৯ বছরের শিশুকে হত্যা করল নাবালক, মৃতদেহের টুকরো করে মাংস খেল নরখাদক

Jan 21, 2017 02:25 PM IST | Updated on: Jan 21, 2017 02:25 PM IST

#লুধিয়ানা: ন’বছরের এক শিশুকে নৃশংসভাবে খুন করার অভিযোগ উঠল ১৬ বছরের এক নাবালকের বিরুদ্ধে ৷ খুনের পর মৃতদেহকে টুকরো টুকরো করে কেটে তার মাংস খেয়ে ও রক্ত পান করে নাবালক ৷ পৈশাচিক ঘটনাটি ঘটেছে লুধিয়ানার দুগরি এলাকায়৷ ঘটনায় ১৬ বছরের নাবালককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

জানা গিয়েছে, সোমবার থেকে ন’বছরের দীপু কুমারকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না ৷ এর ঠিক একদিন পরে এলাকার একটি পরিত্যক্ত জায়গা থেকে উদ্ধার করা হয় দীপুর  মুণ্ডহীন দেহের টুকরো ৷

৯ বছরের শিশুকে হত্যা করল নাবালক, মৃতদেহের টুকরো করে মাংস খেল নরখাদক

দুটি নাবালক প্রতিবেশী ছিলেন  ৷ একই এলাকায় থাকত ৷ দু’জনের পরিবার বাইরে থেকে সেখানে কাজের জন্য এসেছিল ৷ পুলিশ জানিয়েছে, আঁতকে উঠার মতো এই ঘটনাটি ঘটানোর পর নাবালকের মধ্যে কোনও পরিবর্তন দেখা যায়নি ৷ ছিল না কোনও অনুতাপ ৷ খুন করার পর বাড়ি ফিরে একদম স্বাভাবিক ব্যবহার করেছিল নাবালক ৷ এমনকী বাড়ি ফিরে বাবার জন্য রান্নাও করেছিল সে ৷

তবে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখতেই ওই নাবালকের উপর সন্দেহ হয় পুলিশের ৷ ঘটনার দিন দীপুকে শেষবার অভিযুক্ত নাবালকের সঙ্গে ঘুরতে দেখা যায় ৷ তাকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাবাদ করতেই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে পুলিশের সামনে ৷ জেরায় নাবালক স্বীকার করে যে সে নরখাদক ৷ দীপুকে খুন করে তার মাংস খেয়েছে সেই ৷ ডিসিপি ভূপিন্দার সিংহ সিধু বলেছেন, অভিযুক্ত একজন নরখাদক ৷ ওই শিশুর মাংস খেতে ও রক্ত পান করতে চেয়েছিল সে। সেই কারণেই শিশুটিকে খুন করে তাকে টুকরো করেছিল সে।

পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতের শারীরিক ও মানসিক পরীক্ষা করানো হচ্ছে। জেরায় দীপু জানিয়েছেন, সোমবার দুপুর ১:৪০ নাগাদ দীপুকে ঘুরি দেওয়ার নাম করে বাড়িতে নিয়ে যায় ৷ সেই সময় তাদের দু’জনের অভিভাবক কাজে গিয়েছিল ৷ প্রথমে দীপুকে শ্বাসরোধ করে খুন করে ধৃত ৷ এরপর ধারালো একটি অস্ত্র দিয়ে তার মৃতদেহের টুকরো করে ৷ একটি প্লাস্টিকে দেহের টুকরো ভরে সাইকেলে করে পরিত্যক্ত এলাকায় ফেলে দিয়ে আসে ৷ সেই সময় দীপুর হৃৎপিণ্ডটি আলাদা করে কেটে বের করে নিজের স্কুল চত্বরে ফেলে দেয়৷ এর মূল উদ্দেশ্য ছিল স্কুলকে বদনাম করা ৷ এবং স্কুল যাতে বন্ধ হয়ে যায় কারণ সে স্কুলে যেতে চাইত না ৷

মৃত কিশোরের দেহ এবং হৃদপিণ্ড উদ্ধার করেছে পুলিশ৷ ধৃতকে মনবিদের কাছে পাঠানো হচ্ছে ৷

RELATED STORIES

RECOMMENDED STORIES