ভাঙড়ের নতুন করে উত্তেজনা, আন্দোলনকারীদের অবরোধের চেষ্টা আটকালেন এলাকাবাসী

Jan 24, 2017 08:12 AM IST | Updated on: Jan 24, 2017 08:16 AM IST

#ভাঙড়: ভাঙড়ে এবার উলটো হাওয়া। এবার শ্যামনগরের বাসিন্দাদের প্রতিরোধের মুখে আন্দোলনকারীরাই। ধিরে ধিরে স্বাভাবিক হচ্ছে পরিস্থিত। অভিযোগ, সোমবার সন্ধেয় এলাকায় ফের অবরোধ করতে যান আন্দোলনকারীরা। এরপরই প্রতিহত করেন এলাকাবাসী। এর জেরে নতুন করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। এলাকায় বোমাবাজিরও অভিযোগ রয়েছে। মঙ্গলবার প্রশাসনের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।

পাওয়ার গ্রিডের সাবস্টেশনের বিরোধিতায় ভাঙড়ের টোনা, খামারআইট, মাছিভাঙা, গাজিপুরের মতো গ্রামে দফায় দফায় বিক্ষোভ আন্দোলন। পুলিশের উপর হামলা। দুই গ্রামবাসীর মৃত্যু। গত এক সপ্তাহে উত্তপ্ত ভাঙড়ের এই ছবি। পরিস্থিতি সামলাতে পদক্ষেপ করেছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। সরকারের পদক্ষেপে গত কয়েকদিনে আস্তে আস্তে ছন্দে ফিরছে ভাঙড়। সোমবার নতুনহাট এলাকায়  সভা করে জমি, জীবিকা, বাস্তুতন্ত্র ও পরিবেশরক্ষা কমিটি। এলাকায় রাস্তা অবরোধ তেমন নেই। খুলেছে দোকানপাটের একাশংও। তাই আন্দোলনের তেজ কমার আশঙ্কায় শ্যামনগর ও স্বরূপনগর মোড়ে ফের অবরোধের চেষ্টা চালায় আন্দোলনকারীরা। কিন্তু, রুখে দাঁড়ায় এলাকাবাসীই। কার্যত অবরোধ হঠাতে লাঠি, বাঁশ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন গ্রামবাসীরা। এর পরই এলাকায় বোমাবাজির অভিযোগ।

ভাঙড়ের নতুন করে উত্তেজনা, আন্দোলনকারীদের অবরোধের চেষ্টা আটকালেন এলাকাবাসী

কথা ছিল সোমবার জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করবেন ভাঙড়ের আন্দোলনকারীরা। কিন্তু নেতাজি জয়ন্তী হিসেবে সরকারি ছুটির দিন হওয়ায় আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারেননি দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার জেলাশাসক। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার পর্যন্ত অপেক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভাঙড়ের জমি, জীবিকা, বাস্তুতন্ত্র ও পরিবেশরক্ষা কমিটি।

ভাঙড়ে হামলা ও অশান্তি ছড়ানোর দায়ে ধৃত ১০জনকে এদিন বারুইপুর আদালতে তোলা হয়। তাদের ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক। ধৃতদের মধ্যে ২ নাবালককে সরকারি হোমে রাখা হয়েছে।

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES