধিতায় নামে দেশের সব রাজনৈতিক দল। যদিও নোট বাতিলের বিরুদ্ধে সরব হওয়ার পথ প্রথম দেখিয়েছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই।

বাজার থেকে তুলে নেওয়া হয় সাড়ে ১৫ লক্ষ কোটি টাকা। ডিসেম্বরের আগে ন্যূনতম টাকার জোগানও ছিল না। দেশের বড় অংশে মার খেয়েছে রবিশস্যের চাষ। মোট ক্ষতি নাকি ছাপিয়ে যাবে ২ লক্ষ কোটি টাকা। নজিরবিহীন গোপনীয়তায় কাজ চালিয়েছিল টিম মোদি। নোট বাতিলের প্রথম কয়েকদিন তাই শুধুই বাহবা আর সাবাসি। দিন যত এগিয়েছে, স্পষ্ট হয়েছে কালো টাকার টিকিও ছোঁয়া যাবে না। পরিকল্পনার অভাবেই মুখ থুবড়ে পড়তে চলেছে সাম্প্রতিককালের অন্যতম সাহসী সিদ্ধান্ত। প্রধানমন্ত্রী নিজে এখনও হাল ছাড়তে নারাজ। হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন, আরও একদফা কড়া ব্যবস্থার।

First published: 04:27:12 PM Nov 07, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर