জাকারিয়া স্ট্রিটে রত্ন ব্যবসায়ী খুন, খুনে জড়িত একাধিক আততায়ী?

Akash Misra | News18 Bangla
Updated:Oct 25, 2017 11:18 AM IST
জাকারিয়া স্ট্রিটে রত্ন ব্যবসায়ী খুন, খুনে জড়িত একাধিক আততায়ী?
Photo : AFP
Akash Misra | News18 Bangla
Updated:Oct 25, 2017 11:18 AM IST

#কলকাতা: রাতের শহরে খুন রত্ন ব্যবসায়ী। জোড়াসাঁকো থানার জাকারিয়া স্ট্রিটে দোকানের ভিতর থেকে উদ্ধার মহম্মদ সেলিমের দেহ। ঘটনায় ব্যবসায়ী মহলে চাঞ্চল্য। প্রতিদিনের মতো গতকাল রাত সাড়ে আটটা নাগাদ মহম্মদ সেলিমকে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য ড্রাইভার আসে। ফোন করলে ড্রাইভারকে অপেক্ষা করতে বলেন তিনি। দেড় ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর, সন্দেহ হওয়ায় ড্রাইভার দোকানের সামনে যান। দেখেন শাটার নামানো, কিন্তু দোকানে তালা লাগানো নেই। শাটার খুলে দোকানে ঢুকে সেলিমকে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন ড্রাইভার। ব্যবসায়ীর মুখ টেপ দিয়ে বাঁধা ছিল। তাঁর গলাতেও দড়ির ফাঁস ছিল বলে অন্য ব্যবসায়ীরা জানান। ডিসপ্লেক জন্য রাখা সমস্ত পাথরও দুষ্কৃতীরা লুঠ করে বলে অভিযোগ। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। কুকুর এনে তল্লাশিও চালানো হয়। নিহতের ড্রাইভারকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। লুঠের উদ্দেশে খুন বলে প্রাথমিক অনুমান।

জাকারিয়া স্ট্রিটে রত্ন ব্যবসায়ী খুন ৷ ব্যবসায়ী খুনে জড়িত একাধিক আততায়ী? অ্যান্টি চেম্বারে মিলল ৩ জনের পায়ের ছাপ ৷ ধস্তাধস্তির চিহ্নও মিলেছে সেখানে ৷ মুখে টেপ আটকে শ্বাসরোধ করা হয়

মৃত্যু নিশ্চিত করতে গলা টিপে ধরা হয় ৷ একাধিক আততায়ী থাকার সম্ভাবনা বেশি ৷ খতিয়ে দেখা হচ্ছে ক্রেতাদের তালিকা ৷ দোকানের ক্যাশমেমো থেকে কাস্টমার ডিটেলস ৷ বেশ কয়েকদিনের ডিটেলস নিলেন তদন্তকারীরা ৷ কাল আসানসোলের এক ক্রেতার নাম উঠে আসে ৷ তবে ক্যাশমেমোয় এই ক্রেতার উল্লেখ নেই ৷

জাকারিয়া স্ট্রিটে রত্ন ব্যবসায়ী খুনে জোড়াল হচ্ছে পরিচিত যোগের তত্ত্ব। দোকান থেকে উধাও হয়েছে বহু মূল্য বেশ কিছু রত্ন। তদন্তকারীদের অনুমান নির্দিষ্ট ভাবে দোকানের ভিতরে হিরে ও রত্নের অবস্থান জানত দুষ্কৃতীরা। এমনকি এলাকার ভৌগলিক অবস্থান সম্পর্কেও যথেষ্ট ওয়াকিবহাল ছিল তারা। লুঠ হয়েছে ব্যবসায়ীর মোবাইল ফোনও। আপাতত সেই ফোনের আইএমইআই নম্বর দিয়েই দুষ্কৃতীদের খোঁজ চালানোর চেষ্টা করছে পুলিশ।

গতকাল রাত ১০টা ১০ নাগাদ মহম্মদ সেলিম আটান্ন বছরের এই ব্যবসায়ী যার দোকানের ঠিকানা জাকারিয়া স্ট্রিট। শাটার বন্ধ ছিল। চালক পিক আপ করতে গিয়ে দেখে শাটার নামানো। তুলে দেখে প্রথম ঘরের মেঝেতে পড়ে রয়েছে ব্যবসায়ীল দেহ। মুখে লিউকোপ্লাস্ট। হাত বাধা। অ্যান্টি চেম্বারে আলো জ্বলছে কিছুই নেই সেখানে। জোড়াসাকো থানা যায় খবর পেয়ে। তল্লাশি চালানো হয়। কেউ গ্রেফতার হয়নি। কীভাবে মারা গেল তা নিয়ে ধোঁয়াশা। গলায় কিছু দিয়ে শ্বাসরোধ করা হয়েছে। ধ্বস্তাধ্বস্তির প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। পরিচিত কেউ জড়িত থাকতে পারে। লুঠের উদ্দেশ্যেই খুন করা হয়েছে। সাড়ে আটটা নাগাদ সবাই নমাজ পড়ে যায়। আসানসোলের এক গ্রাহক আসবে। সে এলে তারপর বাড়ি যাবে। এই জিনিস সিলেক্ট করে গিয়েছিল। কিন্তু পরে কিনবে। সিসিটিভি কোথাও নেই। নোকিয়ার মোবাইল ফোন মিসিং। তাই ফোন গায়েব কথোপকথোন যাতে ধরা না পরে। ভৌগলিক অবস্থান জানত। দোকানোর কোথায় কি রাখা তাও জানত। আইএমইআই নম্বর জোগার করছে। এক কর্মচারী বছর তিনেক আগে ছেড়ে দিয়েছে। বৃদ্ধাও ওই গলিতে আসছে না তিন চারদিন। সবার দোকানেই কাজ করত। একাধিক জন ছিল।

রত্ন ব্যবসায়ী খুনে পরিচিত যোগ

উধাও বহু মূল্য হিরে-রত্ন

রত্নের অবস্থান জানত দুষ্কৃতীরা

খুনি পরিচিত বলেই সন্দেহ পুলিশের

প্রতিদিনের মত ব্যবসায়ী মহম্মদ সেলিমকে বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য ড্রাইভার আসে। ফোনে ড্রাইভারকে অপেক্ষা করতে বলেন সেলিম। দেড় ঘণ্টা পেরিয়ে যাওয়ার পর সন্দেহ হয় ড্রাইভারের। দোকানের সামনে গিয়ে

শাটার খুলে সেলিমকে অচৈতন্য অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন ড্রাইভার। ব্যবসায়ীর মুখ টেপ দিয়ে বাঁধা ছিল। তাঁর গলাতেও মিলেছে, দড়ির ফাঁসের দাগ।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় জোড়াসাঁকো থানার পুলিশ। কুকুর এনেও চালানো হয় তল্লাশি। লুঠের উদ্দেশ্যেই ব্যবসায়ীকে খুন করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান পুলিশের।

ঘটনার দিন আসানসোলের এক ক্রেতার দোকানে আসার কথা ছিল। তার জন্যই সেদিন দোকানে বেশি রাত পর্যন্ত ছিলেন ব্যবসায়ী। ঘটনার আগে ব্যবসায়ীর সঙ্গে ফোনের কথোপকথন লুকোতেই ফোন লুঠ করা হয়েছি

ব্যবসায়ী খুনে পরিচিত যোগ ৷ দোকানের খোলে বন্ধের সময় জানত দুষ্কৃতীরা কোথায় কোন রত্ন থাকে সে সম্পর্কেও ছিল নিখুঁত ধারনা

এলাকার ভৌগলিক অবস্থানও জানত খুনিরা ৷ তবে নিহত ব্যবসায়ীর কোনও শত্রু ছিল না বলেই জানাচ্ছেন আত্মীয়রা। ওই এলাকায় নেই কোনও সিসিটিভি। তাই পুলিশের কাছে ভরসা এখন নিহতের মোবাইল ফোন। তার আইএমইআই নম্বর ধরেই দুষ্কৃতীদের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

First published: 11:15:43 AM Oct 25, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर