ISI-এর টার্গেটে ভারতীয় রেল, তদন্তে দাবি

Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Jan 18, 2017 09:18 AM IST
ISI-এর টার্গেটে ভারতীয় রেল, তদন্তে দাবি
Photo : AFP
Elina Datta | News18 Bangla
Updated:Jan 18, 2017 09:18 AM IST

#মোতিহারি: কানপুর রেল দুর্ঘটনায় সামনে এল ISI যোগ ৷ পাক গুপ্তচর সংস্থা ISI-এর টার্গেট ভারতীয় রেল ৷ এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য দিচ্ছে বিহার পুলিশ।

পরিকল্পনা করে নাশকতার জন্যই ঘটে কানপুর ট্রেন দুর্ঘটনা ৷ বিহার পুলিশের হাতে ধৃত আইএসআই চরকে জেরায় উঠে এসেছে এমন তথ্য ৷

ISI চর সন্দেহে মোতিলাল পাশওয়ান নামে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে বিহার পুলিশ। ধৃতের স্বীকারোক্তি, গত বছর নভেম্বরে কানপুরে পটনা-ইন্দোর এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনায় রেল ট্র্যাকে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে মোতিলাল। যার ফলে ২০ নভেম্বর কানপুরের পুখরায়নে ইন্দোর–পাটনা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনায় ১৫০ জন নিরীহ মানুষের মৃত্যু হয় ৷ এর জন্য, দুবাই থেকে তাকে টাকা পাঠিয়েছিল ISI এজেন্ট শামসুল হুডি নামে এক ব্যক্তি। মোতিলালের সঙ্গে উমাশংকর পটেল ও মুকেশ যাদব নামের আরও দু’জন সন্দেহভাজনকেও গ্রেফতার করা হয়েছে ।

অপরাধমূলক কাজকর্মের কারণে পুলিশ আগে থেকেই ওই তিন জন ব্যক্তির সন্ধান করছিল ৷ অন্যদিকে, মোতিলালের গ্রেফতারির পর মহারাষ্ট্র ATS সূত্রে অন্য একটি তথ্য জানা গিয়েছে, যাতে মোতিলালের স্বীকারোক্তিকে আরও খানিকটা পোক্ত করল ৷ মহারাষ্ট্র ATS জানিয়েছে, সম্প্রতি বসন্ত কুমার নামে এক ব্যক্তি দাবি করে যে এক ব্যক্তি তাকে মোটা টাকার বিনিময়ে ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটানোর প্রস্তাব দেয় ৷

উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা বসন্ত কুমারের গ্রামেই ওই ব্যক্তি তাঁকে নাশকতা ঘটানোর জন্য প্রশিক্ষণ দেবে বলে জানিয়েছিল ৷ অপারেশন সফল হলে তাঁকে মোট ৭০ হাজার টাকা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছিল ওই ব্যক্তি ৷ বসন্ত কুমারের থেকে জানা গিয়েছে, গত বছর ২৫ ডিসেম্বর তার সঙ্গে আরও ৮ জনকে বারাণসী থেকে এক অজ্ঞাত জায়গায় নিয়ে গিয়ে রেল ট্র্যাকের পাত ও ট্র্যাকের চাবি খোলার প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল ৷ একইসঙ্গে কানপুর রেল দুর্ঘটনার মতো আরও একটি ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটানোর নির্দেশ দেওয়া হয় ৷ কিন্তু বসন্ত কুমারের দাবি, এই কথা শুনে তাঁর অনুতাপ হয় এবং সে মুম্বইয়ে তাঁর কাকার কাছে চলে আসে ৷ মোতিলাল ও বসন্ত কুমারের স্বীকারোক্তির মধ্যে কতটা যোগ রয়েছে, সে সত্য জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে ৷

এই স্বীকারোক্তি পাক গুপ্তচর সংস্থার ভারত বিরোধী পদক্ষেপের প্রমাণ দিচ্ছে। তাই বিহার পুলিশের এই তদন্তের উপর নজর রাখছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা NIA। প্রয়োজনে NIA তদন্তভার গ্রহণ করতে পারে বলেও জানা গিয়েছে।

First published: 09:13:39 AM Jan 18, 2017
পুরো খবর পড়ুন
अगली ख़बर