‘আধাসেনাকে বসিয়ে রাখা হচ্ছে,শান্তি বাহিনী আসলে তৃণমূলের লেঠেল বাহিনী’, অভিযোগ দিলীপ ও রাহুলের

Jul 06, 2017 12:06 PM IST | Updated on: Jul 06, 2017 12:06 PM IST

#কলকাতা: উত্তর চব্বিশ পরগনার অশান্তিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার করতে তৎপর রাজ্য বিজেপি। বৃহস্পতিবার ফের রাজ্য সরকারের শান্তি ফেরানোর কৌশলকে রাজনৈতিক চাল বলে কটাক্ষ বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা ও দিলীপ ঘোষের ৷

রাজ্যে শান্তি বজায় রাখতে ৬০ হাজার বুথে শান্তি বাহিনী গড়ার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগকেই কটাক্ষ করে এদিন রাহুল সিনহা বলেন, ‘শান্তি বাহিনী আসলে তৃণমূলের লেঠেল বাহিনী ৷ এতে শান্তি ফিরবে না ৷ পুলিশ আধা সেনা নয় ৷ ইটের বদলে পাটকেলেই পরিস্থিতি শান্ত হবে ৷ প্রতিরোধ করলেই শান্তি ফিরবে ৷’

‘আধাসেনাকে বসিয়ে রাখা হচ্ছে,শান্তি বাহিনী আসলে তৃণমূলের লেঠেল বাহিনী’, অভিযোগ দিলীপ ও রাহুলের

এতেই শেষ নয় ৷ রাহুল সিনহা আধাসেনাকে কাজ করতে না দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ এনেছেন রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে ৷ তিনি বলেন, ‘আধাসেনাকে বসিয়ে রাখা হচ্ছে ৷ এই নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের সঙ্গে আমার কথাও হয়েছে ৷’

অন্যদিকে, বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের গলাতেও একই সুর ৷ তিনি অভিযোগ করেন বিজেপির বিরুদ্ধে উসকানির মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে ৷ কিন্তু এলাকায় শান্তি ফিরিয়ে আনতে বিজেপিকে কাজ করতে দিচ্ছে না তৃণমূল ৷ তাঁর মতে, ‘শান্তি বাহিনী আসলে রাজনৈতিক কৌশল ৷ সরকারের নতুন আমদানি ৷ তৃণমূল কেন এলাকায় নামছে না? বিজেপি উসকানি দিচ্ছে না, বরং পাশে থাকার চেষ্টা করছে ৷ সরকার আটকে দিচ্ছে ৷’

এদিকে গোষ্ঠী সংঘর্ষের জেরে এখনও থমথমে বসিরহাট-বাদুড়িয়া। বন্ধ দোকানপাট - স্কুল-কলেজ। বন্ধ রয়েছে ইন্টারনেট পরিষেবা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে উত্তেজনাপ্রবণ এলাকায় টহল আধাসেনার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ কিছু ব্যবস্থা নেয় প্রশাসনও।

বুধবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ‘৬০ হাজার বুথে গড়া হবে শান্তি বাহিনী। প্রশাসনিক স্তরে সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য। পুলিশ একা সব কাজ করতে পারে না ৷ সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে ৷ ধর্মীয় নেতা, ক্লাব-সহ সবাইকে আবেদন করছি এলাকার শান্তি রক্ষা করতেই হবে ৷ সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে ৷’

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES